চাহিদা নেই বলে ওপারের নায়করা এপারে আসছেন

প্রকাশিত: ৫:৪৫ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৫

চাহিদা নেই বলে ওপারের নায়করা এপারে আসছেন

এসবিএন ডেস্ক:
চিত্রনায়ক বাপ্পি চৌধুরী। ধীরগতিতে ক্যারিয়ার শুরু করলেও বর্তমানে নিজের আসনটা শক্ত করে নিয়েছেন। ‘ভালোবাসার রঙ’ চলচ্চিত্র দিয়ে অভিনয় জীবনের পথচলা শুরু করেন তিনি। বর্তমানে ‘সুইটহার্ট’, ‘অনেক দামে কেনা’, ‘বাজে ছেলে’, ‘ওয়ানওয়ে’, ‘সুলতানা বিবিয়ানা’সহ তার বেশ কয়েকটি ছবি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। চলচ্চিত্রে তার ব্যস্ততাসহ নানা প্রাসঙ্গিক বিষয়ে আজকের ‘আলাপন’-এ কথা বলেছেন তিনি। তার সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন কামরুজ্জামান মিলু
কেমন আছেন? কোথায় এখন
আমি ভালো আছি। এফডিসিতে সাফিউদ্দিন সাফি ভাইয়ের নতুন ছবি ‘মিসডকল’-এর কাজ করছি। এখানে সহশিল্পী হিসেবে আমার পছন্দের অভিনেতা বাপ্পারাজ ভাইকে পেয়েছি। আর এ ছবিতে আমার বিপরীতে দুই নবাগত নায়িকা তামান্না ও মুগ্ধতাকে দেখতে পাবেন দর্শক।
ছবিটিতে আপনার চরিত্র নিয়ে বলুন?
এ ছবিতে আমার চরিত্রের নাম রুম্মান। ছবিটিতে আমি একজন সফটওয়্যার হ্যাকার। এ ছবির গল্প, অ্যাকশন ও পোশাকে অনেক পরিবর্তন খুঁজে পাবেন দর্শক। ছবিটির কাজ ভালো হচ্ছে। প্রথম ভাগের পর ১৩ই ডিসেম্বর রাত থেকে এ ছবির দ্বিতীয় ভাগের কাজ শুরু করেছি আমরা।
বর্তমানে ইন্ডাস্ট্রিতে আপনার অবস্থান কত নম্বরে বলে মনে করেন?
এ ব্যাপারে আমি কিছুই মনে করি না। এটা দর্শকের উপর নির্ভর করে। এসব নিয়ে ভাবিও না। দর্শকের উপর এটা আমি ছেড়ে দিয়েছি।
নতুন বছরে কোন কোন ছবি মুক্তির প্রহর গুনছে?
আসছে বছরে আমার অভিনীত ওয়াজেদ আলী সুমনের ‘সুইটহার্ট’, জাকির হোসেন রাজুর ‘অনেক দামে কেনা’, মনিরুল ইসলাম সোহেলের ‘বাজে ছেলে’, ইফতেখার চৌধুরীর ‘ওয়ানওয়ে’, হিমেল আশরাফের ‘সুলতানা বিবিয়ানা’ ছবিগুলো মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
এ ছবিগুলোর মধ্য থেকে কোন ছবিটা নিয়ে আপনি বেশি আশাবাদী?
আমি অভিনেতা হিসেবে সব ছবিতে মনোযোগ দিয়ে কাজ করি। আর ছবির গল্প ভালো না হলে তো কাজই করতাম না। ২০১৬ সালে মুক্তি পেতে যাওয়া প্রত্যেকটি ছবি নিয়ে আমি আশাবাদী। কারণ আমার বিশ্বাস,এ ছবিগুলোর গল্প মানুষ অনেকদিন মনে রাখবে। বরং ২০১৭ সাল নিয়ে আমি চিন্তায় আছি। কারণ ওই সময়ের জন্য এখনও তেমন কোনো ভালো ছবি হাতে আসেনি।
কাজের বাইরে কি ঠিকঠাক পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছেন?
কাজের বাইরে পড়াশোনা ঠিক রাখতে আমি সবসময় চেষ্টা করি। বর্তমানে ইউল্যাবে সাংবাদিকতা বিভাগে পড়াশোনা করছি। সেটে পরিচালক অনুমতি দিলে ক্লাসে যাই। এই যেমন আগামীকালও ক্লাস করব। কিন্তু সব পরিচালক তো সবসময় আমাকে ছাড় দেন না। তাই অনেক সময় ক্লাস নিয়ে সমস্যায়ও পড়তে হয়।
ছবিতে প্রেম তো অনেক দেখল দর্শকরা, এবার বাস্তব জীবনের প্রেম-বিয়ে নিয়ে কি ভাবছেন?
আমার বড় ভাই সীমান্ত এখনও বিয়ে করেননি। তিনি সামনে বিয়ে করবেন। তারপর আমার সিরিয়াল আসবে। বড় ভাইয়ের পরই আমার বিয়ে।
বাংলাদেশে বর্তমানে যৌথ পরিচালনার বেশ কিছু ছবি নির্মাণ হচ্ছে, এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কি?
যৌথ পরিচালনা বা প্রযোজনার নির্মাণ করা ছবি অবশ্যই একটি ভালো উদ্যোগ। তবে আমাদের দেশে ওপার বাংলার নায়ককে টিকিট কেটে খুব একটা দেখছে না মানুষ। চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট অনেকের মতে, চাহিদা নেই বলে ওপারের নায়করা এপারে আসছেন। আমাদের ছবি দিয়েই আমরা দর্শকদের বাঁচিয়ে রাখতে চাই। আর বর্তমানে দেশে ভালো মানের অনেক ছবিই নির্মাণ হচ্ছে। তাই হতাশার কিছু নেই।

ছড়িয়ে দিন