জাতির বীর সন্তানদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৬, ২০১৯

জাতির  বীর সন্তানদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছে  বাংলাদেশ

বিজয়ের ৪৮তম বার্ষিকীতে জাতির বীর সন্তানদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছে বাংলাদেশ ।

সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার পর সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে সেই মুক্তিসেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।

তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল এ সময় সামরিক কায়দায় সালাম জানায়। শহীদদের স্মরণে বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। কিছুটা সময় নীরবে দাঁড়িয়ে জাতির বীর সন্তানদের স্মরণ করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসাবে পরে দলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে আবারও স্মৃতিসৌধে ফুল দেন শেখ হাসিনা। জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীও শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

বীরশ্রেষ্ঠদের পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি, তিন বাহিনীর প্রধান ও কূটনীতিকরা শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এরপর।

ভিআইপিদের শ্রদ্ধা জানানোর পর জাতীয় স্মৃতিসৌধ খুলে দেয়া হয় সবার জন্য; পতাকা আর ফুল হাতে জনতার ঢল নামে সৌধ প্রাঙ্গণে। ফুলে ফুলে ভরে উঠে শহীদ বেদী।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে ১৯৭১ সালে মুক্তি সংগ্রাম শুরুর পর ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স (এখন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ময়দানে মুক্তিবাহিনী ও ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সেনা কমান্ডের যৌথ নেতৃত্বের কাছে আত্মসমর্পণ করেন যুদ্ধে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দেওয়া লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমীর আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী।

সোমবার সেই বিজয়ের ৪৮ বছর পূর্তির দিনটি পালিত হচ্ছে সরকারি-বেসরকারি নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে। ভোরে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে (পুরনো বিমানবন্দর) ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে যার সূচনা হয়।

সাভার থেকে ফিরে সকাল ৮টায় ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে সম্মিলিত বাহিনীর কুচকাওয়াজে যোগ দেন।

দুপুরে গণভবনে তিনি বিজয় দিবসের স্মারক ডাকটিকেট অবমুক্ত করবেন। পরে বেলা সাড়ে ৩টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।