জাতীয় পতাকা বিকৃতি : ১৯ শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

প্রকাশিত: ১০:২১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১

জাতীয় পতাকা বিকৃতি : ১৯ শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা বিকৃতির অভিযোগে ১৯ শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮জন শিক্ষক ও একজন কর্মকর্তা রয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রংপুরের চিফ মেট্রোপলিটন আদালত-২ এর বিচারক আল মেহেদির আদালতে এই অভিযোগ গঠন করা হয়।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদি পক্ষের আইনজীবী রফিক হাসনাইন জানিয়েছেন, অভিযোগ গঠনের সময় অভিযুক্তরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। গত বছরের মহান বিজয় দিবসের দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক চত্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা বিকৃতির এ ঘটনা ঘটে।

 

পুলিশের দেওয়া তদন্ত রিপোর্টে নাম থাকা অভিযুক্ত ১৯ শিক্ষক-কর্মকর্তা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাবিউর রহমান প্রধান, গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. আরএম হাফিজুর রহমান, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. পরিমল চন্দ্র বর্মণ, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোরশেদ হোসেন, পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রশিদুল ইসলাম ও শাহ জামান, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নুর আলম সিদ্দিক, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান, মার্কেটিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাসুদ উল হাসান, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সদরুল ইসলাম সরকার, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক প্রদীপ কুমার সরকার, পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক চার্লস ডারউইন, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রামপ্রসাদ বর্মণ, ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক শামীম হোসেন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক রহমতউল্লাহ, রসায়ন বিভাগের প্রভাষক মোস্তফা কাইয়ুম শারাফাত, ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের প্রভাষক সোহাগ আলী, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক আবু সায়েদ এবং পরিসংখ্যান বিভাগের সেকশন অফিসার শুভঙ্কর চন্দ্র সরকার।

 

জানা যায়, গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক চত্ত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকায় সবুজের ভিতরে লাল বৃত্তের পরিবর্তে চতুর্কোণ করে বিকৃতি করা হয়। এ ছাড়াও পায়ের নিচে লাগিয়ে ছবি তুলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন ১৭ ডিসেম্বর সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে ১৮ শিক্ষক ও এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার লিখিত অভি

ছড়িয়ে দিন