জীবনের এপাড় ওপাড়

প্রকাশিত: ১:০৭ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১৮, ২০২১

জীবনের এপাড় ওপাড়

সিগমা আউয়াল

চারতলায় আই সি ইউ সাত নম্বর বেড, ইন্টেনসিভ কেয়ার ইউনিট। দীপা ছোট একটা শ্বাস নিলো ।নৈঃশব্দের প্রলেপ মাখা ঘর কেমন শূন্যতায় ছোঁয়া ।

বাতাসে অচেনা গন্ধ ।মাঝেমধ্যে এদিক ওদিক থেকে বিপবিপ শব্দে কার্ডিয়াক মনিটরে লাল – সবুজ বাতি জ্বলে । সদ্য জন্ম নেয়া সব শিশুকে যেমন একই রকম লাগে। তেমনি জীবন – – মরণ সন্ধিক্ষণে প্রতিটি পেশেন্টের বিছানায় মেশিন লাগানো চেহারা একই রকম। অসহায় নিস্পাপ । মুমূর্ষ লোক গুলোকে দেখলে নিজের অক্ষমতার উপর বিরক্তি বোধ হয় । বড্ড তুচ্ছ মনে হয় নিজেকে ।একমাত্র আল্লাহ্ কাছে নিজেকে সমার্পণ করা ছাড়া উপায় নেই । উচ্ছ্বলতায় ভরা তেজদীপ্ত যুবক রয়ন, তার স্বামী । কেমন আচ্ছন্ন অসহায় হয়ে বেডে শুয়ে আছে ।

যাকে ভালোবেসে সুখে বিভোর ছিলো দীপা । এই অবস্থায় তার চোখে জল আসার কথা । তা নয় খরখর চোখ কেমন জ্বালা করছে ।অদ্ভুত দৃষ্টিতে দীপা চেয়ে থাকে ।অতি পরিচিত রয়নকে আজ কেন যেনো বড্ড অচেনা লাগছে । বুক পযর্ন্ত সাদা চাদরে ঢাকা। মুখে অক্সিজেন মাস্ক ।

হাত ফুঁড়ে চলছে স্যালাইন । দীপার গা শিরশির করে। ঠান্ডা নিস্তব্ধ ঘর । এটা কি পৃথিবী থেকে আলাদা কোন স্থান ।নিঃশব্দ শান্ত মোহবিষ্টের মতো যন্ত্রচালিত ডাক্তার নার্স ঘোরাঘুরি করছে । আচ্ছন্ন অবস্থায় এখনো রয়ন ।কেমন অসহায় মুখ, ঠোঁট দুটো ঈষৎ ফাঁক ।
জ্ঞান আছে কি ? ডাকবে ?

অতি সংগোপনে বুকের উপর হাতটা রাখে। রয়ন আস্তে করে চোখ খোলে ডান হাতটি দিয় দীপার হাতটি চেপে রাখে বুকের উপর ।দুচোখের কোন বেয়ে জলের ধারা । রয়ন মতো শক্ত পুরুষের চোখে জল ? হাতের উপরে আস্তে একটু চাপ দেয় দীপা ।

দীপার চোখ শুকনো, কোন জল আসে না । মাত্র তিন বছরের বিবাহিত জীবন তাদের । এর মধ্যে অন্য মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ! কতদিনের সম্পর্ক ? কিছুই জানে না দীপা ।কিছুই বুঝতে পারেনি রয়নের আচরণে । শুধু ছুটির
দিনগুলো ইদানিং বড্ড মিস করতো রয়নকে । প্রায় মাসেই বলতো অফিস টুরে
ঢাকার বাইরে যাচ্ছি । মন খারাপ হলে বুকের কাছে টেনে নিয়ে বলতো —সোনা একটু ধৈর্য ধরো, কটা মাসই তো । তোমার পাওনা রইল বিদেশ ট্যুর । ইউরোপ টুরে যাবো আমরা ।

তুমি আমার জীবনে এলে বলেই তো আজ এই পজিশন আমার ।তুমিতো আমার ট্যাম কার্ড ।লাল হয়ে যাওয়া গালে হাল্কা ঠোঁটের স্পর্শ । গভীর সুখের আবেশে চোখ বন্ধ হয়ে আসে দীপার ।

বৃষ্টির ভাঁজে বেদনা জমা হয় আজ । মীমাংসা শেখা হয়নি সেখানে । গভীর অতলে ভেঙে পড়া বিশ্বাস । প্রেম সাজায় অন্তিম প্রহর !

খুবই সম্ভ্রান্ত পরিবারে মেয়ে দীপা। ঘর ভেঙে বাবা-মাকে সমাজের কাছে ছোট করতে পারবে কি দীপা ? মাঝে মধ্যে এখন মনে হয় ভুল করেছিল কি ? অতি বিশ্বাস কি মানুষ কে এরকম শাস্তি দেয়!
প্রায় দীপা বিশাল একটি নদীর স্বপ্ন দেখে ।রাতের নদীতে চাঁদের আলো পড়ে ঝিকমিক করছে। অপার্থিব সুন্দর ।কাল কি হবে জানা নেই । আজ নিয়ে বাঁচা ।গতকাল যা হয়েছে সেটা অতীত ।আগামীকাল কি হবে জানা নেই ।আজকের জন্য বাঁচো ।নদী যে ভাবে বাঁচে ।
আশ্চর্য এই জীবন । মুহূর্তের মধ্যে দাবার ঘুটির মতো বদলে যায় সহজ সরল
সম্পর্ক । জীবনে সঠিক পথ খুঁজে পাওয়া বড় কঠিন ।ঠিকানা বদল করলে কি সব শান্তি ফিরে পাওয়া যায় ? কিছু একটা সমাধান পেতে হবে তার । নিজেকে বাঁচাবার জন্য ।

(২য়  পর্ব )

বাবা সব সময় বলেন — আমাকে সমীহ করো ঠিক আছে। কিন্তু ভয় পেওনা কখনো । যতদিন বেঁচে আছি জেন তোমার পাশে আছি ।মাথার উপর শক্ত একটা ছাদ আছে তোমার ।লেখা পড়া শিখেছো নিজের বুঝ বিবেক আর বুদ্ধি দিয়ে পথ চলবে । অনেকে অনেক কথা বলবে কিন্তু তোমার দুঃসময়ে পাশে এসে দাড়াবার মানুষ খুঁজে পাবে না । বন্ধু কে শত্রুকে তুমি বুঝতে পারবে না । সুতরাং নিজেকে পৃথিবীর সামনে দাড়াবার মতো তৈরী করো ।তখন তুমি তোমার নিজেই নিজের শক্তি হবে ।পায়ের তলার মাটি শক্ত হবে ।

একটি পাথর শুধু পাথর নয়। পাথরের মধ্যে লুকিয়ে আছে অনেক কিছু ।
ইন দ্য সাইকেল অব চেঞ্জ ইট ক্যান এ ম্যান আ্যন্ড স্পিরিট ।ভালোবাসার জন্য কোন শিক্ষক দরকার হয় না ।আই ক্যান লাভ ইভদাউট ওয়ার্ডস ।দ্যাটস হোয়াই আই
ডোন্ট বিলিভ ইন টিচারস ।
নদী হচ্ছে সবচেয়ে বড় শিক্ষক ।স্টপ সার্চিং ,স্টপ ওরিং ।
আন্ড লার্ন টু গিভ লাভ ।

নারী আর নদী এক ।নারী পৃথিবীকে সব দিতে পারে ।
নারীই পারে পৃথিবীর শান্তি,মায়া- মহব্বত সৃষ্টি করতে । আবার কোন কিছু ভাঙ্গতে বা ধ্বংস করতে খুব একটা সময় লাগে না নারী । জন্ম – মৃত্যু ,সুখ- দুঃখ ভাই – বোনের মতো জাড়াজড়ি করে থাকে ।
বি আন্ড পিস ।

বাবা-মার বড় আদরের মেয়ে দীপা । হাতে ধরে সব কিছু শিখিয়েছেন বাবা ।লেখাপড়া শেখার সাথে গাড়ি – বাইক সব চালাতে জানে সে ।ভালো সাঁতার কাটে ।যেটা আজকাল শহরের অনেক ছেলে- মেয়ে জানে না ।অথচ আজ জীবন নদীতে হাবুডুবু খাচ্ছে ।
তাকে বহু দূরে যেতে হবে বিশাল কোন পাহাড় আর নদীর মিলন কেন্দ্রে ।
জীবন খুবই অদ্ভুত ।
কোথায় যে দুঃখ গুলো ঘাপটি মেরে থাকে মানুষ বুঝতে পারে না । ভাবনা গুলো ছন্নছাড়া । হঠাৎ পিঠে কার স্পর্শ ! ঘাড় ঘুরাতে দেখে বীথি ।
—-জলে ডোবা গলায় বলে এতো সব কখন কি ভাবে ঘটলো ? কিছু জানি না । শোনা মাত্র দৌড়ে এলাম । কেমন আছে রয়ন ভাই ।
—- ভালো আছে । ৭২ ঘন্টা পেরিয়ে গেছে ।আউট অব ডেনঞ্জার ।
— দেখা করতে দেবে ? তোর ভাই বলছিলেন একটু দেখবেন ।
—- বেশ তো যাও দেখো, নার্স কে বল ।দেখে এসো ।

ছ’মাসের মধ্যে দীপা অফিসকে ম্যানেজ করে ।দেশের বাইরে যাবার সব বন্দোবস্ত করে নেয় । বাবা বললেন — যাও এম এস টা কমপ্লিট করে এসো ।কোনদিন নিজের কাজ
ফেলে রাখবে না ।

রয়নের সাথে তার ছ/নয়ের সংসার চলছে ।তিন মাসের ছুটি । কিছুদিন দেশের বাইরে থেকে চিকিৎসা করে আসার পর এখন অনেকটা ভালোর দিকে ।
অফিসে যায় মাঝে মধ্যে ।নয়তো অন লাইনে কাজ করে ।

আজ তিন বছর হতে চলছে দীপা দেশে ফেরেনি । এক বছরের মাথায় রয়নের পরিবার
চাপ দিতে থাকে দীপা কে দেশে ফিরে যাবার জন্য । দীপার জোর আপত্তি। কোর্স কমপ্লিট না করে দেশে ফিরবে না ।ডির্ভোসের হুমকি ।তারপর সত্যি সত্যি উকিল নোটিস ।বাবা বলেন দীপাকে — ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখো । এটা তোমার জীবন ।
শুধু মনে রেখো — Without love 💕 বিবাহিত সম্পর্ক কেন , কোন সম্পর্ক সুখের
হ’তে পারে না । দুজনের প্রতি দুজনার ভালোবাসা – সম্মান , বিশ্বাস ও শ্রদ্ধাবোধ টুকু থাকা একান্ত দরকার ।

নিজের সঙ্গে অনেক যুদ্ধের পর শেষ পর্যন্ত রয়নকে মুক্তি দিয়ে দিলো দীপা ।পুরানো
সংস্কার ঝেরে ফেললো দীপা । মানুষ একা বাঁচতে পারে না । সবুজ ছাড়া প্রকৃতিকে ধূসর মনে হয় । ভালোবাসা ছাড়া জীবন বড্ড কষ্টের ।

চারবছর পরে আজ দেশে ফিরছে দীপা । দীপা বর জারিফ বাংলাদেশর ছেলে। জন্মগত ভাবে আমেরিকান সিটিজেন ।এই প্রথম বড় হবার পর বাংলাদেশে আসছে ।ওরা দুজনেই একটি আইটি ফার্মে চাকরী করে ।দীপা ঢাকায় আসছে । সঙ্গে স্বামী জারিফ ও কোলে আট মাসের শিশু কন্যা “পৃথা “ । দেখতে পুরোটাই বাবার মতো ।
শুধু চেহারায় কিছুটা মিল খুঁজে পায় দীপার আদলে।

ছোট ভাই অনিলের বিয়ে । সেই খুশিতে দীপা আত্মহারা ।একগাদা সপিং করে এনেছে । ও সেজেছে খুশি মতো । লেঙ্গা পড়ছে ।হাতে – কানে – গলায় জরোয়া গহনা ।জারিফ ওকে দেখে আর মুগ্ধ নয়নে বলে —ইউ রিয়েলী বিউটিফুল বেঙ্গলি লেডি । তোমাকে খুউব সুন্দর দেখাচ্ছে ।তোমাকে আমি খুউব ভালোবাসি। ভাঙা ভাঙা বাংলায় জারিফের মুখে প্রশংসা শোনে আর হাসতে হাসতে দীপা অস্থির ।জামাই পেয়ে দীপার মা- বাবা দারুণ খুশি ।

দীপা থেকে জারিফ ছয় / সাত বছরে ছোট । তাতে ওদের কোন সমস্যা নেই । তারপরও ওর গভীর ভাবে ভালোবাসে একজন আর একজন কে । মুগ্ধতার শেষ নেই ।

হঠাৎ কানের পাশে কে যেন বলে ওঠে — কেমন আছো ভাবি ?
চমকে পিছন ফিরে তাকায় দীপা ।একহাত দূরে মানিক, সাথে বউ ছেলে । মুখটা ম্লান হয়ে যায় দীপার । মনে হয় স্বপ্নের জগত থেকে ছিটকে দুঃস্বপ্ন দেখচ্ছে ।তাড়াতাড়ি স্বাভাবিক হবার ভান করে বলে — ও তুমি ? কেমন আছো ভাই ?

( ৩য় পর্ব )

এ কে তোমার বউ আর বাচ্চা বুঝি ।বাহ্ ভারি মিষ্টি ছেলে তোমার ।
কি নাম বয়স কত ?
— হ্যা ,আমার ছেলে রাতুল আর বউ নিশা। আমার স্ত্রীর বাড়ির লোকজন তোমার বাবার আত্মীয় ।সেই সূত্রে এলাম ।ভাবলাম নিশা তোমাকে দেখবে পরিচয় হবে আর অনেকদিন পর আমিও দেখবো প্রাণ ভরে । কেমন আছো ভাবি ?
কবে আবার দেখা হবে ঠিক নেই ।একটু ডাকবে তোমার বরকে ? হাত ইশারায় জারিফ কে ডাকে দীপা ।পৃথাকে কোলে নিয় জারিফ আসে । মানিকের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় ।পাশাপাশি বসে ওরা গল্প করে পৃথাকে কোলে নিয়ে মানিক আদর করে ।
কাজের উছিলায় ওখান থেকে সরে গিয়ে দূর থেকে দীপা দেখে ।শত আনন্দের মধ্যেও দীপার দুচোখ জলে ভরে যায়।
বিদায় নেবার আগে মানিক আসে —— চললাম ,অনেক ভালো লাগলো । এদিকে
একটু আসবে ?
—— হুমমম বলো ,
—- এই খামটা নাও। খামটা ব্যাগে রাখে দীপা ।
অনেক রাত হয়ে গেছে প্রায় আযান দেবার সময় হলো । দীপা খামটা খোলে
একটি চেক । কয়েক লাইন লেখা একটি চিঠি ।

প্রিয় দীপা ,

জানি খুউব ভালো আছো । তোমার মতো মেয়েকে আল্লাহ্ অবশ্যই ভালো রাখবেন। তোমার বরকে আমার অভিনন্দন বাচ্চাকে অনেক ভালোবাসা জানিও ।
তোমাকে আর ফাঁকি দেবো না দীপা । আমি বিয়ে করিনি ।আর কোন দীপা আমার
জীবন আলোকিত করতে পারেনি । জানতো স্বার্থপর মানুষ ,নিজেকে বড্ড বেশি ভালোবাসি । সেই ভালোবাসা থেকে তোমাকে ভালোবাসি বলে মুক্তি দিলাম । অন্য কিছু ভেবে নিও না । অনেক বড় অন্যায় করেছি তোমার সাথে । এ পাপের শাস্তি কি হয়
জানি না । গ্লানিকর জীবনের সাথে তোমাকে বেধে রাখার কোন অধিকার
আমার নেই ।
তোমার উজ্জ্বল সম্ভাবনাময় জীবন আমার মতো লোকের জন্য নষ্ট হতে পারে না ।
তোমাকে আজও ভালোবাসি ।সেই জন্য চাই তুমি ভালো থাকো ।

ভালোবাসার দীপার চোখে ঘৃণা সহ্য করতে পারছিলাম না । তোমাকে বেঁধে রাখবার মতো কোন যুক্তিও ছিলো না । তুমি ভালো থাকো সুখে থাকো ।
বাবা-মা বড় আপুর সঙ্গে থাকেন আমেরিকাতে । বছর বাদে আসেন । কিছুদিন পর হয়তো আর আসবেন না । আমি আর মানিকের পরিবার মিলে পৈত্রিক বাড়িতে থাকি । ভালো আছি আমরা ।চাকরি বদল করেছি বেশ কিছুদিন । মানিকের ছেলেটাকে নিয়ে সময় কাটে ভালো । দোয়া করো আমাদের জন্য । তোমার জন্য ভালোবাসা ও শুভকামনা। আর্শীবাদটুকু সারা জীবন থাকবে । সুখের হোক তোমার জীবন ।সৌভাগ্য ছুঁয়ে যাক
তোমার সংসার আঙ্গিনায় ।

ক্ষমা চাইলাম না । নিজেকে নিজে ক্ষমা করতে পারি নি ।
তোমার কাছে ক্ষমা চাইবো কোন মুখে । তুমি কেন ক্ষমা করবে ।
অনেক খুশি হয়েছি এটা জেনে । তোমার আর আমার মেয়ে হলে নাম রাখবে বলেছিলে — ‘ পৃথা ‘। সে কথা যে তুমি ভুলে যাওনি দীপা সেটা জানলাম । তুমি এই অপদার্থ লোকটিকে এখনো ভালোবাস সেটাও প্রমানিত হলো । ভালোবাসা কখনো মরে না । হৃদয়ের গোপন স্থানে জমে থাকে পাথরের বরফ হয়ে থাকে । একটু উষ্ণতা পেলে ঝর্ণার মতো বেয়ে পড়ে । ভাসিয়ে নিয়ে যায় সব দুঃখবোধ । পৃথাকে দেখার বড় সাধ ছিলো ।
আমার দোয়া আর ভালবাসা ওকে ঘিরে রাখবে সারাক্ষণ । এরপরের বার এলে নিশ্চয় দেখা হবে পৃথার সাথে । জারিফকে শুভেচ্ছা ।
মেয়ের মা ও মেয়ের জন্য অনেক ভালবাসা । ছোট্ট উপহারটুকু গ্রহন করলে
ধন্য হবো ।

রাখছি —- ইতি
—— রয়ন ।
চোখ জ্বালা করে হঠাৎ বৃষ্টি এলো বন্যার মতো । সব গ্লানি সব হারানোর ব্যথা
ভুলে চোখের জলে শুদ্ধ হচ্ছে দীপার আগামী পথ চলা ।

ছড়িয়ে দিন

Calendar

November 2021
S M T W T F S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930