ডাকাতি, চুরি ও ছিনতাই প্রতিরোধে ডিএমপির অভিযানে ৩৪ জন গ্রেফতার

প্রকাশিত: ৮:৩৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২১, ২০২১

ডাকাতি, চুরি ও ছিনতাই প্রতিরোধে ডিএমপির অভিযানে ৩৪ জন গ্রেফতার

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের একাধিক টিম ডাকাতি, ছিনতাই ও চুরি প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৩৪ জনকে গ্রেফতার করেছে।

বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে- মো. অপু (২৩), মো. রজব আলি (৪০), মো. রাসেল ওরফে রুবেল (২৮), মো. ইউনুস আলী (৪০), মো. সাইফুল ইসলাম (২৮), মুরাদ শিকদার (২৩), মো. নয়ন (৩০), মো. পারভেজ (৩০), মো. সিরাজুল ইসলাম (২৮), রাকিব হাসান ওরফে কনক (২৬), মো. ইব্রাহিম (২৩), মো. আমির হোসেন (২২), মো. মাইনুদ্দিন ওরফে কালু (১৯), মো. রনি (২০), মো. রুবেল হাসান (২০), মো. সাব্বির হোসেন (১৯), মো. আরিফুল ইসলাম (২৩), মো. অন্তর মিয়া (১৯), মামুন হোসেন (২০), মো. ওয়াজিব হোসেন (১৯), শাওন (২২), শাকিল ওরফে লাদেন (২৪), রবিন (২৩), হাবিবুর রহমান (২৭), নুর আলম বাবু ওরফে পিচ্চি বাবু (২৫), রমজান (২৪), মো. রুবেল হাওলাদার (২৭), মো. শাহিন (২১), মো. নয়ন মিয়া (২৮), মো. সোহেল খান (২৫), মো. বাদল বিশ্বাস (২৬), আহাম্মদ আলী মাতব্বর ওরফে পিচ্চি (৩৫), মো. আলমগীর (২৭) ও মো. রফিকুল ইসলাম (৩০)।

 

এসময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতি, চুরি ও ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত চাপাতি, চাকু, ছোরা, হাইড্রোলিক কাটার, তালা ভাঙ্গার রড, হাতুরি, প্লাস, স্ক্র ড্রাইভার, হেসকো ব্লেড, গ্রিল ও তালা কাটারসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়।

 

বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ এক সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার।

 

তিনি বলেন, শীতকালে দোকান, বাসাবাড়ি ও মার্কেটে ডাকাতি ও চুরি বেড়ে যায়। এটা প্রতিরোধের লক্ষ্যে ডিবির ৩২টি টিম একযোগে রাজধানীতে বিশেষ অভিযান চালায়। এই অভিযানে ৩৪ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় গোয়েন্দা পুলিশ।

 

ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, সবাই সচেতন হলে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যাবে। বিশেষ করে কারো বাসায় নতুন দারোয়ান বা মালি নিয়োগ দিলে, তা যেন নিকটবর্তী থানাকে অবগত করা হয়। তাহলে বাসা-বাড়িতে চুরি ও ডাকাতির ঘটনাগুলো কমে আসবে। অথবা চুরি ও ডাকাতির মতো ঘটনাগুলো ঘটলে তাদেরকে সহজেই গ্রেফতার করতে পারবে পুলিশ।

 

তিনি বলেন, গ্রীল কেটে প্রবেশের ক্ষেত্রে চোরেরা বাসার কিচেন ও বাথরুমের পিছনের অংশ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যবহার করে থাকে। এ বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে। যারা আর্থিকভাবে সামর্থবান তারা বাসায় সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা করতে পারেন। জনগণকে এই বিষয়ে সচেতন হতে হবে। এরপরও যদি এমন ঘটনা ঘটে যায়, তাহলে পুলিশকে অবগত করুন। যে কোন ঘটনা নিয়েন্ত্রণে রাখাই আমাদের লক্ষ্য।

বাসস: