ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিতে ‘পাঠ্যক্রম উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালা’

প্রকাশিত: ৪:৪০ অপরাহ্ণ, মে ৩০, ২০১৮

ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিতে ‘পাঠ্যক্রম উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালা’

‘প্রযুক্তি ও সময়ের বিবর্তনের সাথে সাথে উচ্চ শিক্ষায় যুগোপযোগী পাঠ্যক্রম প্রণয়ন, পরিবর্তন ও সংযোজন একটি চলমান প্রক্রিয়া। পাঠ্যক্রম পরিবর্তন কোন স্থির বিষয় নয়।’ মঙ্গলবার (২৯ মে) ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পাঠ্যক্রম উন্নয়ন বিষয়ক একটি কর্মশালায় বক্তারা এমন মত দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ (জেএমসি) বিভাগ “আউটকাম বেইজড টিচিং লার্নিং পাঠ্যক্রম উন্নয়ন”শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করে। এতে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের উপদেষ্টা অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান, এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার শফিকুল ইসলাম শামীম, ভয়েস অব আমেরিকার বাংলাদেশ প্রতিনিধি নাসরিন হুদা বিথি, দৈনিক প্রথম আলোর প্রদায়ক সৈয়দা সাদিয়া শাহরীনসহ বিভাগের সিনিয়র শিক্ষক, শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ও অ্যালামনাই সদস্যরা পাঠ্যক্রম উন্নয়ন ও অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেন।
প্রধান আলোচক হিসেবে কর্মশালায় অংশ নিয়ে অধ্যাপক গোলাম রহমান বলেন, বর্তমান সময়ে প্রিন্ট, অনলাইন বা ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে স্বতন্ত্র ভাবার সুযোগ নেই। একজন দক্ষ সাংবাদিক হতে হলে একইসাথে সংবাদ সংগ্রহ, সম্পাদনা, ছবি তোলা ও ক্যামেরা চালানোয় পারদর্শী হতে হবে। তিনি আরো বলেন, সম্প্রতি আমরা মহাকাশে স্যাটেলাইট প্রেরণ করেছি। সারা বিশ্বই প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে। পরিবর্তনশীল বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে আমাদের শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি জ্ঞানেও দক্ষতা থাকতে হবে।
কর্মশালায় অন্যান্য বক্তারা বলেন, পাঠ্যক্রমে তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতা ও ডিজিটাল বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি জোর দিতে হবে। প্রযুক্তির বিবর্তনের সাথে সাথে গণমাধ্যমগুলোকেও যুগোপযোগী হতে হবে। একইসাথে সাংবাদিকতা শিক্ষায়ও তার প্রতিফলন থাকতে হবে। এ সময় আলোচকবৃন্দ শিক্ষার্থীদের মাঠ পর্যায়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের বিষয়ে অধিক মনযোগী হতে আহবান জানান।
আলোচনা পর্ব শেষে বিভাগের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাই সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে বিভাগীয় উপদেষ্টা অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান কর্মশালার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।