ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাজেট ৭৪১ কোটি টাকা

প্রকাশিত: ১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৬, ২০১৮

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাজেট ৭৪১ কোটি টাকা

স্টাফ রিপোর্টার
প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে বাজেট ধরা হয়েছে ৭৪১ কোটি ১৩ লাখ টাকা। আগামী বুধবার (২৭শে জুন) বিশ্ববিদ্যালয় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. কামাল উদ্দিন নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এ বাজেট উত্থাপন করবেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবন সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম. শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা এবং সাধারণ কার্যক্রম পরিচালনার ব্যয়ভার হিসেবে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৭৪১ কোটি ১৩ লাখ টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে এ বাজেট ছিল ৬৬৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। পরে সংশোধিত বাজেটে তা বেড়ে দাড়ায় ৭৩৮ কোটি ৭২ লাখ টাকা। সে কারণে এ বছর বাজেটের আকার বেড়েছে ২ কোটি ৪১ লাখ টাকা। বিগত বাজেটের দিকে তাকালে দেখা যায় প্রতি বছরই বাজেটের আকার বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে বাজেট ছিল ৬৬৪ কোটি ১১ লাখ টাকা। পরে সংশোধিত আকারে তা বেড়ে দাড়ায় ৬৬৭ কোটি ১৯ লাখ টাকা। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে বাজেট ছিল ৫০০ কোটি টাকা। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে বাজেটের পরিমাণ ছিল ৪২৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে বাজেট ছিল ৩১৪ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।
এবার বাজেটের একটি বড় অংশ ব্যয় হবে শিক্ষক কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা ও পেনশনসহ বিভিন্ন খাতে। এবছর ৪৩২ কোটি ৯৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে যা মোট বাজেটের ৫৮ দশমিক ৪২ শতাংশ। পেনশনের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১০৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা। শিক্ষকদের বেতনের জন্য রাখা হয়েছে ১৩৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।
এবছর বাজেট নির্দেশনায় ইউজিসি (বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন) বলেছে, সরকারি অর্থ ব্যয় করার সময় সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা অবলম্বন করতে হবে। মূল বরাদ্দের বাইরে বিশেষ প্রয়োজন এবং ইউজিসির অনুমোদন ছাড়া কোনো অর্থ ব্যয় করা যাবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল আয় নিজস্ব আয়ের সাথে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। ভর্তি পরীক্ষার ফরম বিক্রির আয়ের ৪০ ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দিতে হবে।
এবছর বাজেটে আয়ের উৎস হিসেবে দেখানো হয়েছে, ইউজিসি অনুদান এবং নিজস্ব আয়। মোট বাজেটের ৬২৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা দিবে ইউজিসি। নিজস্ব আয় বাবদ ধরা হয়েছে ৭১ কোটি ২৮ লাখ টাকা। এ বছর ঘাটতি বাজেট দাড়িয়েছে ৪১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভিসি (প্রশাসন) ও ফিন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ বলেন, প্রস্তাবিত বাজেট ফিন্যান্স কমিটি এবং সিনেট সভায় অনুমোদিত হয়েছে। আগামী সিনেট অধিবেশনে এটি পাশ হবে। এবারের বাজেটে গবেষণা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে বলে জানান তিনি।