ঢাকা ১২ই জুলাই ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৬ই মহর্‌রম ১৪৪৬ হিজরি


তাঁত শিল্পে স্বাবলম্বী কমলগঞ্জের আমেরজান বেগম

redtimes.com,bd
প্রকাশিত জুলাই ৬, ২০১৯, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
তাঁত শিল্পে স্বাবলম্বী কমলগঞ্জের  আমেরজান বেগম


সোহেল রানা,কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় মুসলিম এইডের ক্ষুদ্র ঋণের টাকা কাজে লাগিয়ে অনেক মহিলা সংসারে সফলতা এনেছেন। এ উপজেলায় বিভিন্ন স্থানে মণিপুরী সম্প্রদায়ের পাশাপাশি মুসলিম মণিপুরী মহিলারাও তাঁতের কাজ করে সংসারের সফলতা আনছেন। তাঁতের কাপড় দেশে ও বিদেশে ব্যাপক চাহিদা থাকায় মণিপুরী মহিলারা নানা রঙ্গের হাতে ফুল ফুটিয়ে তুলেন শিল্পকর্মে। কমলগঞ্জ পৌর এলাকার দক্ষিন কুমড়াকাপন গ্রামের মণিপুরি (মুসলিম) পাড়ার তেমনি এক মহিলা আমেরজান বেগম তাঁত শিল্প তৈরী করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। স্বামী আইনদ্দিন পেশায় গাড়ি চালক। স্বামী ও ৩ ছেলেকে নিয়ে তার সংসার, ছেলেরা লেখাপড়া করছে। বড় ছেলে এইচএসসিতে,দ্বিতীয় ছেলে ৮ম শ্রেণিতে আর ছোট ছেলে প্রথম শ্রেণিতে পড়ছে। কিন্তু অর্থ সংকটের কারনে মাঝে মাঝে হতাশ আমেরজান, কিভাবে সংসার চালাবেন ও ছেলেদের লেখাপড়ার খরচ চালাবেন। সংসার চলতো কষ্ট করে এমতাবস্থায় আমেরজান বেগম জানতে পারেন মুসলিম এইড নামে আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থার সুদ মুক্ত ঋণ বিতরণের কথা। আমেরজান বেগম মুসলিম এইড দক্ষিন কুমড়াকাপন গ্রামের মণিপুরী সমিতিতে ভর্তি হন। প্রথমে ১০ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করে তা দিয়ে একটি তাঁত ক্রয় করেন। ম্বামী-স্ত্রী মিলে তাঁতের কাজ করেন এবং কাপড়ের ব্যবসা শুরু করেন। প্রতিমাসে তার আয় হয় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। এমনিভাবেই ৮ বার ঋণ নিয়ে ব্যবসার পাশাপাশি কৃষিতে মনোনিবেশ করেন। বর্তমানে তিনি ৫ কেয়ার জমিতে কৃষি ক্ষেত করেছেন,নিজস্ব ১টি পাকা বাড়ী করেছেন। স্বামীকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন। আলাপকালে,আমেরজান বেগম বলেন,ক্ষুদ্র ঋণের টাকা দিয়ে তাঁতের কাজ করে সুন্দরভাবে সংসার চলছে। নতুন করে ঘর তৈরী করেছি। এখন আগের তুলনায় আমি অনেক সুখি। বর্তমানে তার ব্যবসার অবস্থা ভাল। তার এগিয়ে যাওয়ার পেছনে মুসলিম এইডের অবদানের কথা তারা স্বীকার করে বলেন, পরবর্তীতে বড় ধরনের অর্থ সহায়তা পেলে অরো ভাল কিছু করতে পারবেন বলে আশা ব্যাক্ত করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

July 2024
S M T W T F S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031