দুর্লভ খনিজ সম্পদ উত্তোলনের নামে অর্থ লুটপাটের পাঁয়তারা ভূতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের

প্রকাশিত: ১:২৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৮, ২০১৬

দুর্লভ খনিজ সম্পদ উত্তোলনের নামে অর্থ লুটপাটের পাঁয়তারা ভূতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের

এসবিএন ডেস্ক: দুর্লভ খনিজ সম্পদ উত্তোলনের নামে আবারও সরকারি অর্থ লুটপাটের নীলনকশা করছে ভূতাত্ত্বিক অধিদপ্তর। নদী ও সমুদ্র সৈকতের বালিতে দুর্লভ এবং অতিমূল্যবান খনিজ সম্পদ সন্ধানের নামে ইতিপূর্বে দফায় দফায় অর্ধশত কোটি টাকা খরচ করা হলেও সরকারি অর্থ লুটপাট ছাড়া কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এখন আবার নতুন করে ৩৫ কোটি ৬২ লাখ ৭০ হাজার টাকার নতুন একটি প্রকল্প নিয়ে অর্থ লুটপাটের পাঁয়তারা সরকারি এ প্রতিষ্ঠানটি। আগামীকাল মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত একটি প্রকল্প অনুমোদন দিতে যাচ্ছে জাতীয় অর্থনীতি পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাংলাদেশ শিল্প গবেষণা পরিষদ এর ‘খনিজ সম্পদ আহরণ ইনস্টিটিউট’ যমুনা ভ্রমপুত্র এবং কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালি থেকে অতিমূল্য খনিজ আহরণের নামে গত ১০ বছরে দফায় দফায় মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয় করছে। এছাড়া ময়মনসিংহ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ঝিনুকের মুক্তা চাষের নামে কয়েক কোটি টাকা খরচ করলেও কোন লাভ হয়নি। এরপরেও একটি বিশেষ মহলের তদবিরে ‘বাংলাদেশে নদীতে মূল্যবান খনিজ সম্পদের উপস্থিত নির্ণয় ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন’ নামক একটি প্রকল্প নিতে যাচ্ছে।

এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের জুনের মধ্যে সিলেট ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল এবং চট্টগ্রামের ৮ জেলায় নদীর বালি থেকে দুর্লভ খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান। যদিও প্রাথমিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে এসব জায়গায় খনিজ সম্পদের উপস্থিতির কোন লক্ষণ পাওয়া যায়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পরিকল্পনা কমিশনের এক কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে জানান, প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ না হওয়ায় দুই বছর ধরে এ নিয়ে পরিকল্পনা কমিশনের তেমন আগ্রহ ছিল না। কিন্তু, সরকারের একটি বিশেষ মহলের চাপে এ প্রকল্পটি অনুমোদন দিতে বাধ্য হচ্ছে পরিকল্পনা কমিশন।

ছড়িয়ে দিন