নাদিম নেওয়াজ আহমেদ-এর ভ্রমণ কাহিনী রোড টু দি ওয়ার্ল্ড প্রকাশিত

প্রকাশিত: ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৬

নাদিম নেওয়াজ আহমেদ-এর ভ্রমণ কাহিনী রোড টু দি ওয়ার্ল্ড প্রকাশিত

এসবিএন, ইসমাঈল হুসাইন: বাংলা একাডেমি চত্তরে অমর একুশে বইমেলা ২০১৬ উপলক্ষ্যে নাগরী প্রকাশনা থেকে ফটোগ্রাফার নাদিম নেওয়াজ আহমেদ-এর প্রকাশিত হয়েছে রোড টু দি ওয়ার্ল্ড ।

দক্ষিণ কোরিয়ায় সুন্দরী প্রতিযোগিতার অফিসিয়াল ফটোগ্রাফার হয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা ও কোরিয়া এবং নেপাল ভ্রমণের স্মৃতিকথা নিয়ে লেখা এ বইটি কে বলা যেতে পারে ভ্রমণকাহিনি অথবা ফটোগ্রাফির বই।

ধ্রুব এষ-এর আকর্ষণীয় প্রচ্ছদে ৮৬ পৃষ্টার এই বইটিতে যথাক্রমে সুন্দরীদের মিলনমেলায় ও হিমালয়ের দেশে শিরোনামের দুইটি লেখা রয়েছে। লেখার এক পর্বে বন্ধুদের নিয়ে নেপাল ভ্রমনের কাহিনী ও অন্য পর্বে অফিসিয়াল ফটোগ্রাফার হয়ে কোরিয়ায় ভ্রমনের কাহিনী লেখা হয়েছে।

সহজ সরল ভাষায় লিখিত এ ভ্রমণকাহিনী অত্যন্ত সময়পযোগী ও সকলের উপযোগী। দেখা মাত্রই যা সবার মনযোগ আকর্ষন করবে। ১২০ গ্রাম গ্লোসি পেপারে মুদ্রিত ঝকঝকে সম্পূর্ন রঙিণ ছাপা রোড টু দি ওয়ার্ল্ড বইটির মূল্য মাত্র ২০০ টাকা।

আশা করি এই মেলায় প্রকাশিত তার বই রোড টু দি ওয়ার্ল্ড পাঠকদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হবে। বইটি পাওয়া যাবে অমর একুশে বইমেলাসহ সারা বাংলাদেশেই।

এছাড়াও অনলাইন পরিবেশক রকমারী ডটকমে পাওয়া যাবে। বইয়ের লেখক মূলত ফ্যাশন ও ওয়েডিং ফটোগ্রাফার। সিলেটের বেশ পরিচিত মুখ। তবে অল্প পরিসরে কাজ করে থাকেন ঢাকা ও চট্রগ্রামে।

নিন্দুকের দৃস্টি ভেঙ্গে দিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত সুন্দরী প্রতিযোগিতার বিউটি পেজেন্ট অফিসিয়াল ফটোগ্রাফার ও এনালাইস্ট হিসেবে।

শুরুর সময়টা ২০০৭ সাল। নিতান্তই শখের বসেই অল্প পরিসরে ওয়েডিং ফটোগ্রাফি দিয়ে শুরু। তারপর দেশের গন্ডি পেরিয়ে ২০১১ সালের দিকে জায়গা করে নেন প্রথম বার থাইল্যান্ডে হয়ে যাওয়া এক সুন্দরী প্রতিযোগীতার অফিসিয়াল ফটোগ্রাফার হিসেবে। তারপর আর পিছনে তাকাতে হয়নি।

একে একে আসতে থাকে বিভিন্ন দেশ থেকে অফিসিয়াল ফটোগ্রাফার হওয়ার লোভনীয় সব অফার। জড়িয়ে পড়েন মিস্ সুপার টেলেন্ট অফ দ্যা ওর্য়াল্ড, মিস্ সাউথ ইস্ট-এশিয়া, সুপারমডেল ইন্টারন্যাশনাল, মিস্ কসমোপলিটন ওর্য়াল্ড এর মতো বড় বড় সুন্দরী প্রতিযোগীতার মূল ফটোগ্রাফার হিসেবে নিয়োগ।

আন্তর্জাতিক ভাবে কাজের লেখকের প্রথম অফার আসে মিস সুপার মডেল অফ এশিয়া পেসিফিক থেকে। যার হোস্ট কান্ট্রি ছিল থাইল্যান্ড।

তার পর ধিরে ধিরে ফেইস অফ বিউটি, মিস কস্মোপলিটন, সুপারমডেল ইন্টারন্যাশনাল, সাউসইস্ট এশিয়া সুপার টেলেন্ট সহ বিভিন্ন কোম্পানির সাথে কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছে এবং সেই সাথে প্রচুর বিদেশি মডেলদের সাথে নিয়ে কাজের অভিগত্যাও আছে ঝুলিতে। সেই সাথে পেয়েছেন বিভিন্ন দেশে সফল ভাবে শেষ করে আসা অনুষ্ঠানের সার্টিফিকেট।

আর্ন্তজাতিক অঙ্গনে যারা সুন্দরী প্রতিযোগীতার খোজ খবর রাখেন বা জড়িত আছেন তাদের প্রায় সবাই “নাদিমস্ ফটোগ্রাফি” বলতেই লেখককে চিনেন এমনই সহজ উত্তর এই স্বপ্নবাজ ফটোগ্রাফারের। ইতিমধ্যে ইন্ডিয়া, ইজিপ্ট, সাউথ আফ্রিকা ও মিশর থেকেও অফিসিয়াল ফটোগ্রাফার হিসেবে কাজ করার অফার পেয়েছেন।

নিজের গড়ে তোলা “নাদিমস ফটোগ্রাফি” ব্যানারে বিভিন্ন দেশের কাজের অভিঘত্যা লাভ করেন নাদিম। আর সেই সূত্র ধরে যাওয়া হয়েছে দ: কোরিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়শিয়া, ইন্ডিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া এর মতো বিভিন্ন দেশে।

লেখক সিলেট থেকে প্রকাশিত একটি ফ্যাশন ম্যাগাজিনের এডিটর এবং ঢাকা থেকে প্রকাশিত আরেকটি ফ্যাশন ম্যাগাজিনের সিলেট ব্যুরো প্রধান হিসেবে কাজ করছেন।