নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয় ঃ তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১১:৫৯ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৩১, ২০২০

নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয় ঃ তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন , নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন দূতাবাসের ২৮ জন বাংলাদেশী অর্থাৎ বাংলাদেশী পাসপোর্টধারী কর্মকর্তাকে পর্যবেক্ষণ কার্ড দিয়েছে । এটি কিভাবে দিয়েছে, কেন দিয়েছে, সে নিয়ে যদিও বা গতকাল নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এই ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়।
শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রামের হাটহাজারিতে ইডেন ইংলিশ স্কুলের অনুষ্ঠানে বক্তব্য শেষে সাংবাদিকরা ‘বিদেশি কূটনীতিকরা জাতীয় নির্বাচন নিয়ে যত না আগ্রহী তারচেয়ে বেশি আগ্রহী স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে কূটনীতিকরা নির্বাচন কমিশনেও ইতোমধ্যে দেখা করেছেন’ – এবিষয়ে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি এসকল কথা বলেন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন চলাকালীন বিদেশি কূটনীতিকরা বিভিন্ন প্রার্থীর বাড়িতে গেছে সেটি কোনভাবেই সমীচীন হয়নি। কোন প্রার্থীর বাড়িতে গিয়ে তাকে সহানুভূতি জানানো কুটনীতির কাজ নয়। আমি মনে করি এই ক্ষেত্রে কুটনৈতিক শিষ্টাচার লংঘিত হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে তারা যেভাবে কথাবার্তা বলছেন তা কূটনৈতিক শিষ্টাচারে পড়েনা। অথচ পাশের দেশ ভারতে যখন জাতীয় নির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন হয় তখন তো সেখানে কূটনীতিবিদরা এভাবে কথা বলেন না, কিংবা অন্যান্য দেশেও বলেন না।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমাদের দেশে আমরা সবসময় দেখতে পাই বিদেশি কূটনীতিবিদদের এসব নিয়ে আগ্রহটা বেড়ে যায়। এটির জন্য অবশ্য আমাদেরও কেউ কেউ দায়ী। আপনারা জানেন, কোনো কিছু হলেই বিএনপি বিদেশি কূটনীতিবিদদের ডেকে নালিশ করে। নালিশ তো করবে জনগণের কাছে, দেশের ভোটারের কাছে। কিন্ত তারা নালিশ করে বিদেশি কূটনীতিবদদের কাছে। এটি কোনভাবেই সমীচীন নয়।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিদেশি পর্যবেক্ষকরা পর্যবেক্ষণ করবেন, কিন্তু এখানে কোন বিদেশি পর্যবেক্ষক আসেনি। স্থানীয়ভাবে যারা কূটনীতির কাজ করতে এসেছেন তাদেরকে পর্যবেক্ষণ কার্ড দেওয়া হয়েছে। আবার সেখানে সেই দূতাবাসে কর্মরত ২৮ জন বাংলাদেশীকে পর্যবেক্ষণ কার্ড দেওয়া হয়েছে। এটি কিভাবে দিল কেন দিল এটি আমার কাছে বোধগম্য নয়। আমার মনে হয় এই ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের আরও বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন ছিল।

ছড়িয়ে দিন