বঙ্গোত্তম শেখ হাসিনা; পরমত্ত্বের মহিমায়

প্রকাশিত: ১:৫৪ অপরাহ্ণ, মে ২৮, ২০১৮

বঙ্গোত্তম শেখ হাসিনা; পরমত্ত্বের মহিমায়

কামরুল ইসলাম

বাংলার মাটিতে বহু সাধকের অমর প্রজ্ঞার বাণী, সেই জ্ঞানের আলোয় আদি ভারতবর্ষে, প্রাণের প্রবল স্রোতে কবিগুরুরর ভাষায় ‘ তপস্বী ভারতবর্ষ’ রূপে বিকশিত হয়েছে। এমন সাধনার সাধনপ্রয়াসে যুগ যুগ ধরে বাঙালির অনুসন্ধান ছিল শিল্প সংস্কৃতিতে এবং সৃষ্টিশক্তির সত্যবাণী উদ্ধারে। বহুকালের পরম প্রয়াসের ফলে বহু জাতি ধর্মের পারস্পরিক মিলনতীর্থ বাংলার ভূখণ্ডে ঘটে। কবিগুরু চিরায়ত পরম সত্যকে উপলব্ধি করেন বলেই বিশ্বভারতীকে বিশ্বের নীড় বলেছেন। এই নীড়ে ঘটে গেল মহামিলন সম্মিলন। এমনই বিপুল প্রয়াসে মানবিক সমাজ গড়ার আহবান জানালেন বঙ্গোত্তম শেখ হাসিনা।
বিশ্বজগতের শ্রেষ্ঠত্বের উৎকর্ষ কবিগুরুর আশ্রম থেকে পুনরায় উদিত হলো। বাঙালি জাতির মিলনতীর্থ ‘ শান্তিনিকেতন’, এই তীর্থক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতির পিতার কন্যা, সমগ্র অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহবান জানালেন। এ যেন সমগ্র বাঙালির মূল চেতনাকে অন্তর-বাহিরে প্রবাহিত হলো। ভারতবর্ষের সাথে তথা বাঙালির সাথে বাঙালির মনস্তাত্ত্বিক সম্পর্ক চিরায়ত। অনন্ত অনুভবের পরমরূপের প্রতীক ‘ বাংলাদেশ ভবন’। ভারত ও বাংলাদেশের সরকার প্রধানের মাধ্যমে ঐক্য, সম্প্রীতির নতুন অধ্যায় সূচিত হলো।
মহাযুগসাধকের শ্রেষ্ঠত্ব, ত্যাগের মহিমায় অনাগত শতকের পবিত্র ভূখণ্ড সৃষ্টি করা। কালে কালে ঋষিপুরুষরা সেই পরমব্রতে জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। বাংলাদেশের জাতির পিতার অসামান্য অবদানের জন্য তিনি আমাদের পরম পূজনীয় হয়ে আছেন। জাতির পিতা কবিগুরু ও দ্রোহের কবিকে সর্বোচ্চ মর্যাদায় বাঙালি জাতির ঐক্যপ্রতীক বন্ধনে আবদ্ধ করালেন। এইসব পরম উৎকর্ষ অনুভবে বঙ্গোত্তম শেখ হাসিনা শৌর্য শান্তির প্রতীক।
সত্যবাণী তথা সৃষ্টিশীলতার আলোকদীপ্তিতে বাঙালিরা
মহাকালকে স্পর্শ করবে। কবিগুরু ‘বাঙালির বাণী ভারতের বাণীকে সত্য করুক’ যে আহবান মহাজাতি-সদন প্রবন্ধে বললেন, তারই জ্যোতি প্রদীপ প্রজ্জ্বলিত করলেন বঙ্গোত্তম শেখ হাসিনা।
এই বন্ধন ‘ নবজীবনের আশ্বাসে’ ‘জয় জয় জয় রে মানব অভ্যুদয়’ ‘ মন্দ্রি উঠিল মহাকাশে’।
জয় হোক বাঙালির
জয় বাংলা
জয় হোক শান্তির