বন্দুকযুদ্ধ দিয়ে মাদক নির্মূল করা যাবেনা ঃ সমাজকল্যাণমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১:১৬ পূর্বাহ্ণ, মে ৩০, ২০১৮

বন্দুকযুদ্ধ দিয়ে মাদক নির্মূল করা যাবেনা ঃ সমাজকল্যাণমন্ত্রী

বন্দুকযুদ্ধ দিয়ে মাদক নির্মূল করা যাবেনা ঃ সমাজকল্যাণমন্ত্রী

“বন্দুকযুদ্ধ দিয়েই কেবল মাদক নির্মূল করা যাবেনা,এরজন্য প্রয়োজন সমাজের সকল অংশের মানুষের প্রতিরোধ।শিক্ষকসমাজ এক্ষেত্রে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।শিক্ষকদের কাছেই ছেলেমেয়েরা অধিকাংশ সময় থাকে,তাদেরকে অনুসরণ করে। সুতরাং বর্তমান তরুনদের মাদকের হাত থেকে মুক্ত করতে শিক্ষকদের বড় ভুমিকা রাখতে হবে।
আজ ২৯ মে মঙ্গলবার,দুপুরে সিদ্ধেশ্বরী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ,রমনা ঢাকায়, “মাদক,সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে” শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কথাগুলো বললেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এমপি।
অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী কলেজের শিক্ষক,অভিভাবক,স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের উদ্দ্যেশ্যে বলেন-“মাদকের থাবা এখন আর ঢাকা শহরেই কেবল সীমাবদ্ধ নেই,মাদক এখন চলে গেছে গ্রামের হাইস্কুলের ক্লাসরুম পর্যন্ত।বিষয়টি কোনভভাবেই আর অবহেলার বিষয় নেই,এই বিষয়টিই এখন সবচেয়ে উদবেগের ও উৎকণ্ঠার।যেভাবে মাদকের অবাধ  বিচরণ চলেছে তার লাগাম যদি টেনে না ধরা যায়,স্কুল-কলেজে,বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি সচেতনতা সৃষ্টি না করা যায় তাহলে এই মাদক আমাদের জাতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাবে। একারনেই আমাদের বর্তমান সরকার মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেছে,দেশব্যাপী মাদক নির্মূলে সাড়াশি অভিযান চলছে।”
যুব সমাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে জনাব মেনন আরো বলেন”দেশের ভবিষ্যত নির্ভর করে একটি দেশের শিক্ষার্থী ও যুব সমাজের ভবিষ্যৎ বিনির্মানের উপর।আজকে মাদক আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ধাবিত করছে।আমাদের সতর্ক অবস্থান না নিলে আমরা আমাদের যুব সমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে হারাবো,ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে হারালে আমরা আমাদের দেশটাকেই অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিব।সুতরাং আমাদের সোনার মত এই দেশটাকে বাঁচাতে হলে আমাদের সকলকে সব ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে হবে। সরকার মাদকের বিরুদ্ধে যেভাবে অভিযানে নেমেছে আমাদের সকলকে সেই অভিযানে শামিল হতে হবে ও সহযোগিতা করতে হবে।”
সিদ্ধেশ্বরী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শেখ জুলহাস উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে আরো উপস্থিত ছিলেন রমনা থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ মোখলেছুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।