ঢাকা ১৯শে জুন ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১২ই জিলহজ ১৪৪৫ হিজরি

বাঙালির গর্ব ও অহংকার এর বিদ্যাপিঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

redtimes.com,bd
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৩, ২০২২, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
বাঙালির গর্ব ও অহংকার এর  বিদ্যাপিঠ  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

আজিজুল আম্বিয়া

বাঙালির সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় । যার সক্ষিপ্ত নাম হল ঢাবি(DU) । এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত । এটি একটি স্বায়ত্বশাসিত সরকারি গবেষণাধর্মী বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯২১ সালে তদানীন্তন ব্রিটিশ ভারতে অক্সব্রিজ শিক্ষা ব্যবস্তা অনুসরণে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি স্তাপিত হয় । আসুন আমরা জানি বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার গৌরবের ইতিহাস । বিশ শতকের দ্বিতীয় দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া শুরু হয় । কেউ কেউ এই ধারনা পোষণ করেন বঙ্গবঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় । মূলত যখন এদেশের মানুষ উচ্চ শিক্ষার জন্য অনেকটা পিছিয়ে পড়েছিল তখন বিজ্ঞজনেরা একটি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন ।ঠিক সেই সময়ে ঢাকা সফরে আসেন লর্ড হার্ডিঞ্জ।সেই সময়টা ছিল ১৯১২ সালের জানুয়ারী মাস । তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। লর্ড হার্ডিঞ্জ ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রীর কাছে সুপারিশ করিলে ১৯১২ সালের ফ্রেব্রুয়ারি মাসের ঘোষণায় এটি স্বীকৃতির কথা আসে ।জানা যায়, এর পূর্বে ভাইসবয় এর সাথে সাক্ষাৎ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আবেদন জানিয়ে ছিলেন ঢাকার তৎকালীন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ,ধনবাড়ীর নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরি,শেরে বাংলা এ.কে.ফজলুল হক এবং অন্যান্যরা । এখানে বিশ্ববিদ্যালয় না হওয়ার জন্য বিরোধিতা করেন তথাকথিত উচ্চ শ্রেণীর হিন্দু নেতারা। তাঁরা এটি প্রতিষ্ঠিত না হওয়ার জন্য স্মারকলিপি , প্রতিবাদ সভা,র‍্যালি এগুলি করতে থাকেন । কিন্তু তা বেশিদূর এগুতে পারেনি । পরবর্তীতে ২৭ শে মে ব্যারিস্টার রবার্ট নাথানকে প্রধান করে ‘নাথান কমিশন নামক কমিটি গঠন করা হয় । আর এই কমিশন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি প্রকল্প প্রণয়ন করেন এবং তাতে উল্লেখ ছিল এই বিশ্ববিদ্যালয় হবে শিক্ষাদান ও আবাসিক কার্যক্রম সম্বলিত প্রতিষ্ঠান এবং শহরের কলেজগুলি এর আওতাধীন থাকবে । এতে নির্মাণ সাপেক্ষ ব্যয় ৫৩ লক্ষ টাকা এবং বাৎসরিক খরচ ১২ লক্ষ টাকা ধরা হয় । এভাবে কাজ শুরু হলেও প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কারণে তা চাপা পড়ে যায় । পরবর্তীতে নওয়াব সলিমুল্লাহ এর ধারাবাহিক ভাবে তাঁর ছেলে নওয়াব আলি চৌধুরী বারবার চাপ দেয়ার কারণে ১৯১৭ সালের ৭ মার্চ ভারতীয় বিধানসভায় এ বিষয়টি তুললে সরকার এ ব্যাপারে আশ্বাস প্রদান করেন । কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলার লর্ড চেমস্ফোরড পূর্ববঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সমস্যা ও চাহিদা নির্ণয়ের জন্য একটি কমিশন ঘোষণা দিলে তা গঠিত হয় লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসক ও শিক্ষাবিদ ড.এম.ই স্যাডলারের নেতৃত্বে স্যাডলার কমিশন নামে । ১৯১৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ইম্পেরিয়াল লেজিসলেটিভ কাউন্সিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সক্রান্ত বিলটি উত্থাপিত হলে অধিকাংশের বিরোধিতা সত্বেও ২০ ডিসেম্বর বিলটি খসড়া সিনেট সম্মতি লাভ করে এবং ১৯২০ সালের ২৩ মার্চ ‘দি ঢাকা ইউনিভার্সিটি এক্ট’ গভর্নর জেনারেল অনুমোদন লাভ করে । আর সেই সময় থেকে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। উল্লেখ্য এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিস্ঠার জন্য যাকে বাঙালি আজীবন মনে রাখতে হবে সেই সূর্য পুরুষ হলেন, নওয়াব স্যার খাজা সলিমুল্লাহ । আর এই গুণী ব্যক্তির হাতে দেয়া ৬০০ একর জমিতে ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় । ৩টি অনুষদ,১২ টি বিভাগ , ৬০ জন শিক্ষক, ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী এবং তিনটি আবাসিক হল নিয়ে শুরু হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শুভযাত্রা। বর্তমানে ১৩টি অনুষদ, ৮৩ টি বিভাগ , ১৩ টি ইন্সটিটিউট,৫৬ টি গবেষণা ব্যুরো ও কেন্দ্র , ২০ টি হল ও ৩ টি হোসটেল রয়েছে । মোট ছাত্র সংখ্যা প্রায় ৩৭ হাজার ১৮ জন ।মোট শিক্ষক রয়েছেন ১হাজার ৯৯২জন ।এছাড়া অধিভুক্ত ১০৫ টি কলেজ ও ইন্সটিটিউটে মোট প্রায় ৪৫ হাজার ৩৪৭ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন ।সূচনালগ্নে বিভিন্ন প্রথীতযশা বৃত্তিধারী ও বিজ্ঞানীদের দক্ষ তত্ত্বাবধানের কারণে এটি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে স্বীকৃতি পায় এক সময় । ১৮ হাজার বই নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে তা প্রায় ৬ লাখ ৮০ হাজার এর চেয়ে বেশি বই সমৃদ্ধ গ্রন্থাগারে পরিণত হয়েছে । এই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকে ধারাবাহিকভাবে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সালাম,বরকত,রফিক ,জব্বারের প্রাণদানের বিনিময়ে ভাষা রক্ষার আন্দোলন সফল হয় । ১৯৬৭ সালে আইয়ুব সরকার যখন ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ করে আর শেখ মুজিবকে করে প্রধান আসামী । তখন দেশ জুড়ে শুরু হয় মিশ্র প্রতিক্রিয়া , শুরু হয় আন্দোলন , নেতৃত্ব দেয় ঢাকা বিশবিদ্যল্যের ১১ দফার ভিত্তিতে গঠিত ‘সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ’ ।মুক্তিযুদ্ধে ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ অবদান রয়েছে ।তৎকালীন ডাকসুর ভিপি আ স ম আব্দুর রব বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনে স্বাধীন বাংলাদেশের সর্বপ্রথম পতাকা উত্তোলন করেন ২ মার্চ এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে । স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নেয় এই বিদ্যাপীঠের ছাত্র-শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা । জানা যায় এই যুদ্ধে ১৯৪ জন শিক্ষক-শিক্ষারথী-কর্মচারী তাদের প্রাণোৎসর্গ করেন ।এছাড়া নব্বই এর স্বৈরাচার বীরোধী আন্দোলনে ও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরাট অবদান ছিল । এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার পি জে হার্টগ । এছাড়া পণ্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী,আফ সি টারনার , ড.মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, সহ অনেক সূর্য সন্তান ছিলেন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে । শিক্ষক সত্যন্দ্রনাথ বসু আইনস্টাইনের সঙ্গে যৌথভাবে ‘বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান’ প্রধান করেন পদার্থবিজ্ঞানে গুরুত্যপূর্ণ আবিষ্কার বলে বিবেচিত হয় । তাছাড়া ইলিশ মাছের জিন রহস্য উদঘাটন, শ্যাওলা থেকে ন্যানোফিলটার ও একটি নতুন অ্যান্টিবায়োটিক ‘হোমিকরসিন’ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাই আবিষ্কৃত করেন । এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী ছিলেন বর্তমান সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার রাজনগরের মেয়ে লিলা নাগ । স্যালুট জানাই এই নারীকে সেই সময়ের সাহসী ভূমিকার কারণে। এছাড়া জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,  অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, অধ্যাপক কবির চৌধুরী,কবি জসীম

উদ্দিন ,অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ ,কবি শামসুর  রাহমান, হুমায়ুন  আহমেদ , মোহাম্মদ ইউনুস, মুহম্মদ  জাফর ইকবাল,আহমদ ছফা, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ অনেক গুণী ব্যক্তিরা ছিলেন এই বিশ্ব বিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক। এছাড়া অনেক গুণীদের পাঠদান সমাপ্ত করে এই বিশ্ববিদ্যালয় । যদিও এই বিশ্ববিদ্যালয় এক সময় প্রাচ্যের অক্সফোর্ড হিসাবে সুনাম অর্জন করলে ও আমরা এখন আর সেই গৌরব ধরে রাখতে পারিনাই। কথা প্রচলিত শত বছরে এই বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা নির্ভর হওয়ার কথা থাকলে ও এখন হয়ে গেছে শুধু ঐতিজ্য নির্ভর একটি বিশ্ববিদ্যালয় । এর পিছনে অনেক কারণ রয়ে গেছে বিজ্ঞজন মনে করেন । আজকে ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের চরম অবনতি বিভিন্ন কারণে ।তাই এখানে ছাত্রদের জ্ঞ্যান গ্রহণের স্বাভাবিক নিয়ম ব্যহত হচ্ছে প্রতিনিয়ত । আমরা বিশ্বের সেরা ৫০০ বিশবিদ্যালের মধ্যেও স্তান করে নিতে পারিনা এটা অতিন্ত পীড়া দেয় জ্ঞান পিপাসু মানুষকে।আর এই অবস্তার জন্য অনেকে মনে করেন প্রয়োজনের তুলনায় সরকারি বাজেট অপ্রতুল । অনেক শিক্ষক গবেষণা ছেড়ে রাজনীতিতে মশগুল হয়ে রয়েছেন বিভিন্ন প্রশাসনিক পদের লোভে। ছাত্র রাজনীতিকে আজকে সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠন চায় তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে। তাই হল দখল আর ক্যাম্পাস দখল হয় তাদের প্রথম কাজ । এতে বিরোধী দল শূন্য হয় রাজনীতির মাঠ। তাতে সরকার বিরোধীদের পড়তে হয় অনেক দমন পীড়নে । মুক্তচিন্তার পরিবেশ তখন আর থাকেনা ক্যাম্পাসে । তাই সরকার বিরোধী ছাত্র সংগঠন বিভিন্ন কারণে এখন আর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সব সময় অবস্তান নিতে পারেনা । তাই এখানে সেই অতিথ সম্প্রীতির ছাত্র রাজনীতির পরিবেশ আর দেখা যায়না । দীর্ঘ ২৭ বছর পর ২০১৯ সালে ডাকসু নির্বাচন হলেও আর এই মুহূর্তে হওয়ার আর সম্ভাবনা নেই । এই কারণে ছাত্রদের যে ক্ষমতা থাকার কথা ছিল তা আর তাদের হাতে থাকছেনা । তাই নতুন নেতৃত্ব তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে দিনের পড় দিন । হলের সিট অনুপাতে ভর্তি হওয়ার কথা থাকলেও ভর্তি হচ্ছেন অনেক বেশি ফলে বিগ্নিত হচ্ছে শিক্ষার সুস্ঠু পরিবেশ । এছাড়া হল গুলুতে বহিরাগতদের উপস্তিতি ও কে ঠেকাবে ? এসব সমস্যা নিয়ে যারা কথা বলবে তাদেরকে হাতে আমরা ক্ষমতা দিতে পারছিনা। অথচ এক সময় মমতাজ উদ্দিন এর ধারাবাহিকতায় অনেকে ইতিহাসের পাতায় নিজেদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখতে সক্ষম হয়েছেন। এরা ছাত্রদের দাবির পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেদের শ্রম ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে দেশকে দিয়েছিলেন বিশেষ এক সম্মান। তাই আমরা তোমাদের ভুলব না । ছাত্র কল্যাণের জন্য ছাত্র সংসদের বিকল্প নেই তাই যে কোন মূল্যে সরকার এবং বিশ্ববিদ্যলয় প্রশাসনের আন্তরিকতার পরিচয় দিতে হবে । স্বজনপ্রীতি না করে শিক্ষকদের সুষম পদ বণ্টন করে এই পবিত্র ক্যাম্পাসকে যদি শিক্ষকদের রাজনীতির বাহিরে নিয়ে আসা যায় তবে হয়ত অনেক শিক্ষক গবেষণায় আত্ননিয়োগ করতে সময় পাবেন। এছাড়া একজন শিক্ষকের গবেষণা কালে তাঁর সমস্ত আনুসাঙ্গিগ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ যদি আন্তরিকতার পরিচয় দেন তবে অনেক শিক্ষক এই কাজে অতি উৎসাহী হবেন বলে অনেকে মনে করেন ।ছাত্রদের কে ও এই মন মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে শুধু পাশ করে একটি চাকুরী এই নয় । আমাদেরকে ও এ জাতির জন্য কিছু করতে হবে । তবেই সে চাকুরীর জন্য তৈরি করার যায়গা থেকে ফিরে এসে একাডেমিক পড়ালেখা নিয়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখবে । যদিও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী থাকায় আন্তরিকতার অভাব নেই, তবুও বলব একটি জাতি এগুতে হলে শিক্ষা আর স্বাস্হ্য খাতকে সব সময় গুরুত্য দিতে হয় আমরা সবাই জানি, তাই আমার বিনীত অনুরুধ আপনি খুঁজ নিন এ ব্যাপারে।আর এই গবেষণার কাজ কেন হচ্চেনা তা জানার চেস্টা করুন ।বিশ্বের কয়েকটি উন্নত বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করতে যা করার দরকার তা কেন হচ্ছেনা ? আর যদি এ ব্যাপারে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের গাফলতি প্রমাণিত হয় তাদের শাস্তির আওতায় নিয়ে আসেন এবং নতুন একটি চিন্তা চেতনা সমৃদ্ধ গবেষণা দল তৈরি করুন । এভাবে ঝিমিয়ে পড়া অবস্তা থেকে জাতি পরিত্রাণ চায়, স্বপ্ন দেখে নতুন ঐতিজ্য তৈরি করার ।

 

লেখক ও কলামিস্ট

Azizul.ambya@yahoo.co.uk.

সংবাদটি শেয়ার করুন

June 2024
S M T W T F S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30