বিএনপির পাপ যদি ধৌত করতে যায়, তাহলে বুড়িগঙ্গা আরও ময়লা হবে:কাদের

প্রকাশিত: ৪:২০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৪, ২০১৭

বিএনপির পাপ যদি ধৌত করতে যায়, তাহলে বুড়িগঙ্গা আরও ময়লা হবে:কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির পাপ যদি ধৌত করতে যায়, তাহলে বুড়িগঙ্গা আরও ময়লা হবে।
১৪ নভেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে জাতীয় শ্রমিক লীগ আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া সবিনয়ে বলি- লুটপাট, খুন, আগুন, সন্ত্রাসে আপনাদের পাপে পাপে, অনেক পাপ জমে গেছে। এটা ধৌত করবে এমন শক্তি কারো নাই।’
তিনি আরও বলেন, আপনি আচরি ধর্ম পরকে শেখান। আগে নিজেরা শুদ্ধ হোন, তারপর অন্যকে বলুন শুদ্ধ হওয়ার জন্য।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আপনাদের চেয়ে অনেক ভালো আমরা। আমাদের ভুলত্রুটি আছে, আমরা শতভাগ শুদ্ধ এ কথা বলব না। কিন্তু আপনারা তো শতভাগের কাছাকাছি অশুদ্ধ।’
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ছুটি থেকে ফিরে বৈধতার প্রশ্নে করা একটি রিটের শুনানি নিয়ে বিনাপ্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত ১৫৪ জন সাংসদকে অবৈধ ঘোষণা করতে পারেন, এমন সম্ভাবনা থাকায় তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
বিএনপি নেতার ওই দাবির প্রতিক্রিয়ায় ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মোশাররফ সাহেব কি বলেছেন ১৫৪ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে? ১৫৪ জন নয়, ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে। এটাও জানেন না তিনি। তিনি যে এ কথাটা কতবার বলেছেন, তিনি নিজেও জানেন না। আসেন চ্যালেঞ্জ করুন। চ্যালেঞ্জ করুন এখানে আইনের কী সমস্যা? গণতন্ত্রের কী সমস্যা, নির্বাচনের কী সমস্যা? আপনি নির্বাচনে এলেন না, অপ্রতিদ্বন্দ্বী করলেন অনেককেই। এর দোষ কি জনগণকে নিতে হবে? আপনি এলেন না, দোষ আপনার। এতে নির্বাচনেরও কোনো দোষ নেই। বৈধতারও কোনো সংকট নেই। আদালত কি তাদের (বিএনপি) মতো ঘোড়ার ঘাস খায় নাকি? যে সেই ব্যাপারে রায় দিয়ে দেবে। এখন তো মনে হয় আদালতের স্বপ্রণোদিত হয়ে একটি রায় দিয়ে নির্বাচন কমিশনকে একটি ম্যান্ডেট দিয়ে বিএনপিকে নির্বাচনে জিতাতে হবে, তা না হলে হয়তো দেশে আবার আগুন-সন্ত্রাস শুরু হবে। এটা দিলেই বিএনপি খুশি হবে।’
বিচারপতির পদত্যাগ অশনিসংকেত- বিএনপির এ বক্তব্য প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, যেভাবে নেতিবাচক রাজনীতি আঁকড়ে ধরেছে, এটা বিএনপির জন্য অশনিসংকেত।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জিয়াউর রহমানকে যখন স্বাধীনতার ঘোষক বলা হয়, তখন মনে হয় তিনি কবরে শুয়ে ছটফট করেন। কারণ , বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঘোষণা স্বাধীনতার গ্রিন সিগন্যাল তিনি নিজেই বলে গেছেন।