ভাসানীর বিশ্বাসঘাতক অনুসারিরাই বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে জড়িতঃমেনন

প্রকাশিত: ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১৭, ২০১৭

ভাসানীর বিশ্বাসঘাতক অনুসারিরাই বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে জড়িতঃমেনন

আবদুল হামিদ খান ভাসানীর বিশ্বাসঘাতক অনুসারিরাই বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত দাবি করেছেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি,বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন । তিনি রেডটাইমসের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাতকারে বলেন, ভাসানী ছিলেন বাম -প্রগতিশীলদের পক্ষের মানুষ ।ডানপন্থী বিএনপির সঙ্গে তার কোন আদর্শিক মিল ছিল না ।
আজ ১৭ নভেম্বর । মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী ।এই উপলক্ষে আজ ভাসানী স্মৃতি সংসদের আয়োজনে সকাল ১০টায় নয়াপল্টনে ভাসানী ভবনের তিন তলায় অনুষ্ঠিত হবে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা। এছাড়া ভাসানী অনুসারী পরিষদের আয়োজনে প্রেসক্লাবের অডিটোরিয়ামে বিকাল ৩টায় এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
ভাসানী আওয়ামী মুসলিম লীগ ও ন্যাপের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন ।আন্দোলন ও শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি এবং বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নির্ভীক অবস্থানের কারণে তিনি মজলুম জননেতা হিসেবে আখ্যা পান। সাংগঠনিক রাজনীতিতে তিনি কংগ্রেস, মুসলিম লীগ, আওয়ামী মুসলিম লীগ, আওয়ামী লীগ ও ন্যাপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ।

সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর জন্ম গ্রহণ করেন মওলানা ভাসানী। তবে জীবনের সিংহভাগ কাটিয়েছেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে। সন্তোষের মাটিতেই তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন তিনি। তার উদ্যোগে ১৯৫৭ সালে কাগমারীতে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন বাংলাদেশের রাজনীতিতে মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি বাংলাদেশ সরকারের সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। স্বাধীনতার পর তার সর্বশেষ কীর্তি ছিল ফারাক্কা লং মার্চ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন তিনি ।