ভয়াবহ আকাল

প্রকাশিত: ১২:৫৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২, ২০১৯

ভয়াবহ আকাল


এলিজা আজাদ
একবুক আবেগ আর ভালোবাসার সমাহারে প্রেম নিবেদন যে করলেন!
প্রসঙ্গত এখানে বলে রাখা ভালো-
ভয়ংকর ঝাঁকুনি দিয়ে পাঁজর এফোঁড়ওফোঁড় করে,
হৃৎপিণ্ডের লাল রক্ত সরিয়ে নীলচে দাগের কালসিটে চিহ্ন এঁকে,
সেইতো সরে পরবেন কিছু না বলেই…
তবে কেনোইবা খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে ভালোবাসার চেষ্টা!

যদিও পঞ্চাশের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়েছি-
তবুও ভেতরের ছোট্ট কিশোরীটি খেলা করে মেঘের সাথে-
শিশিরবিন্দুর সাথে-
ও-ই যে ওই গাছের ডালে বসা চড়ুই পাখিটা তার নিত্য সহচর-
ভালোবাসি কথাটার প্রতিক্রিয়া ওর কাছে একেবারেই ভিন্ন রকম!
বললে আজও বুক কেঁপে ওঠে-
অভিমানী জল টলটল চোখের কোণে-

আচ্ছা, আপনার বয়স কতো হবে ?
একান্ন-বাহান্ন বা তার-ও কিছু বেশি
ধ্যাত প্রেমে কি এসে যায় তাতে—-
আপনি এক ফুটন্ত আবেগ আমার কাছে–
কোনো নিখুঁত আঁকিয়ের স্পষ্ট হাতের চিত্র–
কাছে আসলেই মেরুদণ্ড চিনচিনে সুখের ব্যথা–
উফ্! আমি বেসামাল তো হবোই–
শক্ত করে হাত দুটো ধরুন যেনো শ্রোতে ভেসে না যাই।

একবিকেলে ঝুম বৃষ্টি নামুক–
পায়ে পায়ে হেঁটে যাবো বহুদূর–
খুব কাছ থেকে ছুঁয়ে নেবো জীবন–
অফিস ছুটি নিতে পারবেন তো?
একটা দিন,
নয়তো কয়েক ঘন্টা,
আর সেটাও সম্ভব না হলে কিছু মুহূর্ত,
ওই দূর্লভ মুহূর্তগুলো কিছু স্বপ্নের করবে বাসতবায়ন–

ভেতরের রণভূমে আহ্লাদী কিশোরীটা নারী হয়ে উঠবে–
জীবনকে ছুঁয়ে দেখবে দক্ষ কারিগরের শৈল্পীক হাতে–
ছুটিটা খুব জরুরি প্রেমিক, ভেতরে চলছে ভয়াবহ আকাল।