মহামারী কালের মীরজাদী

প্রকাশিত: ১০:২৭ অপরাহ্ণ, মার্চ ৩০, ২০২১

মহামারী কালের মীরজাদী

 

লুৎফুল্লাহ হীল মুনীর চৌধুরী

বিশ্বের বড় বড় ঘটনাগুলো নিয়ে লেখালেখির সৌভাগ্য আমার হয়েছে। যেমন, বিশ্বকাপ ফুটবল-বিশ্বকাপ ক্রিকেট ও অলিম্পিক এর মতো বড় বড় আসরের অনেক কিছুই আমাকে পর্যবেক্ষণ করতে হয়েছে। সেসব ঘটনা নিয়ে লিখতে হয়েছে। বিশ্ব মহামারীর বিষয়টি এই প্রথম সামনে এসে পরলো। সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা। বিশ্বকাপ ফুটবল অথবা ক্রিকেট আর বিশ্ব মহামারীর পার্থক্য হলো মহামারীর বিশ্ব যাত্রায় আমি নিজেও একজন পার্টিসিপ্যান্ট। অর্থাৎ, আই এম পার্ট অফ দিস ইভেন্ট। প্রতিটি মানুষই মহামারীর অন্তর্ভুক্ত। সেটা হলো বিশাল একটি বিশ্ব অধ্যায়। বিশ্ব মহামারীতে বিশ্বের প্রতিটি মানুষের প্রানের হুমকি থাকে। বেঁচে থাকা অথবা মৃত্যুর সম্ভাবনা সমান সমান। ২০১৯ সালের শেষের দিকে মহাচীনের উহান প্রদেশ থেকে বিশ্বব্যাপী একটি ভাইরাস ছড়িয়ে পরে। কোভিড-১৯ অথবা করোনা ভাইরাস একটি অদৃশ্য ভাইরাস যা কিনা মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই শরীরের প্রতিটি স্তরে সংক্রামিত হতে পারে এবং শরীরকে সম্পূর্ণ অকার্যকর করে ফেলতে সক্ষম। ফলে সংক্রামিত মানুষটির মৃত্যু ঘটবে। এই ভাইরাসটি ২০১৯ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নজরে পরলেও এর ব্যাপক বিস্তার লাভ ঘটে ২০২০ সাল থেকেই। এবং সেটা ভয়াবহ আকারে বিশ্বকে স্থবির করে ফেলতে শুরু করে। ২০২০ সালের প্রথম থেকেই কোভিড-১৯-করোনা ভাইরাস-হোমকোয়ারাইন্টাইন-কোয়ারাইন্টাই-ভেকসিন-মাস্ক-হ্যান্ডওয়াস-লকডাউন-থ্যাংক ইউ ডাক্তার-মুন্নী সাহা-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রনোদনা-ফার্স্ট ওয়েভ-সেকেন্ড ওয়েভ-ফ্রন্ট লাইন সোলজার-আক্রান্তের সংখ্যা-মৃতের সংখ্যা-কঠোর নিরাপত্তা-নমুনা পরীক্ষা-উইদাউট মাস্ক নো এন্ট্রি-মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা-জন হপকিন্স কোভিড তথ্য-সতর্কতা শব্দগুলো দিনরাত আমাদের শোনার অভ্যাস করতে হয়েছে। এই এক বছরে জন হপকিন্সের তথ্য অনুযায়ী সারা বিশ্বে কোভিড-১৯ মহামারীতে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ১২ কোটি ছাড়িয়ে গিয়েছে এবং মৃতের সংখ্যা ২৭ লাখ ছাড়িয়েছে। গতকাল জার্মানীর স্বাস্থ্য বিভাগ নতুন করে সেখানে লকডাউনের কথা ভেবেছে। কারন সেখানে আবারো দ্রুত সংক্রামিত হচ্ছে মানুষজন। বাংলাদেশে গত সপ্তাহ থেকে খুব দ্রুত সংক্রামিত হচ্ছে মানুষজন। গতকালই সংক্রামিত হয়েছে ৫১৮১ জন এবং মৃত্যু বরণ করেছে ৪৫ জন। বাংলাদেশে মোট সংক্রামিত হয়েছে প্রায় ৬ লাখ মানুষ ও মৃত্যুবরণ করেছে প্রায় দশ হাজার মানুষ। সারা বিশ্বেই কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় ঢেউ চলছে মার্চের শুরু থেকেই। যুক্তরাজ্যের নতুন স্ট্রেইন থেকে দ্রুত ভাইরাসটি বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পরছে। বাংলাদেশেও সংক্রামিত মানুষের শরীরে যুক্তরাজ্যের স্ট্রেইনটিই নতুন আশঙ্কার সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস সনাক্তের পরপরই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বর্তমান অতিরিক্ত মহাপরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরার সাথে এদেশের মানুষজনের পরিচয় হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও গণমাধ্যমের সূত্রে। তিনি গতকাল সতর্ক করেছেন নতুন সংক্রমণের বিভিন্ন তথ্য দিয়ে এবং উল্লেখ করেছেন যে তরুনদের মাঝেই এই আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি। করোনা মহামারীর শুরু থেকেই বাংলাদেশেও স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখা হয়েছে। আশা প্রকাশ করা হয়েছে পাঠশালা ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আগামী মে মাসে খুলে দেয়া হবে। তবে, চলমান সংক্রমণ নতুন হিসেব নিকেষের প্রতিই ঈঙ্গিত করছে এখন। বাংলাদেশে প্রথম ভাইরাস সনাক্ত করা হয় ২০২০ সালের মার্চে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে সংক্রমণের হার অনেক কম ছিল এক বছরে। সেজন্য বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত সকলের অবদানের কথা মনে রাখতে হবে। বাংলাদেশ একটি ক্ষুদ্র ও ঘনবসতিপূর্ণ রাষ্ট্র। এদেশে জনসংখ্যার হার অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি। কোভিড-১৯ মহামারীর শুরুর দিকে অনেকেই আমরা ধারনা করেছিলাম বাংলাদেশকে মহামারীর কারনে বিশেষ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে পারে। শুধু স্বাস্থ্য নয় অর্থনীতির উপরেও তার বিশাল প্রভাবের বিষয়টি আমরা চিন্তা করেছিলাম। মহামারীর প্রথম বছরে স্বাস্থ্য ও অর্থনীতিতে অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান অনেক এগিয়ে রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও জাতিসংঘ বাংলাদেশের উপর তাদের সন্তুষ্টী প্রকাশ করেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে। সম্প্রতি করোনা ভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ বাংলাদেশেও পরিলক্ষিত হয়েছে। এজন্য আক্রান্তের হার উর্ধ্বগতিতে বর্তমানে। যেহেতু মহামারীর প্রাথমিক ধাক্কা বাংলাদেশ খুব সফলতার সাথে সামলে নিয়েছে সেহেতু চলমান ঢেউও মোকাবেলা করার সামর্থ্য বাংলাদেশের রয়েছে। বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই ভেকসিন কার্যক্রম সফলতার সাথে চলমান রেখেছে। এবং প্রতিটি নাগরিক বাংলাদেশে বিনা খরচে ভেকসিন গ্রহনের সুযোগ পেয়েছে। যেহেতু বয়সভিত্তিক টিকা কর্মসূচি সরকার গ্রহন করেছে সেহেতু সরকারের পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ঘটে চলেছে স্বাস্থ্য দফতরের নীতিমালা রক্ষা করে। ইতিমধ্যেই প্রথম ডোজ ভেকসিন যারা গ্রহন করেছে তারা দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহনের অপেক্ষায় রয়েছে। সরকারের কাছে এখন ৪২ লক্ষ ডোজ ভেকসিন মজুদ রয়েছে। চলতি মাসেই সরকারের হাতে নতুন চালান পৌঁছবে বলে খবরে প্রকাশ হয়েছে। ভেকসিন নিয়ে বাংলাদেশে কোনো সংকট ছিল না। আগামীতেও বাংলাদেশ সংকটে পরবে বলে মনে হচ্ছে না। বাংলাদেশের মূল সমস্যা ঘনবসতিপূর্ণ সমাজব্যাবস্হা। এবং দ্বিতীয় সমস্যা জনসমাজে কোভিড-১৯ এর প্রতি অবহেলা প্রদর্শন। বিশেষ করে লোকলয় ও বাজারগুলোতে মানুষজন মাস্ক ব্যবহারে পারদর্শী হয়ে ওঠেনি। পাশাপাশি, স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলার কারনে গণমাধ্যমে ‘পাবলিক সোসাইটির’ বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ উঠেছে। এবং পাবলিক সোসাইটির অধিকাংশ মানুষই সরকারের সতর্ক বাণীকে আমলে নিতে ব্যার্থ হয়েছে। মহামারী কালে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের ভূমিকা শুরু থেকেই অত্যন্ত প্রশংসিত হয়েছে। এটিএন বাংলার প্রতিদিনের অনুষ্ঠান সূচিতে জনসতর্কতামূলক বিষয়বস্তর প্রতি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে গুরুত্ব সহকারে। বাংলাদেশের গণমাধ্যম কর্মী মুন্নী সাহা ও এটিএন বাংলার থ্যাংক ইউ ডাক্তার মহামারী সংকটকালে নাগরিক সমাজকে  বিশেষ সতর্ক অবস্থানে পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশের প্রতিটি গণমাধ্যমের ভূমিকাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল মহামারীর সময়ে। সরকারের পাশাপাশি গণমাধ্যমের এই ভূমিকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নজরে আসা জরুরী ছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে বিশেষ ভাবে বিবেচনা করলে সেটা বিশ্ব সমাজে সমাদৃত হতো। ‘হু’ বিষয়টি নিশ্চয়ই আমলে নিবে বলে আমি ধারনা করছি।

পৃথিবীর বুকে কোভিড-১৯ ভাইরাস প্রথম সনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৫ জানুয়ারি। তখনই এটাকে নতুন একটি ভাইরাস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। ভাইরাসটি ফ্লাগশীপ হতেই টেকনিক্যাল পাবলিকেশনস অন দা সায়েন্টিফিক এন্ড পাবলিক হেলথ কমিটি গঠিত হয়েছিল। এবং গ্লোবাল মিডিয়াতে কোভিড-১৯ আত্মপ্রকাশিত হয়। ২০২০ সালে ২৩ জানুয়ারি উহান প্রদেশে লকডাউন দেয়া হয়। পহেলা জানুয়ারি প্রথাগত ভাবেই চীনে ছুটির দিন ছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইনসিডেন্স মেনেজম্যান্ট সাপোর্ট টিম গঠন করেছিল জানুয়ারিতেই এবং ৪ জানুয়ারি হু গণমাধ্যমে বিবৃতি প্রকাশ করেছিল ‘কোনো মৃত্যু সংবাদ নাই’। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তিন স্তরের সদর দফতর প্রতিষ্ঠা করেছিল এসময়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দফতর, রিজিওনাল সদর দফতর এবং কান্ট্রি লেভেল হেড কোয়ার্টার। চীনের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন এন্ড হেলথ কমিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল ২০১৯ সালের ২৭ ডিসেম্বর তারা মেইনল্যান্ড চায়নার উহান প্রভিন্সে একটি ভাইরাস এর উপস্থিতি টের পায়। যাকে প্রথমেই ক্লাস্টার পেন্ডামিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এরপর ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারি হু গাইডেন্স কম্প্রেহেন্সিভ প্যাকেজ অফ টেকনোলজি নীতিমালা গৃহীত করে। হু সার্স ও মার্স এর পূর্ব অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এই পদক্ষেপ গৃহীত করে। এই নীতিমালার সিদ্ধান্ত ছিল ডিটেক্ট ও টেস্ট পদ্ধতির অনুসরন ঘটানো। হু ইমার্জেন্সি ডাইরেক্টরদের বিষয়টির তদারকির দ্বায়িত দেয় এসময়। ২০২০ সালের ১২ জানুয়ারি চীন কোভিড-১৯ এর জেনেটিক সিকোয়েন্স প্রকাশ করে। পরের দিন ১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগীর খবর প্রকাশিত হয় থাইল্যান্ডে। এসময়ই ডাটা এনালাইসিস ইউজিং এর জন্য নিউ ইয়র্ক এর সংস্থা আইবিএম এর এসপিএসএস ১৯.০ কে বেছে নেয়া হয়। সূচক তৈরীর কাজে ব্যাবহৃত হয় ওয়াশিংটন এর রেডমন্ডে মাইক্রোসফ্টের এক্সেল ২০০৩। ১৪ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রজ্ঞাপন জারী করে যে এই ভাইরাস মানুষ থেকে মানুষে সংক্রামিত হয়। ২০-২১ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি প্রথম উহান শহরে যায়। ২০ জানুয়ারি ২০২০ সালে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২২৪ জন। তবে পরবর্তীতে ২১৭ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস এর নমুনা পাওয়া যায়। এর মাঝে উহানে ১৯৮ জন, বেইজিং-এ ৫ জন, গুয়াংডুয়াং-এ ১৪ জন এবং ৭ জনকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়। এরপর মহাচীনের প্রেসিডেন্ট ঝি জিনপিং এবং প্রিমিয়ার লি কেগিয়াং এর সাথে জয়েন্ট প্রিভেনশন এন্ড কন্ট্রোল মেকানিজম অফ দা স্টেট কাউন্সিলের টেলি-কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত টেলি-কনফারেন্স এ কমপ্রেহেন্সিভ প্লান গৃহীত হয়। ২৭ জানুয়ারি ডেপুটি প্রিমিয়ার সান চুনলান এবং সেন্ট্রাল গাইডেন্স টিম উহান সফরে যান।

স্বাধীনতার পর পঞ্চাশ বছরে বাংলাদেশ এই প্রথম বিশ্ব মহামারীর দ্বারা আক্রান্ত হলো। সোয়াইন ফ্লু, সার্স ভাইরাস আর মার্স ভাইরাস বাংলাদেশে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। এজন্যই বলা যায় বাংলাদেশের মহামারী মোকাবেলা করার পূর্ব অভিজ্ঞতা একেবারেই ছিল না। ধারাবাহিক চিকিৎসা ব্যবস্থার মাঝে কোভিড-১৯ এর চিকিৎসা নিশ্চিত করে অন্য চিকিৎসা থেকে জনগনকে বঞ্চিত না করার যে নজির স্থাপন করেছে বাংলাদেশ সেটা বাংলাদেশে চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতির কথাই প্রমান করে। যেহেতু পাশ্চাত্যে ও এশিয়ার কোথায়ও কোথায়ও নতুন সংক্রমণের হার বেড়ে গিয়েছে এজন্য বাংলাদেশকে দ্রুত কিছু জরুরী পদক্ষেপ নিতে হবে। সরকার যে ১৮ দফা কর্মসূচি দিয়েছে তার পাশাপাশি জনসমাজে ব্যাপক সতর্কতা দরকার। বিশেষ করে মাস্ক এর ব্যাবহার, হ্যান্ডওয়াস, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে নিজেকে এবং অন্যকে নিরাপদ রাখার দ্বায়িত প্রতিটি নাগরিকের। মহামারী মোকাবেলার দ্বায়িত শুধু সরকারের নয়, জনগনেরও। এটা একটি সার্বিক ব্যাবস্হাপনার মধ্য দিয়েই নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল করতে হবে। একজন মীরজাদী ও মুন্নী সাহাই আজ হতে পারে বাংলাদেশের মানুষের পথিকৃত ও মহামারী কালের বিশেষ দূত। বাংলাদেশের মানুষকে সেটা উপলব্ধি করতে হবে নিজের জন্য, পরিবারের জন্য ও দেশের জন্য। সেক্ষেত্রেই বাংলাদেশ কোভিড-১৯ সফলতার সাথে মোকাবেলা করতে সক্ষম হবে। অন্যথায় বাংলাদেশ থেকে সহজেই বিদায় নিবে না কোভিড-১৯। নাহলে হয়তো আমাদের বসবাস করতে হবে এক ভয়ঙ্কর ভাইরাসের সাথে যুগ থেকে যুগান্তর। যার আগাম বার্তা আমাদের কেউই দিতে পারবে না।

লেখক: সাংবাদিক, গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

Calendar

April 2021
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930  

http://jugapath.com