মাদক: শরিয়াহ আইনে চলছে দেশ ?

প্রকাশিত: ৭:২১ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৫, ২০২১

মাদক: শরিয়াহ আইনে চলছে দেশ ?

একসময় মাদকসহ গ্রেফতারের খবর আসলেই কোনো বস্তির বখে যাওয়া ছেলে, পাড়ার পাতি নেতা, টোকাই কিংবা কোনো শ্রমজীবীর ছবি দেখতাম। মাদক জব্দ মানেই ৩ পোটলা গাঁজা বা ৬ পিস ইয়াবা কিংবা ২ লিটার চোলাই মদ সামনে রেখে দিত পুলিশ। সাংবাদিকরা খুব উৎসাহ নিয়ে সেসব রিপোর্ট অফিসে পাঠাতেন। আমি মফস্বলে যখন সাংবাদিকতা করি তখন এসবে বিরক্ত হয়ে আর মাদকসহ গ্রেফতারের নিউজ কাভারেজে যেতাম না। আগেই পুলিশের থেকে জেনে নিতাম বড় চালান ধরা হইছে নাকি ছেঁচড়া কোনো মাদকসেবী ধরছেন উনারা। বড় কিছু হলে যেতাম নতুবা আমি এসবে পাত্তা দিতাম না।

 

অনেক সময়  শোনা যায় , এমাসিক চাঁদা না পেলে কিংবা আটকের পর মুক্তিপণের দরদাম না পোষালে তাদের ক্যামেরার সামনে এনে কিভাবে মাদক-বিরোধী কাজের বাহবা নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। মাদক বিরোধী অভিযানের নির্দিষ্ট টার্গেট পূরণ না হলে সাধারণ মাদকসেবীকে ধরে এনে ব্যবসায়ী বানিয়ে দেয়া হয় তাও দেখেছি, অনেক ক্ষেত্রে নিরপরাধ মানুষের পকেটে মাদক ঢুকিয়ে তাকে আটকের নজিরও আছে এদেশে। এই দেশের মানুষ দেখেছে কিভাবে প্রতিপক্ষের টাকা খেয়ে মাদক ব্যবসায়ী বানিয়ে ক্রসফায়ার দেয়া হয়েছে।

 

২০১৭ সালের আগে মাদক-বিরোধী বিশেষ অভিযানের নামে যাদের আটক করা হয়েছে তাদের বেশিরভাগ ছোটখাটো মাদক সেবক। পরবর্তীতে সরকার যখন মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করল তখন বিচারহীন কিছু হত্যাকাণ্ড হলো আর কিছু বড় ব্যবসায়ীকে ধরা হলো। এই বিশেষ অভিযানের বাইরে সাধারণত পুলিশ এখনো যাদের ধরে আনে তা ৩ পোটলা গাঁজা বা ৬ পিস ইয়াবাসহ বস্তির বখে যাওয়া কোনো ছেলে, পাড়ার পাতি নেতা, টোকাই কিংবা কোনো শ্রমজীবী মানুষ। অথচ তারা এই মাদকের উৎস বন্ধ করতে পারেনি, রাজনৈতিক পরিচয়ে আড়ালের মাদকের আড়ৎদারি বন্ধ করতে পারেনি, বড় বড় ব্যবসায়ীদের আটকাতে পারেনি।

 

মাদকের যে সাম্রাজ্য এদেশে তার গোড়ায় কেউ হাত দেয়নি। মাদক যদি দেশে  না  থাকে  সাধারণ মানুষ পাবে কোথায়? বেকারত্বের সূচক আকাশ ছুঁইয়ে দিলে কিংবা মেধার বিকাশ ও মানবিক শিক্ষা তলানিতে রেখে দিলে মাদকসেবীর সংখ্যা কমবে কিভাবে? তা কেউ ভাবেনি।

 

যাই হোক আমি সবসময় চাইতাম বড়লোকদের মাদকের অবাধ বিলাসিতা রোধ করুক প্রশাসন। এবার সে কাজ হচ্ছে কিন্তু তা বিভিন্ন রোষানলে পড়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ও সিনেমাপাড়ার কয়েকজনের ক্ষেত্রে। এর বাইরে এ দেশে মাদকসেবী নেই তা জনগণকে বুঝানো হচ্ছে কিনা জানি না। মদ-মাদক ও সেক্স কিংবা দেহব্যবসা নিয়ে সিনেমা পাড়ার মেয়েরাই পড়ে থাকে? আর রাজনীতিবিদ ও আমলারা মাদকের বিরুদ্ধে বড় বড় সভা-সেমিনার করেন শুধু?

 

যাই হোক মূল কথায় আসি। বাংলাদেশে মাদককে নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হয়েছে। মাদক বন্ধের কথা বলা হয়নি কোনো আইনে। যে কারণে মাদক এদেশে থাকবে। জনগণ মাদক সেবন করবে এটাও সত্য, কিন্তু তার জন্য সরকারকে ট্যাক্স দিয়ে মাদকসেবী হিসেবে সনদ নিতে হবে। এর জন্য মাদকের কিছু বৈধ ডিলার পয়েন্টও থাকবে। সুতরাং মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীকে এখানে রাষ্ট্র উৎসাহী করছে। একটি গণতান্ত্রিক গঠনমূলক রাষ্ট্রে এগুলো থাকাও স্বাভাবিক। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এই আইন আমরা মানছি?

 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে জোরালো আইন করা হয় ১৯৯০ সালে। সেই আইনের সাথে নতুন সংযুক্তি দিয়ে ২০১৮ সালে নতুন আইন হয় যা পরবর্তীতে ২০২০ সালে এসে আবার সংশোধন করা হয়৷ একটা আইন নিয়ে এতো নাড়াচাড়ার পর সেটি অনেক স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি আইনের সবচেয়ে বড় ভুলটি এখনো রয়ে গেছে যেখানে আইনটিকে ধর্ম প্রভাবিত করেছে। আইনে তৃতীয় অধ্যায়ে বলা হয়েছে কোনো মুসলমান মাদক সেবন করতে পারবে না। নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া কোনো মুসলমান পারমিট অর্থাৎ মদ্যপানের স্বীকৃত সনদ নিতে পারবে না। লাইসেন্স ছাড়া ব্যক্তিগতভাবে কোনো হিন্দু মদ্যপান করতে পারবে কিনা সেটি বলা হয়নি এবং মুসলমান সেবন করলে কী শাস্তি তা বলা হয়নি। একই সাথে মাদক বহন করা, কারবার করা, সংরক্ষণ করাকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও বিশেষত মদ কেউ ব্যক্তিগতভাবে একান্তে সেবন করতে পারবে কিনা সে হিন্দু হলেও তা বলা হয়নি।

 

আইনে আবার বলা হয়েছে, চা শ্রমিক, মেথর, কুলি মদ্যপান করতে পারবে। অর্থাৎ নিম্নশ্রেণীর শ্রমিকদের অবাধ মদ খাইয়ে তাদের মাথা নষ্ট করে দিয়ে পুঁজিপতিদের শোষণ ঠিকিয়ে রাখার বন্দবস্ত করা হয়েছে। যাতে সারাদিন খাটনি খেটে এসে মদ খেয়ে বুদ হয়ে শ্রমিকরা পড়ে থাকে। তার অধিকার সে কোনোদিন না খুঁজে। রাষ্ট্রের সিদ্ধান্তে সে যাতে নাক গলাতে না পারে, শুধু নির্বাচন আসলে নেতাদের পাঠানো বালতি বালতি মদ খেয়ে আর ১০০ টাকা হাতে নিয়ে নির্দিষ্ট মার্কায় ভোট দিয়ে আসে! অতিরিক্ত মদ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতি সে শ্রমিকের বেলায় প্রযোজ্য নয়!

 

এদিকে কেউ নিয়মতান্ত্রিকভাবে স্বেচ্ছায় মদ্যপান করতে চাইলে এবং সেটির সামাজিক কোনো প্রভাব না থাকলেও সেটি অপরাধ। ধর্ম দিয়ে রাষ্ট্রীয় রাষ্ট্রীয় আইন দাড় করিয়ে রাখা হয়েছে। আমি জানতে চাই এই দেশ কি শরিয়াহ আইনে চলে? যেখানে উন্নত দেশগুলোতে মদ্যপানে কোনো বাধানিষেধ নাই শুধু তার ক্ষেত্র নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়াসহ অনেক ইসলামি রিপাবলিকান রাষ্ট্রেও বাধানিষেধ নেই। বাংলাদেশ তো ইসলামিক রাষ্ট্র না। ওইসব দেশে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মানার কথা বলা হয়েছে না মানলে শাস্তির কথা বলা হয়েছে। আমাদের দেশে সেটি আশা না করলেও মদ্যপানের অনুমোদন কেন পাবে না একজন মুসলমান? ধর্মীয় বিধিনিষেধ কে মানবে কে মানবে না এটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার রাষ্ট্র কেন তাকে বাধ্য করবে? যখন একটি রাষ্ট্র ধর্মভিত্তিক হয় তখন সেটি সম্ভব হয় যদিও সেটি এক প্রকার অন্যায়। ধর্ম তো পারিবারিক ধারা থেকে ব্যক্তির উপর চাপানো হয় সেটি সবাই মানে এমনটা তো নয়। যে ধার্মিক তাকে মদ জোর করে দিলেও পান করবে না। কিন্তু একজন ব্যক্তির বংশীয় ধারায় সে মুসলমান হয়ে গেল বলে রাষ্ট্র তার ব্যক্তিগত অধিকারে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। তাহলে রাষ্ট্রের সেই সুবিধার কথাও আমলে নেয়া উচিত যে কেউ চাইলে স্বাধীনভাবে ধর্ম ত্যাগ করতে পারবে।

 

এই দেশে বারবার ধর্ম দিয়ে রাষ্ট্রীয় আইনকে প্রভাবিত করা হয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর দিকে চোখ গেলেই দেখবেন- নারী বিয়ের কাজী হতে পারবে না কারণ তার ঋতুস্রাব হয় এই সময়ে ধর্ম তাকে নাপাক ঘোষণা করেছে। নাপাক নারী বিয়ে পড়াতে পারবেন না। কিছুদিন আগে আরেকটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে সংসদে যে মৃত ব্যক্তিকে গার্ড অব অনারে নারী উপস্থিত থাকতে পারবে না। কারণ ধর্ম সেটিকে সমর্থন করে না। এসব সিদ্ধান্ত হয় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতে ও সংসদে। ভাবা যায়? বর্তমান সরকারের অনেকে এমনসব আইন ও রাষ্ট্রীয় বক্তব্যকে সমর্থন করছেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীও এগুলোতে সমর্থন দিয়েছেন অথচ তিনি জানেন না তা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী কাজ। এই দেশ স্বাধীন করার জন্যই নারীদের সশস্ত্র অংশগ্রহণ থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ ছিল। তা না হলেও এটি একটি সমান অধিকারের ধর্মনিরপেক্ষ ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র। মুক্তিযুদ্ধে মূলনীতিতে কোনো ধর্ম ছিল না। দেশ ও মানুষের কথাই সেখানে বলা হয়েছিল।

 

সব কিছুর মধ্যে ধর্মের বিধান ঢুকিয়ে দেয়া হচ্ছে। বিবাহ আইন হচ্ছে ধর্মভিত্তিক ও আলাদা আলাদা করা। মুসলিম বিবাহ আইনে মোহরানা নামের নারী শরীরের মূল্য পরিশোধ করতেই হবে! কী আশ্চর্য! কেউ ইচ্ছে হলে করবে না হলে করবে না, যার ইচ্ছে হবে ধর্মীয় রীতিতে বিয়ে করবে যার ইচ্ছে হবে না করবে না শুধু রাষ্ট্রীয় আইন রক্ষা করবে। নাহ সেই সুযোগ নেই, আদালতে হাজির হয়ে বিয়ের অঙ্গিকার করলেও নাকি সেটি কার্যকর হয়না যতক্ষণ না তারা কাবিননামা না করেন। কী অদ্ভুত সব আইন আমাদের।

 

গতকাল খবর পড়লাম বিয়ে ছাড়া এক পুরুষের সাথে একসাথে আত্মীয়ের বাড়িতে অবস্থান করায় নারী-পুরুষকে ৫৪ ধারায় কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। সেই নারীর সাথে থাকা ১ বছরের একটি শিশুকেও কারাভোগ করতে হচ্ছে এখন। কী অদ্ভুত সব সিস্টেম। আত্মীয় বাসাতে ভাবি আর দেবর একসাথে বেড়াতে যেতে পারবে না?

 

যাই হোক মাদকের প্রসঙ্গেই আসি। বৈধ-অবৈধ মাদকসেবী এ দেশে কয়জন হিন্দু আর কয়জন মুসলিম তার হিসেব বের করা কঠিন হলেও পুলিশের হাতে আটক ব্যবসায়ীরা বেশিরভাগ যে মুসলিম তার ব্যাপারে সন্দেহ নেই। তার ভোক্তাও যে মুসলিমই বেশি সে ব্যাপারেও সন্দেহ নেই । এই দেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বড় একাংশ কেবল মদ্যপান করেন এর বাইরে তাদের মাদকের সাথে সম্পর্ক খুবই কম। তাহলে এতো মাদক কারা সেবন করে? ভয়ংকর সব মাদকের সাথে কারা জড়িত? এই মুসলিমরাই তো? তাহলে মাদকের আইনে ধর্মকে টেনে এনে জগাখিচুড়ি বানানোর দরকার কি ছিল? এই আইনের কোনো সুফল হচ্ছে? আমি আবারও বলছি ধর্মের বিধান ধার্মিককে বজায় রাখতে দিন। এই রাষ্ট্র সব মানুষের। কারো ধর্মীয় অনুভূতিকে আমি আঘাত না করেই শুধু রাষ্ট্র ও তার সাংবিধানিক কাঠামোতে এমন আইন কতটা যৌক্তিক সেটি বলার চেষ্টা করছি। যেহেতু বাংলাদেশ সাংবিধানিকভাবে ধর্মনিরপেক্ষ ও অসাম্প্রদায়িক দেশ এবং এই রাষ্ট্রে সব মানুষের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে। তাহলে বারবার নির্দিষ্ট ধর্মকে জড়িয়ে কেন আইন হবে?

 

এবার পরীমনির কথা বলতেই হচ্ছে যেহেতু এখানেও মাদক ও আইন জড়িত। এই প্রসঙ্গে বললে আমার অনেক কথা আছে। তা না বলে কিছু প্রশ্ন রেখে যেতে চাই। পরী আলোচনায় আসার পর তার বাসার বিদেশি মদ ও অন্যান্য মাদকের ব্যাপারে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা উঠেছিল। পরবর্তীতে অনেক মডেলকে মাদকসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। এসব না হলে তিনি একজন বড় ব্যবসায়ীকে নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন মানে তার বিরুদ্ধে অনেক কিছু হতে পারে। সেসব বুঝে পরি সতর্ক হননি এটার তার ভুল। তিনি বাসায় মদের বোতল সাজিয়ে রেখেছেন র‍্যাবের জন্য। এতো আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে র‍্যাব বাসায় গিয়ে এতোসব মাদক উদ্ধার করেছে এজন্য তাদের ধন্যবাদ।

 

প্রশ্ন হচ্ছে, একটি বাসায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গেলে প্রথমে সেখানে তল্লাশি চালাবে। পরীর বাসায় তল্লাশিতে পরীর লাইভ বন্ধ করতে হবে কেন? তার বাসায় যা আছে তা সরাসরি দেখানোর অবকাশ আছে কিনা! তল্লাশি চলাকালে সাংবাদিকদের ভেতরে ঢুকতে দেয়া হলো না কেন? পরীর বিরুদ্ধে যারা অভিযোগ করেছেন তা সত্যিই অপরাধ হলে সেসব অপরাধে অভিযোগকারীদের কোনো দায় আছে কিনা? কেন সেসব সামনে আসবে না?

 

র‍্যাব বলছে পরীর বাসায় দুর্লভ মদ পাওয়া গেছে যা দেশে সচরাচর ইম্পোর্ট হয় না। তাহলে পরী সেগুলো কিভাবে পেলেন? পরী যদি লাইসেন্সধারী মদ্যপানকারী হয়েও থাকেন তাহলে এতো মদের অনুমোদন তার আছে কিনা, না থাকলে উনি সেগুলো কোথায় পেতেন, যাদের থেকে নিতেন তাদের ক্ষেত্রে একই আইন প্রয়োগ হবে কিনা? যেসব মডেলদের রাতের রানী বলে গ্রেফতার করা হয়েছে, দেহব্যবসার অভিযোগ তোলা হয়েছে তাদের নামে সেসব মডেলদের রাতের রাজাদের সন্ধান হবে কিনা, নাকি নারীর জন্য সব অন্যায় আর পুরুষের জন্য মাফ হয়ে যাবে?

 

আরেকটি বিষয় আমার জানতে ইচ্ছে করে দেশে যেহেতু ধর্ম দিয়ে রাষ্ট্রীয় আইন বানানো হয়েছে সেই আইনে প্রত্যেকের বাসায় বাসায় মাদকের তল্লাশি হবে কিনা? বিশেষ করে বড়লোকদের বাসায়। কারণ যত বড়লোকের বাসায় ক্ষেত্র বিশেষ অভিযান হয়েছে তাতে যা মদ উদ্ধার হয়েছে তা দেখে মনে হয়েছে তারা মাত্রাতিরিক্ত মদ্যপান করেন এবং তাদের দ্বারা সমাজের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। এই সম্ভাবনা থেকে মদ্যপানকে নিয়ন্ত্রণ করুন, ধর্মের বিধান মানুষের উপর চাপাবেন না।

 

লেখক- মাহমুদ এইচ খান, সাংবাদিক

 

ছড়িয়ে দিন