মানুষ এখন ৪ বেলা খায়: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৩:৫৮ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৪

মানুষ এখন ৪ বেলা খায়: প্রধানমন্ত্রী
সদরুল আইনঃ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশে এক সময় মানুষ একবেলা খাওয়ারের আশা করতো। এখন আল্লাহর রহমতে তিন-চার বেলা খাবার খায়।
দেশের মানুষ এখন ভাত নয়, দুধ-ডিম-পেঁয়াজ আর পাঙ্গাস মাছের অভাব বোধ করে। মানুষের খাবারের চাহিদা বেড়েছে। চাহিদার পাশাপাশি উৎপাদনও বেড়েছে।
শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গণভবনে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলন এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পনের বছর আগে ভাতের হাহাকার ছিল। ভিক্ষুকরা তখন ভাতের ফেন চাইতো। এখন তা নেই। কৃষিতে ৪৫ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছি।
বাংলাদেশে কৃষিতে বিপ্লব ঘটেছে। এ কারণে এক সময় শীতকালে লাউ খাওয়ার চিন্তা করা হতো। কিন্তু এখন সারা বছর লাউ পাওয়া যায়। কৃষিতে আমরা ভর্তুকি দিচ্ছি। পণ্যের দাম কমালে কৃষক দাম পায় না।
তবে হ্যাঁ, সীমিত বেতনের লোকজনের জন্য কষ্ট হচ্ছে। মজুতদারি থেকে বাজার রক্ষা করতে হবে।
সরকারকে বিপদে ফেলার জন্য যারা অবৈধভাবে পণ্য মজুত করে বাজার অস্থিতিশীল করতে চায়, তাদেরকে গণধোলাই দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, নির্বাচন ঠেকানোর পরিকল্পিত চক্রান্ত ছিল। নির্বাচন ঠেকাতে না পেরে দ্রব্যমূল্য বাড়ানোর চক্রান্ত করে সরকারকে বিপদে ফেলতে চাওয়া হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দেশে দুর্ভিক্ষের ষড়যন্ত্র এখনও আছে; নির্বাচন যারা চায়নি তারাই এই চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, নির্বাচন ঠেকানোর পরিকল্পিত চক্রান্ত ছিল। নির্বাচন ঠেকাতে না পেরে দ্রব্যমূল্য বাড়ানোর চক্রান্ত করে সরকারকে বিপদে ফেলতে চাওয়া হয়েছিল।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে জিতে টানা চতুর্থবারের মত সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মত সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে যোগ দিতে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ছাড়েন। মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সের সভাপতির আমন্ত্রণে সেখানে যান তিনি।
চিনির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার জার্মানিতে অবস্থানকালে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন শেখ হাসিনা।
 পাশাপাশি তিনি কয়েকজন বিশ্বনেতার সঙ্গে বৈঠক করেন। সফর শেষে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি দেশে ফিরে আসেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

লাইভ রেডিও

Calendar

April 2024
S M T W T F S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930