মুক্তিযুদ্ধ এদেশকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র করেছিল ঃ সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

প্রকাশিত: ৭:৫১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৮

মুক্তিযুদ্ধ এদেশকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র করেছিল ঃ  সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী  কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপি আজ বাংলাদেশ ছাত্র-যুব ঐক্য পরিষদের দ্বিবার্ষিক জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন ,  মুক্তিযুদ্ধ এদেশকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। কিন্তু পঁচাত্তরের পনের আগস্টের পর সেই ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ, অসাম্প্রদায়িকতা গণতান্ত্রিক মূল নীতিসমূহকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করার ব্যবস্থা করা হয়। পরবর্তী সময়ে আমরা যদিও সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত আমাদের দেশে সাম্প্রদায়িক মানসিকতার বিস্তার ঘটছে বলে আমরা লক্ষ্য করছি। আমরা মনে করি যে, আজকে বাংলাদেশকে যদি গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পথে যদি এগিয়ে যেতে হয় তাহলে এদেশে সকল ধর্মের বিশ্বাসী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সকল ক্ষুদ্র জাতিসত্তাকে সাথে নিয়ে এদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। বিশেষ করে একটি কথা সবার স্মরণ রাখা প্রয়োজন যে, ২০০১ সালে তথাকথিত নির্বাচনের পর যে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছিল বিএনপি-জামাত ক্ষমতায় আসলে পরে প্রথম সুযোগেই তার পুনরাবৃত্তি ঘটাবে। কেবল তাই নয়, এদেশের গণতান্ত্রিক শক্তিসমূহকে সমূলে বিনাশ করার জন্য তারা তাদের তৎপরতা চালাবে। তাই আজ প্রয়োজন সকল গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক শক্তির ঐক্য এবং তার মধ্য দিয়ে এদেশের সংখ্যালঘু মানুষের যে অধিকার, তাদের সমমর্যাদা এটা প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
আজ ৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের অঙ্গ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র-যুব ঐক্য পরিষদের দ্বিবার্ষিক জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী তিনি  একথা বলেন ।
জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বেলুন, পায়রা উড়ানোর মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. রানা দাশ গুপ্ত, অধ্যাপক নিম চন্দ্র ভৌমিক, নির্মল রোজারিও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। মেনন সংগঠনের সাফল্য কামনা করেন।