ঢাকা ১৮ই জুন ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১১ই জিলহজ ১৪৪৫ হিজরি

মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কুড়িগ্রামের উলিপুরে স্থবির জনজীবন

abdul
প্রকাশিত জানুয়ারি ৬, ২০২২, ০৯:০৪ অপরাহ্ণ
মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কুড়িগ্রামের উলিপুরে স্থবির জনজীবন

 

 

আব্দুর রহমান  সরদার রাজু, উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ টানা চার দিন ধরে হিমেল হাওয়া ও কনকনে ঠাণ্ডায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। কনকনে ঠাণ্ডায় গবাদি পশুও নাজুক অবস্থায় রয়েছে থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বৃষ্টির মতো ঝরছে শিশির।

 

 

 

দুপুর গড়িয়ে গেলে সূর্যের মুখ দেখা গেলেও রোদের উত্তাপ তেমনটা অনুভূত হয় না। ফলে এ জনপদে সাধারণ খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষজন পড়েছে চরম বিপাকে। বেশি বিপদে পড়েছেন গ্রাম ও চরাঞ্চলের গরিব মানুষ।

 

 

 

ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা।ঠাণ্ডাজনিত রোগ বিশেষ করে জ্বর, সর্দি, কাশি নিয়ে হাসপাতালে অনেকে ভর্তি হচ্ছেন। এদের মধ্যে শিশু ও বয়স্ক রোগী সংখ্যা বেশি। ভ্যানচালক আব্দুর সাত্তার জানান, ঘন কুয়াশার কারণে সড়কে চলাচল বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

 

ঠান্ডার কারণে দুই-তিন দিন ধরে কোনো রকমেই মালামাল বহন করছি। ধরনিবাড়ি গ্রামের কৃষি শ্রমিক ছাইদুল ইসলাম ও মন্টু চন্দ্র বর্মণ জানান, কুয়াশা আর শীতের কারণে সময়মতো কাজে যোগ দিতে পারছেন না তারা।

 

 

কাজে যেতে এক থেকে দেড় ঘণ্টা দেরি হচ্ছে।এছাড়া ঠাণ্ডায় কাজ করতেও সমস্যা হয়, হাত-পা জমে যায়।

 

কুড়িগ্রাম রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, বুধবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হিমেল হাওয়া ও কনকনে ঠাণ্ডায় এ জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ চলছে।
এই শৈত্যপ্রবাহ আরো তিন-চার দিন থাকবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।জেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জানান, প্রতিদিন গরিব-অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ চলছে। আশা করছি শীতে মানুষের কষ্ট লাঘব হবে।
এদিকে, নাগেশ্বরীতে গত কয়েক দিন ধরে ঘন কুয়াশার সঙ্গে বইছে মৃদুমন্দ বাতাস। কমছে তাপমাত্রা। হিমশীতল ঠাণ্ডায় কাঁপছে জীবকুল। বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। গত এক সপ্তাহ ধরে কুয়াশা মুড়ি দিয়ে সকাল আসে অনেক দেরিতে।
সূর্যের আলোর দেখা মেলে বেলা ১১টার পরে। এদিকে সন্ধ্যা নামে নির্ধারিত সময়ের অনেক আগে। তার আগেই ফাঁকা হয়ে যায় রাস্তাঘাট।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, তিন দিন ধরে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ওঠানামা করছে।
বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

June 2024
S M T W T F S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30