মোঃ আরিফ স্মৃতির মনিকোঠায়।

প্রকাশিত: ১:৪৮ পূর্বাহ্ণ, মে ২৭, ২০১৯

মোঃ আরিফ স্মৃতির মনিকোঠায়।

শাহাদত বখ্ত শাহেদ

সিলেট শহরে যারা দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে বসবাস করছেন তারা নিঃশ্চয়ই জুনাঘরি আরিফকে না চেনার কথা নয়। আরিফ হলেন সিলেটের মহাজন পট্টি, কালিঘাটের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী দাদা ময়দা কোম্পানির সত্তাধিকারি মরহুম আব্দুস শুকুর দাদার ভাগনে।

আরিফ পারিবারিক ভাবে ব্যবসায়ি ছিলেন। তার আরেক ভাই মোঃ মুসা, তিনিও কালিঘাটের বিশিষ্ট ব্যবসায়ি। আরিফের বড় ছেলে মো আলতাফ। তিনি ব্যাংকিং পেশায় যুক্ত। আলতাফ বর্তমানে এন সি সি ব্যাংক কুমারপাড়া শাখার ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন। তার ছোট দুই ভাই মোঃ আমিন ও মোঃ রাজু। তারাও বিভিন্ন পেশার সাথে যুক্ত আছেন।

মোঃ আরিফ কে চেনেন না এমন লোক সিলেটে কম আছেন। আরিফ সিলেট পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান বাবরুল হোসেন বাবুলের একনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। বাবুলের রাজনীতির মতাদর্শের সাথে তার মিল ছিল যার জন্য বাবুলের সাথে তার সংস্পর্শতা ছিল খুব বেশী। বাবুলও আরিফ কে সব সময় তার কাছে রাখতেন একজন বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে।

আরিফ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ততা থাকলেও খেলাধুলার প্রতি ছিল তার ছিল অগাধ ভালোবাসা। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্হার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। তা ছাড়া সিলেট মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব,সিলেট ষ্টেশন ক্লাব সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের কার্যকরি কমিটির একনিষ্ঠ সদস্য।

আরিফ পোষাক আশাকে সব সময় ছিলেন পরিচ্ছন্ন। বেশির ভাগ সময়ে সাদা পায়জামা পাঞ্জাবি পড়তেন। শারীরিক গঠনে ছিলেন দীর্ঘদেহী। সুদর্শন চেহারার মানুষ এবং তেজী ও ব্যক্তিত্বশালী। আরিফ পান আসক্ত ছিলেন বেশি। সারাদিন মুখে পান নিয়ে থাকতেন। আরিফের সিলেটের সর্বস্তরের মানুষের সাথে সু সম্পর্ক ছিল। স্বজনদের যে কোন সংকটে তার সরব উপস্হিতি ছিল চোখে পড়ার মত।

গত কাল ১৯ রমজান ছিল মোঃ আরিফের ১২ তম মৃত্যু তারিখ। তিনি ২০০৭ সালে অসুস্থ থাকা অবস্হায় কালিঘাটের (কামালগড়স্হ) তার নিজ বাস ভবনে মৃত্যুবরন করেন।