শবেবরাত পালন করা না করা

প্রকাশিত: ১১:২৯ পূর্বাহ্ণ, মে ২, ২০১৮

শবেবরাত পালন করা না করা

রুহী সামসাদ আরা
শবেবরাত পালন করা না করা নিয়ে বিস্তর আলোচনা শুনছি সারাদিন। পক্ষে বিপক্ষে যা-ই শুনছি সকলেই হাদীস কালামের প্রসঙ্গ ধরে কথা বলছেন।
এদিন মানুষ কী করেন আসলে?
নামাজ পড়েন এবং বেশি বেশি নামাজ পড়েন, আল্লাহ(সু’অালা)র কাছে আত্মসমর্পণ করেন।সুস্বাদু খাবার প্রতিবেশী ও গরীব মানুষের মাঝে বিলান।
এতে সমাজে কি কোন নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে???
অন্তত এদিন দীর্ঘসময় মানুষ জাগতিক মোহ থেকে নিজেকে দূরে রাখে।প্রতিবেশীর সাথে খাবার বিনিময় করে এতে সম্প্রীতি বাড়ে, কিছু গরীবের কপালে ভাল খাবার জোটে।মানুষ কেনাকাটা করে ফলে অর্থ হাত বদল হয় জাতীয় অর্থনীতিতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।এটাকে কেন বেদাত বলা হচ্ছে?
অনেক আলেম মানুষকে জাহান্নামি বলে ফেলেন। কে জাহান্নামে যাবেন আর কে যাবেন না সেটা কি কেউ জানেন? পরলৌকিক বিচারের মালিক কি একজন মানুষ হতে পারে?
দৃষ্টিটা ঘুরিয়ে আমরা কি বলতে পারিনা যিনি ঘুষ খান তাকে আমরা বর্জন করলাম,যিনি অন্যের সম্পদ দখল করে তিনি মুসলমান নন,যে পরনারীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক করে তার সংগে লেনদেন করা যাবেনা।এতিমের হক ফাঁকি যারা দেয় তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ করতে হবে,যারা স্ত্রীর মর্যাদা দেয় না,দেনমোহরের টাকা শোধ করেন না তারা ধর্মীয়ভাবে পরিত্যাজ্য।
একদিন একরাত মানুষ নামাজ পড়ছেন সেটাকে বেদাত বেদাত বলে সময় নষ্ট না করে সমাজে যে মানুষ ঠকানো, অহরহ মিথ্যাচার করা, ঘুষখাওয়ার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে এগুলোকে বেদাত বলে মুসলমানদের প্রকৃত ধার্মিক করার চেষ্টা অাবশ্যক।