শিক্ষিত না হলে আমরা অনেক পিছিয়ে যাবো : শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত: ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১৯, ২০১৯

শিক্ষিত না হলে আমরা অনেক পিছিয়ে যাবো : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি বলেছেন শিক্ষার সাথে আমাদের জাতির অস্তিত্ব নির্ভরশীল। বিশ্ব এগিয়ে চলেছে আমরা সেভাবে শিক্ষিত না হলে আমরা অনেক পিছিয়ে যাবো। তাই আমি শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সবাইকে, বিশেষ করে, শিক্ষক ও শিক্ষাবিদদের শিক্ষার উন্নয়নে অবদান রাখার আহ্বান জানাই। সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করতে বদ্ধপরিকর। শিক্ষার মান উন্নয়নে, যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনে ও কর্মমূখী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও সংযোজন করতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে। তিনি আজ বিকালে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার ডাসার থানায় সরকারি শেখ হাসিনা একাডেমি অ্যান্ড উইমেন্স বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ও ডি. কে. সৈয়দ আতাহার আলী একাডেমী এন্ড বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের আয়োজনে আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলন ২০১৯ এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
মাদারীপুর জেলার জেলা প্রশাসক মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এই সম্মেলনে আর ও উপস্থিত ছিলেন কলকাতার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক রঞ্জন চক্রবর্তী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড হারুন-অর-রশিদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড এম আব্দুস সোবহান, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড হারুন রশীদ খান, সাবেক নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান এম পি, শিক্ষা বিস্তারে অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাদারীপুর জেলার জেলা প্রশাসক মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম।
মন্ত্রী বলেন আজকের এই আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলনের মাধ্যমে যে সকল সুপারিশ আসবে তা বাস্তবায়নে সরকার আন্তরিক থাকবে। তিনি আর ও বলেন একটি জাতির উন্নতি ও সমৃদ্বি নির্ভর করে তাঁর শিক্ষা ব্যবস্থার উপর। যে জাতি যত শিক্ষিত সে জাতি তত উন্নত। আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছেন- “সোনার দেশ গড়তে সোনার মানুষ চাই।” মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন- “শিক্ষাই মানব সম্পদ উন্নয়নের চাবি কাঠি।” বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিগত দশ বছরে শিক্ষা ক্ষেত্রে বাংলাদেশে অনেক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এখন সময় এসেছে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে কাজ করার। সরকার শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়নে সচেষ্ট রয়েছে পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাধর্মী শিক্ষার উপর জোর দিয়েছে। গবেষনাকে উৎসাহিত করতে সরকার বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ সাইন্স এন্ড আইসিটি এবং প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপ প্রবর্তন করেছে।
অধ্যাপক রঞ্জন চক্রবর্তী প্রত্যেক নাগরিকের নৈতিক শিক্ষা এবং আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষাব্যাবস্থার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি বলেছেন শিক্ষার সাথে আমাদের জাতির অস্তিত্ব নির্ভরশীল। যেভাবে বিশ্ব এগিয়ে চলেছেÑ আমরা যদি সেভাবে শিক্ষিত না হইÑ তাহলে আমরা অনেক পিছিয়ে যাবো। তাই আমি শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সবাইকে, বিশেষ করে, শিক্ষক ও শিক্ষাবিদদের শিক্ষার উন্নয়নে অবদান রাখার আহ্বান জানাই। সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করতে বদ্ধপরিকর। শিক্ষার মান উন্নয়নে, যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনে ও কর্মমূখী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও সংযোজন করতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে। তিনি আজ বিকালে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার ডাসার থানায় সরকারি শেখ হাসিনা একাডেমি অ্যান্ড উইমেন্স বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ও ডি. কে. সৈয়দ আতাহার আলী একাডেমী এন্ড বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের আয়োজনে আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলন ২০১৯ এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
মাদারীপুর জেলার জেলা প্রশাসক মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এই সম্মেলনে আর ও উপস্থিত ছিলেন কলকাতার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক রঞ্জন চক্রবর্তী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড হারুন-অর-রশিদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড এম আব্দুস সোবহান, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড হারুন রশীদ খান, সাবেক নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান এম পি, শিক্ষা বিস্তারে অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাদারীপুর জেলার জেলা প্রশাসক মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম।
মন্ত্রী বলেন আজকের এই আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলনের মাধ্যমে যে সকল সুপারিশ আসবে তা বাস্তবায়নে সরকার আন্তরিক থাকবে। তিনি আর ও বলেন একটি জাতির উন্নতি ও সমৃদ্বি নির্ভর করে তাঁর শিক্ষা ব্যবস্থার উপর। যে জাতি যত শিক্ষিত সে জাতি তত উন্নত। আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছেন- “সোনার দেশ গড়তে সোনার মানুষ চাই।” মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন- “শিক্ষাই মানব সম্পদ উন্নয়নের চাবি কাঠি।” বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিগত দশ বছরে শিক্ষা ক্ষেত্রে বাংলাদেশে অনেক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এখন সময় এসেছে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে কাজ করার। সরকার শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়নে সচেষ্ট রয়েছে পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাধর্মী শিক্ষার উপর জোর দিয়েছে। গবেষনাকে উৎসাহিত করতে সরকার বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ সাইন্স এন্ড আইসিটি এবং প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপ প্রবর্তন করেছে।
অধ্যাপক রঞ্জন চক্রবর্তী প্রত্যেক নাগরিকের নৈতিক শিক্ষা এবং আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষাব্যাবস্থার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।