শেলীর সংগে কথা বলছেন শেলী সেনগুপ্তা

প্রকাশিত: ৯:১২ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ৬, ২০২১

শেলীর সংগে কথা বলছেন শেলী সেনগুপ্তা

 

জীবন পথের অনেকটা পাড়ি দিয়ে এসে যদি পেছন ফিরে দেখতে বলা হয় তাহলে প্রথমেই চোখে পড়ে শৈশব। বাবার কোলে দোল খেয়ে খেয়ে ঘুমিয়ে পড়া একটি মেয়ে। নাম শেলী। বাবার আদরের সন্তান, প্রথম সন্তান শেলী, বাবার বুক জুড়ে থাকে সবসময়। বাবার নাম অরুণ সেনগুপ্ত, মা তাপসী সেনগুপ্তা। চট্টগ্রামের সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম শেলীর অর্থাৎ আমার।

হ্যাঁ , আজ আমি, আমার কথা বলতে বসেছি গল্পের আসরে। এখানে নেই কোন গ্রামবাংলার উঠোনের মাঝখানে হ্যারিকেন রেখে গোল হয়ে বসা আগ্রহী শ্রোতা। নেই হাতে হাতে ঘোরা নারকোল মালার তৈরী হুকো। নেই থেকে থেকে ছোট ছোট প্রশ্ন করে খেই ধরিয়ে দেয়া উৎসুক গ্রাম্য স্বজন।

আজ শুধু বলে যাওয়ার পালা, আপন মনে আপন বয়ানে, নিজেকেই মুগ্ধ শ্রোতা সাজিয়ে।

আমি শেলী সেনগুপ্তা, জন্ম ৫ মে, চট্টগ্রাম শহরে। পাহাড়ের কোলে ঘেষে সমুদ্রের নির্মল আলো হাওয়াতে বেড়ে ওঠা আমি হয়তো জন্ম থেকেই বেড়ে ঊঠেছি প্রাকৃতিক রহস্যময়তায়, লালন করেছি এক রহস্যময়তা, নিজের ভেতরে এবং বাইরে।

জন্মসূত্রে কিংবা পারিবারিক আবহ ছিলো বিপ্লবী ঘরানার। মাষ্টার দা সূর্যসেন এর চতুর্থ প্রজন্ম বলেই হয়তো রক্তে আছে স্বাধীনতার তুর্য নিনাদ। ঠাকুরমা নিহারকণা সেনগুপ্তাও ছিলেন আপাদমস্তক বিপ্লবী। সংসারে থেকেও জীবন ও মন দিয়ে যাপন করেছেন বিপ্লবজীবন। প্রায় রাতেই পলাতক বিপ্লবীদের খাদ্য পৌঁছে দিতেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিপ্লবের মন্ত্রবাহী গ্রন্থগুলো লুকিয়ে রাখতেন নিজের গোলাঘরে কিংবা রান্নাঘরের ছাইয়ের গাদায়। কখনো সে সব জায়গা দখল করতো অস্ত্রশস্ত্র। এমন হয়েছে বিপ্লবীদের খুঁজতে এসেছে বৃটিশ পুলিশ, ঠাকুর মা’র রান্নাঘরে তাঁরই শাড়ি পরে বিপ্লবীরা বাটনা বাটছে, কুটনা কুটছে। বৃটিশ পুলিশ সরে যেতেই পালিয়ে যাচ্ছে আরো বড় কোন প্রেক্ষাপটের দিকে।

ঠাকুরমা’র চেতনা, আদর্শ এবং মানসিক দৃঢ়তাকে সাথে নিয়েই আমার যাত্রা শুরু। অন্যায়ের সাথে আপোষ না করার কঠিন প্রবণতা লালন করেছি নিজের ভেতরে। এটাই হলো আমার জীবনের সামুদ্রিক ঝড়ের যুদ্ধমানতা।

পাহাড়ের সবুজ করেছে আমাকে প্রেমময়। পলির মতো কোমল মন আমাকে সময়ে করেছে অদম্য প্রেমিক, করেছে স্তন্যদাত্রী জননী, আবার কখনো করেছে স্নেহময়ী নারী। প্রচন্ড ভালোবাসার চারণভূমি আমার মন, সবসময় খুঁজেছে একজন একনিষ্ঠ চাষী, যে গড়ে তুলবে দুর্দান্ত সব পত্রপুষ্পসম্বলিত এক চমৎকার বাগান।

বেড়ে উঠেছি নিজের মতো, কিছুটা বন্যজীবন বলা যায়। বাবা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, মা চাকুরীজীবী। শৈশবের একটা সময় কেটে দিদার আদরে। মায়েরা সাত বোন এবং এক ভাই। ভরপুর সংসার। এককালের জমিদার বংশ। সময়ের সাথে সাথে জমিদারী গেছে, কিন্তু রেখে গেছে অনেক কিছু, এ যেন নদী শুকিয়ে যাওয়ার পরও রেখা থেকে যাওয়া। তাতে না থাকে নদী, না হয় সমভূমি। এ যেন আরো কঠিনের সাথে লড়াই। জমিদারের মেজাজধারী আমার মামার বংশ দারিদ্রসীমার কাছাকাছিই ছিলো, কিন্তু ভালোবাসা আর মায়ামমতা ছিলো বর্ষার নদীর মতো দুকূল ছাপানো। সে মায়া কাটানো কঠিন ছিলো আমার জন্য। সুযোগ পেলেই সেখানে থাকার চেষ্টা থাকতো নিরন্তর। একটা সময় থাকতেও হলো। কর্মজীবী বাবা মার সন্তানের পড়াশুনার সুবিধার জন্য দিদার কাছে থাকার সিদ্ধান্ত হলো। এ আমার কাছে মুক্ত আকাশে ওড়ার আনন্দ। বাবামা’র শাসন থেকে মুক্ত হয়ে দিদার আঁচলের ছায়াটা আমার খুব দরকার ছিলো। আর ছিলো বেশ কয়েকজন মাসি। যাদের কথা না বললে অনেক কিছুই অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। ফুলমাসী, যার নাম নীলিমা সেন, ডাক নাম পূরবী, জ্ঞান হওয়ার পর থেকে নিজেকে তাঁর কোলে আবিষ্কার করেছি। বেড়াল ছানার মতো পায়ে পায়ে থাকতাম। ফুলমাসীকে অবাক হয়ে দেখতাম, কি সুন্দর দেখতে, আধুনিকতার সবটুকুই ছিলো তাঁর জীবন যাপনে। প্রচন্ড মানসিক শক্তির অধিকারী, সবকিছুই সাথে মানিয়ে নিতে পারা ছিলো ফুলমাসীর অন্যতম গুণ। সারাক্ষণ আনন্দফূর্তির মধ্যে কাটাতো। তাঁর মতো করে কেউ জীবন উপভোগ করতে পারতো না।

ফুলমাসীর বিয়ে হয়ে যেতেই আমি যার ছায়া পেলাম, সে হলো আমার কুমকুম মাসী, যাকে বরাবর কুমাসী বলেই ডেকেছি যদি একটুও ‘কু’ ছিলো না আমার মাসীটি। আদরে আগলে রাখতো আমাকে। ছিলো শিখামাসী সবার ছোট, প্রচন্ড পড়ুয়া। সাফল্যের সাথে পড়াশুনা শেষ করে ব্যাংকে চাকরী করতো। আর ছিলো রাঙ্গামাসী, রান্নাঘরেই কাটতো যার জীবন, সবার জন্য সুস্বাদু খাবার প্রস্তুত করেই যার আনন্দ।

মামা, একমাত্র মামা, বলবো না কংস মামা, তবে তখন তেমনটিই মনে হতো। কারণ আমি ছোটবেলা থেকেই ছেলেদের পোশাক পড়তে পছন্দ করতাম, আমি ছিলাম মামার সার্টপ্যান্ট শিকারী। স্কুল থেকে ফিরে আমাকে মামার সার্টপ্যান্ট পরা দেখলে দু’চারটা চড়থাপড় দিয়ে খুলে নিতো। আমি খুব কাঁদতাম। বড় হয়েই বুঝেছি, মামার স্নেহ আমাকে ঘিরে প্রবাহিত হয়েছে। বাবার মৃত্যু সংবাদে মামাই প্রথম হাত রেখেছিলো আমার মাথায়।

খুব দুরন্ত ছিলাম। একসময় মামার বন্ধুরা হয়ে উঠলো আমার বন্ধু। তাদের সাথে ঘুড়ি ওরানো , মার্বেল খেলা, ডাংগুলি খেলা, কি না করেছি। মামার বন্ধুদের সাথে ঘন্টার ঘন্টা রোদে দাঁড়িয়ে ঘুড়ির সুতোয় মাঞ্জা দিয়েছি। অন্য বাড়ির আচার চুরিও কম করা হয় নি। যাদের বাড়িতে এই অপকর্মটি করেছি আজ তাদের নাম বলতেও পারি, ফুলমাসির বান্ধবী মায়া-ছায়াদের আচার চুরি করতাম মামার বন্ধু বড়মিয়া আর ছোট মিয়ার সাথে। এই মহান কাজটি করার জন্য জানালা দিয়ে আমাকেই পার করে দিতো। আমার সহচোরদের আসল নাম জানি না, তবে এ নামেই ডাকতো সবাই, আমিও।

শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছিলো, চট্টগ্রামের কাজির দেউড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। তারপর নাসিরাবাদ সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ে যাওয়া আসা।

খুব কমবয়সে একজনকে খুব ভালো লাগলো। সে যখন বললো,

‘তুই হবি জননী, তুই হবি ঘরনী, প্রেমিকা আমার’,

বিকল্প কিছু মনেই আসে নি। না বলেই বলা হয়ে গেলো অনেককিছুই। সামাজিক সীমাবদ্ধতার মধ্যে দু’টি জীবন অপেক্ষার প্রদীপ জ্বাললো, দিন কাটলো, সময় অতিবাহিত হলো।

মানুষটা সাফল্যের সাথে শিক্ষাজীবন শেষ করলো। বিসিএস পাশ করে প্রথম শ্রেণীর সরকারি কর্মকর্তা হয়ে এসে, প্রেমিকাকে ঘরনী করলো। শুরু হলো যৌথ জীবন।

প্রথম সন্তান জন্ম গ্রহণ করলো, নাম অভিষেক। প্রথম দর্শনেই যাকে দেবদূত বলে ভ্রম হবে। ভ্রম হবে বলি কেন? সেতো দেবদূতই ছিলো।

হ্যাঁ ছিলো, সময় তাকে আপন কোলে ঠাঁই দিয়েছে। অসাধারণ মেধাবী সন্তানটি আমাকে ছেড়ে চলে গেছে অন্য গ্রহে। দিয়ে গেছে এক অভীধা, ‘ আইরন লেডি’, ভালোবেসে আমাকে এই নামেই ডাকতো। হয়তো চেয়েছিলো, মা’টি তার এমনই হোক। হয়তো হয়েছি, হয়তো না। তবে যুদ্ধ করে যাচ্ছি সময়ের সাথে,মিথ্যার সাথে, বিশ্বাসহীনতার সাথে, প্রতারণার সাথে, হয়তো নিজের সাথেও। মানুষ ভালোবাসি, তাইতো এ যুদ্ধ আমাকে প্রতিহিংসাপরায়ণ করে তোলে না, এ যুদ্ধ আমাকে আনন্দ দেয়, ক্ষমার শক্তি দেয়।

আমার আরেক সন্তান উপমা, ও যখন কোল জুড়ে আসলো তখন আমার জীবন হয়ে উঠলো সুফলাসুফলা। সুখ ও শান্তির প্লাবনে ভাসছিলাম। কন্যাটি সাফল্যের সাথে শিক্ষাজীবন শেষ করে এখন উন্নত দেশের অধিবাসী, নিজের মতো সাজিয়ে নিয়েছে জীবন। তারও কোল জুড়ে আছে দু মনি-মানিক্য।

চাকরির ধারাবাহিকতায় আমরা ঢাকায় চলে এলাম। আমার পড়াশুনা চলছে, সাথে চলছে আমার দুই অমূল্য সম্পদের লালন-পালন ও পড়াশুনা। ওদের সাথে সাথে আমিও এগিয়ে যাচ্ছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রীপ্রাপ্ত হলাম। অর্জিত হলো শিক্ষা গবেষণায় স্নাতক ডিগ্রী।

এর মাঝে মাঝে চলছিলো চাকরিতে যোগদান এবং পদত্যাগ করা। কখনো সংসারের প্রয়োজনে কখনো ভালো লাগে নি তাই। তবে কি বন্ধন আমার জন্য নয়? তবে কি বৃহৎ কোন স্রোতে ভাসবো বলেই ছোট ছোট ঢেউগুলো আমাকে তীরের দিকে ছুঁড়ে দিয়েছে?

আমার সর্বশেষ কর্মক্ষেত্র ছিলো শিক্ষকতা। সেখানেই তীব্র বন্ধন আমার উড়াল পঙ্খী মনটাকে অস্থির করে দিতো। মুক্তির আনন্দে ভাসার সুখ নিতেই একসময় সে বন্ধনও কাটা হলো।

আমার লেখক জীবন বৈচিত্রময়। শুরু হয়েছিলো স্কুল জীবনে, ছোট গল্প লিখার মাধ্যমে। সংসার নদীতে নাও ভাসানোর পর সাহিত্যচর্চা কিছুটা স্তিমিত হলো। তবে গল্পগুলো বুকের ভেতর টগবগ করে ফুটছিলো,মনের দুকূল ছাপিয়ে গড়িয়ে এসে আমার ব্যক্তিজীবন ভাসিয়ে নিচ্ছিলো, ভাসিয়ে নিচ্ছিলো আমার প্রেমিক মনকে।

তাই হয়তো আমার জীবনে বার বার প্রেম এসেছে , নানারুপে নানা রঙে। এসেছে এবং ফিরেও গেছে, তবে আমাকে দিয়ে গেছে নানা অভিজ্ঞতা, অনুভব এবং বিচিত্র সব চিন্তার খোরাক। আমার প্রেমিকরা আমাকে প্রতিনয়ত সমৃদ্ধ করেছে। বুঝিয়ে দিয়েছে জীবনের কোন প্রাপ্তিই পরিপূর্ণ নয়, কোন অপ্রাপ্তিই অসম্পূর্ণতা দেয় না। হয়তো তাই একটা সময় মনে হলো, এখন আবার শুরু করতে হবে, ভেতরের তোলপাড় করা কথাগুলো কাগজে জায়গা করে নিতে চাইছে। পৌঁছে দিতে হবে পাঠকের করকমলে।

শুরু হলো পথ কেটে এগিয়ে যাওয়া। লিখছি তো লিখছিই। থেমে থাকার কথা ভাবতে ইচ্ছে করে না। কারণ আমি সাহিত্যের আনন্দছাত্রী, আনন্দশিক্ষকও। আমার পরিভ্রমনের বিষয়, কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প এবং প্রবন্ধও।

তবে কবিতা লিখছি খুব, প্রতিদিনই লিখছি, কারণ, আমি এবং কবিতা যেন পারস্পরিক আয়না। কবিতাতেই নিজেকে হারাই, খুঁজে পাই, নিজেকে জানি। কবিতার সাথে জন্মসূত্রেই গাঁটবন্ধন। এ বন্ধন অবিচ্ছেদ্য, ‘ আয়না এবং আমি নিজের দিকে তাকিয়ে/ আমার ভেতরের কেউ/ নিরবতার দেয়ালে আচঁড় কেটে বললো,/ ‘ অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ মানুষ/ নিজেই নিজের আয়না’……।

কখনো কবিতা এবং আমি সমান্তরালে চলছি, কখনো আমরা পরস্পরের ভেতরে পরিভ্রমণ করছি। এ ভ্রমণের শেষ নেই, অন্তহীন চলা,অন্তহীন আনন্দ, অন্তহীন রোদন।

 

আমার লেখালেখিতে আনন্দ-বেদনা,প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, হরিষ-বিষাদ প্রেম বড় বেশি প্রকাশিত। তবে একথা ঠিক যে আমি সবার আগে নিজেকে ভালবাসি, আমার বিশ্বাসের ভুবনে কখনো কুয়াশার কোন আস্তরণ আসতে দেইনি, আমি জেনেছি, নিজেকে ভালবাসায় যদি পিছিয়ে পড়ি তাহলে অন্যকে ভালবাসায় এগিয়ে যেতে পারবো না। হয়তো তাই, প্রতি জন্মদিনে নিজেকে আশির্বাদ করি, শুভকামনা জানাই।

এখন জীবনের অনেকটা সময় পেছনে ফেলে এসেছি। ছেড়ে এসেছি অনেক কিছু, অনেক সম্পর্ক,বহুবিধ সম্পদ, আপনজনের নিগ্রহ, অন্তহীন দুঃখ, নির্মল আনন্দ। চলার পথে অনেককেই হারিয়েছি, একসাথে পথচলা অনেকেই ছেড়ে গেছে মাঝপথে। ছেড়ে গেছে স্বীয় রক্তমাংসে সৃষ্ট কোমল প্রাণ। পাঁজর ভেঙ্গে উড়ে গেছে পাখি। কারো কাছে ক্ষমা চেয়েছি, কাউকে নিঃশর্ত ক্ষমা করেছি। সবকিছুই প্রত্যাশাহীন। তারপরও জীবন থেমে থাকে নি। জীবন আমাকে টেনে নিয়ে গেছে সময়সৃষ্ট পথে। বেঁচে আছি নিজের মতো, বেঁচে থাকার আনন্দটুকু সাথী করে সময়কে দেখেছি, জীবনকে দেখেছি, এখন দেখছি নিজের চারপাশ।

এর মধ্যেই কখনো নিজেকে মনে হয় মিশরের পিরামিড, একা দাঁড়িয়ে থাকা, কখনো শুষ্কবক্ষ সাহারা মরুভূমি, আবার কখনো বা এক বুক লাভাবাহী ভিসুবিয়াস। সবই তো জীবনের দান, সবকিছু মেনে নিয়ে এখনো টিকে আছি বর্ষপ্রাচীন বটবৃক্ষের মতো।

প্রতিদিন সকাল হলেই নিজেকে দেখি এবং ভালোবেসে বলি, ‘ভালো থাকো শেলী, জীবন দোহন করে যা ই পাও, সানন্দে গ্রহণ করো, কোন প্রাপ্তিই পরিত্যাজ্য নয়’।

 

ছড়িয়ে দিন