মেয়ের লাশ দেখে দিলারা আহম্মেদ জলি কান্নায় ভেঙে পড়েন

প্রকাশিত: ১০:০৩ অপরাহ্ণ, মে ২৭, ২০১৮

মেয়ের লাশ দেখে দিলারা আহম্মেদ জলি কান্নায় ভেঙে পড়েন

পলি আক্তার রুবি

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাজিন আহমেদ (৪৫) চলে গেছেন না ফেরার দেশে। রাজধানীর উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি … রাজিউন)। তিনি মা’সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তাজিনের মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমে আসে মিডিয়া পাড়ায়। বিশেষ করে নাট্যাঙ্গনের তার সহকর্মীরা শুটিং বন্ধ রেখে তাকে শেষবারের মতো দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান। এ সময় হাসপাতালে ছুটে যান চিত্রনায়ক রিয়াজ, অভিনেতা রওনক হাসান, নির্মাতা বদরুল আনাম সৌদ, সকাল আহমেদ, অভিনেত্রী জেনীসহ অনেকে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, সকালের দিকে তাজিনের হার্ট অ্যাটাক হয়। এ সময় বাসায় তার সঙ্গে একজন মেকআপম্যান ছিলেন। ওই ব্যক্তি তাজিনকে প্রথমে রাজধানীর উত্তরার চীন-জাপান মৈত্রী হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসকরা অপারগ হলে বেলা আড়াইটার দিকে তাকে রিজেন্ট হাসপাতালে নেয়া হয়। তার অবস্থা খুবই মুমূর্ষু হওয়ায় তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। তার হার্ট চালু করার শেষ চেষ্টা হিসেবে ইলেকট্রিক শকও দেন চিকিৎসকরা। কিন্তু ফেরা হল না অভিনেত্রী তাজিনের। নিতে হল চির বিদায়।

১৯৭৫ সালের ৩০ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন তাজিন আহমেদ। তাজিন আহমেদের পৈত্রিক বাড়ি নোয়াখালী। তবে ছোটবেলায় বাবাকে হারানোয় পাবনায় সাঁথিয়া উপজেলার নানা বাড়িতে বেড়ে ওঠেন তিনি। এরপর কৈশোরে চলে আসেন ঢাকায়। মায়ের পৈতৃক বাড়ি ছিল পুরান ঢাকা ও আদাবরে। পুরাতন ঢাকা নানা বাড়ীতে বড় হয় তাজিন আহম্মেদ ।অভিনেত্রী তাজিন আহম্মেদ ইডেন কলেজ থেকে গ্রাজুয়েট শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর করেন । পড়ালেখা শেষে শখের বশে অভিনয় শুরু করেন, করেছেন সাংবাদিকতাও। টেলিভিশনের জন্য নাটকও লিখেছেন। ছিলেন মঞ্চকর্মীও। দাম্পত্য জীবনেও অসুখী ছিলেন তাজিন। প্রথম জীবনে তাজিন আহমেদ ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন নাট্য নির্মাতা এজাজ মুন্নাকে। কিন্তু সে সংসার খুব বেশিদিন টেকেনি। এরপর তিনি বিয়ে করেন একজন মিউজিশিয়ানকে। এই সংসারেও ঝামেলা ছিল। জীবন প্রদীপ নিভে যাবার আগে দ্বিতীয় স্বামীকেও কাছে পাননি।

তাজিন আহমেদ ভোরের কাগজ, প্রথম আলোসহ বিভিন্ন পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেছেন। আনন্দ ভুবন ম্যাগাজিনের কলামিস্টও ছিলেন তিনি। পরে মার্কেন্টাইল ব্যাংকে পাবলিক রিলেশন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
দিলারা ডলি রচিত ও শেখ নিয়ামত আলী পরিচালিত ‘শেষ দেখা শেষ নয়’ নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে অভিনয় জীবন শুরু করেন তাজিন। ১৯৯৬ সালে নাটকটি বিটিভিতে প্রচার হয়। ওই সময়ে বিটিভির দর্শকদের কাছে তুমুল জনপ্রিয় একটি নাম হয়ে উঠেন তাজিন। জাহিদ হাসান, আজিজুল হাকিম, আজাদ আবুল কালাম, তৌকির আহমেদ, টনি ডায়েসদের সঙ্গে জুটি বেঁধে নিয়মিত একের পর এক নাটকে অভিনয় করেন তাজিন। অসংখ্য নাটক-টেলিছবি দর্শকদের উপহার দিয়েছেন তিনি। হুমায়ূন আহমেদের নাটক ‘নীলচুড়ি’তে অভিনয় করেও বেশ আলোচিত হন তাজিন। তার সর্বশেষ অভিনীত ধারাবাহিক নাটক ‘বিদেশি পাড়া’। দীর্ঘদিন থিয়েটারেও অভিনয় করেছেন তাজিন। ‘নাট্যজন’ থিয়েটারের হয়ে বেশ কিছু নাটকে তিনি অভিনয় করেন। এরপর ‘আরণ্যক’ নাট্যদলের হয়ে ‘ময়ূর সিংহাসন’ নাটকে তাজিন কাজ করেন। এতে তিনি বলাকা চরিত্রে অভিনয় করেন। তার সর্বশেষ অভিনীত মঞ্চনাটক এটি। শুধু অভিনয়ে নয়, মডেলিং করেও নাম কুড়িয়েছিলেন তিনি। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে সাংবাদিকতার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন অভিনেত্রী তাজিন। তবে দীর্ঘদিন ধরে তিনি মিডিয়া থেকে দূরে ছিলেন। অভিনয়ের বাইরে লেখালেখির কাজেও যুক্ত ছিলেন তাজিন। লিখেছেন একাধিক নাটক। আর নিয়মিত মিডিয়ায় সময় দিতে না পারলেও উপস্থাপনায় ছিলেন বেশ দাপুটে। এনটিভিতে প্রচারিত ?‘টিফিনের ফাঁকে’ অনুষ্ঠানে টানা ১০ বছর উপস্থাপনা করেন তিনি। একাত্তর টিভিতেও ‘একাত্তরের সকালে’ হাজির হয়েছেন তিনি। রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে (এনডিএম) যোগ দিয়েছিলেন তাজিন আহমেদ। দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির বিভাগীয় সম্পাদক (সাংস্কৃতিক) পদে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। মা দিলারা জলির প্রোডাকশন হাউজ ছিল। মায়ের হাত ধরেই অভিনয় জগতে প্রবেশ তাজিন আহম্মেদের ।দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় উত্তরা একটা ভাড়া বাসায় একা বসবাস করে আসছিলেন তাজিন । চেক ডিজঅনার মামলায় দুই বছর ধরে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী আছেন তাজিন আহম্মেদের মা দিলারা আহম্মেদ জলি আর সেই মাকে অর্থের অভাবে নিয়মিত দেখতে যেতে পারতেন না এক সময়কার জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।,পাঁচশত টাকার অভাবে মায়ের জন্য খাবার কিনেও পাঠাতে পারতেন না তাজিন আহম্মেদ।গত ৩টা বছর ধরে কি অমানুষিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। আজ কত কত মানুষ ঐ মৃত মুখটা দেখতে আসছেন, কিন্তু জীবিত অবস্থায় যদি একবারের জন্যও এই মানুষগুলো পাশে দাঁড়াতো তাহলে অন্তত এভাবে নীরবে চলে যেতে হত না। পরপর ২টা চাকরি চলে গেল, কেউ ঐভাবে কাজেও ডাকতো না, মাঝে মাঝে ২ থেকে ৩ হাজার টাকার জন্য কত জনের কাছে হাত পেতেছেন, চাকরি জন্য কতো জনার কাছে গিয়েছেন কেউ পাশে দারায়নি, ৫০০ টাকা হলে মায়ের জন্য কারাগারে খাবার পাঠানো যায়, সেই টাকাটাও থাকতো না মাঝে মাঝে । যেতে যেতেই অভিমানে বিদায়। মরে গিয়ে বেঁচে গেলেন তাজিন আহম্মেদ ।একজন শিল্পির অপমৃত্যুর জন্য আমরাই দায়ী।গত তিন বছর ধরে অর্থনৈতিকভাবে খুব খারাপ অবস্থার মধ্যে ছিলেন তিনি। না ছিল চাকরি, না ছিল শুটিং। ধারণা করা হচ্ছে আর্থিক সঙ্কট, জেলবন্দী মা, স্বামীর সঙ্গে দূরত্ব, হয় কাজ না থাকা ইস্যুতে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন তাজিন।এরপর থেকেই এই অভিনেত্রীর জীবনের অর্থনৈতিক টানাপড়ান ছিল। তাজিন আহম্মেদের এ্যাজমা ছিল । স্বাসকষ্টে জন্য মাঝে মাঝে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হতো। টাকা অভাবে অনেক না খেয়ে ছিল আর মায়ের টেনশনে অসুস্থ হয়ে পরতো।
চেক জালিয়াতির মামলায় ২০১৬ সালের অক্টোবরে গ্রেপ্তার হয় তার মা তাকে প্রথমে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে, পরে কাশিমপুর মহিলা কারাগারে রাখা হয়। তাজিনের মা কারাগারে অসুস্থ হয়ে পরলে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে অনেক দিন রেখেছিল তাজিন আহম্মেদ মার যেনো কষ্ট না হয় পুলিশ পাহারায়। তাজিন আহম্মেদের মা কারাগারে যাওয়ার পর থেকে দ্বিতীয় স্বামি তাজিন আহম্মেদকে ছেড়ে চলে যায়। তাজিন আহম্মেদের দ্বিতীয় স্বামির বাসা ধানমন্ডি-৫ নম্বরে রুপায়ন টাওয়ার।
তাজিন আহম্মেদের পৈত্রিক বাড়ি নোয়াখালী । ঢাকায় দাদা বাড়ী ছিল তাজিন আহম্মেদের বাবার ও চার তলা বাড়ী ছিল। তাজিন আহম্মেদের মাকে ঠকিয়ে স্বাক্ষর নিয়ে বাবার চার তলা বাড়ি, দাদার চারতলা বাড়ি গ্রামের দাদার সব জমাজমি চাচা ফুফুদের নামে করে নেয় । তখন তাজিন আহাম্মেদের নানি মামলা করে কিছু টাকা পায় । তাজিন আহম্মেদ ছোট ছিল দেখে বাড়ি ফ্ল্যাট পাযনি কিছু টাকা পেয়েছিল ।তখন থেকে তাজিন আহম্মেদের চাচা ফুফুদের কাছ থেকে আলাদা হয়ে যায় । তাজিন আহম্মেদের মা আর তাজিন আহম্মেদ নানি বাড়ি থেকে মানুষ হতে থাকে। তাজিন আহম্মেদের মা বিসিআইসিতে চাকরি করতেন । তাজিন আহম্মেদের মা সাংবাদিক ছিলেন  ।  সাংবাদিক হয়েও দিনের পরর দিন জেল খেটেছেন  বিনা দোষে । তাজিন আহম্মেদের নানি মাকে আদাবরের বাড়িতে একটা ফ্ল্যাট লিখে দিয়ে যান । নানি মারা যাওয়ার পর তাজিন আহম্মেদ ও তার  মা নানির দেওয়া ফ্ল্যাটে থাকতো । তাজিন আহম্মেদের মাকে তিন চার জন ছেলে তার পিছনে ঘুর ঘুর করা শুরু করে আন্টি আমরা এক সাথে ব্যাবসা করতে পারি । তাজিন আহম্মেদের মা তাদের বিশ্বাস করে তাদের কথায় রাজি হয়ে যায় ।  ওই যুবকরা তার স্বাক্ষর নিয়ে তাজিন আহম্মেদের মার ফ্ল্যাটটি নিয়ে নেয় । আর ব্যাংক থেকে লোন লাগবে বলে  জানায় । ওরা বলে আপনার  ফ্ল্যাট বন্ধক  দিয়ে লোন নেন আমাদের তো কিছু নাই । তাজিন আহাম্মেদের মা লোন করে ওই ছেলেদের কাছ লোনের টাকা দেয় ওই ছেলে তিনটি লোনের টাকা সব নিয়ে চলে যায় আর তাজিন আহম্মেদের মার সাথে দেখা করে না । ওদের দেখা করতে বলে তিন মাস পর ওদের নামে রেজিস্টার কাগজ দেখায় । আর তাজিন আহম্মেদের মাকে তার নিজের ফ্ল্যাট থেকে বের করে দেয়। তখন তাজিনের আহম্মেদের মা মামলা করবে বলে । ওই যুবকরা তাজিন আহম্মেদের মার নামে কোটে মামলা করে । ব্যাংকের কিস্তির টাকা জমে যায় ব্যাংক চাপ দিতে থাকে টাকা দিতে কি আর করবে চেক দিয়ে বলে আমি টাকার ব্যবস্থা করছি কিন্তু টাকা  জোগাড়  করতে পারেনি । ওই যুবকরা কোটে মামলা করায় কোট তাজিন আহম্মেদের মাকে তলব করে । ওই যুবকরা মোটা অংকের টাকা দিয়ে তাজিন আহম্মেদের মাকে জেলে পাঠায় । তখন আর তাজিন আহম্মেদের মার আর কিছু করার ছিলনা । এর মধ্যে ব্যাংক চেক জালিয়াতি মামলা দেয় । মামলায় সাজাও দেয় । আড়াই বছরের সাজা খাটতে থাকে অন্য মামলায় আরো সাজা হয় । ২০১৮ সালের মাচ মাসের ২২তারিখ বে্র হওয়ার কথা ছিল । কিন্তু দেখে অন্য মামলার সাজা আছে । কি আর করবে আগামি মাসে জুনের ২২তারিখ বেড় হওয়ার কথা । আরো দুইটি মামলা আছে তাজিন আহম্মেদের মার নামে।তাজিন আহম্মেদের মা দিলারা আহম্মেদ জলি ছোট সময় পড়ালেখা করতো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে । তাজিন আহম্মেদের মাকে ক্লাশে সকলে (পেন্টিন বক্স) নামে ডাকতো । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (পেন্টিন বক্স)নামে চিনতো বলে তাজিন আহম্মেদের মা জানায়। অনেক সুন্দরি তাজিন আহম্মেদের মা ।তাজিন আহম্মেদ বিপদের সময় বাবার বাড়ীর মায়ের বাড়ীর সকল আত্মীয় সজনের কাছ গিয়েছে কেউ তাকে যায়গা দেযনায় টাকা পয়সা দিয়েও সাহায্য সহযোগিতা করেনি। আর দুর দুর করে তারিয়ে দিয়েছে। আর তার শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে ও গিয়েছে তারাও কোনো সহযোগিতা করেনি। সকলে দুরে চলে গেছে, তাজিন আহম্মেদ উত্তরা ১০ সেক্টর, রোডঃ-১০, বাসাঃ- ২০, ফ্ল্যাটঃ-B1, বিল্ডিং নাম এ্যাসেট। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি তার বান্ধবির পাশে দারাবে না আর তার এই করুন কাহিনীর জন্য যারা দায়ী তাদের শাস্তী দেবে না ।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. জাহাঙ্গীর কবির জানান, ঢাকার জজ আদালতে চেক জালিয়াতির চারটি মামলায় ৬২ বছর বয়সী দিলারা আহম্মেদ জলির দুইটা মামলায় সাজা হয় একটায় আড়াই বছর আর একটায় এক বছর আর ও দুইটা মামলা বিচারধিন আছে। ২০১৮ সালের ২২জুন তার সম্ভাব্য মুক্তির দিন। কাশিমপুর কেন্দ্রীয় নারী কারাগারের জেলার সালমা বেগম জানান, বুধবার সকাল ৮টার দিকে তাজিন আহমেদের লাশবাহী গাড়ি কারাগারের ফটকে আসে। দিলারা আহম্মেদ জলি ওই কারাগারেই গত দুই বছর ধরে বন্দি। সালমা বেগম বলেন, “কারা কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে লাশবাহী গাড়ি কারাগারের ফটকে নিয়ে আসা হয়। সেখানে মেয়ের লাশ দেখে দিলারা আহম্মেদ জলি কান্নায় ভেঙে পড়েন । ”গত শতকের ৯০ এর দশকের মাঝামাঝিতে টিভি অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিতি পাওয়া তাজিন আহম্মেদ পরে উপস্থাপক হিসেবেও সুনাম কুড়ান। মাত্র ৪৫ বছর বয়সে তার এই মৃত্যু মানতে পারছেন না তার সহকর্মীরা। গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকেই মেয়েকে শেষ বিদায় জানালেন অভিনেত্রী তাজিন আহমেদের মা দিলারা আহম্মেদ জলির । কাশিমপুর কারাগার থেকে তাজিনের মরদেহ ঢাকায় গুলশানের আজাদ মসজিদে নিয়ে আসা হয়। সেখানে জানাজা শেষে বিকালে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তার দাফন হয়।

Email: ruby.hafiz2008@gmail.com