‘সন্ত্রাসবাদ’ – একটি আদর্শিক রোগ

প্রকাশিত: ১০:১৮ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১৫, ২০১৭

‘সন্ত্রাসবাদ’ – একটি আদর্শিক রোগ

‘হাসিদা মুন 

সন্ত্রাসবাদ’ – একটি আদর্শিক রোগ ।

কোন সাম্প্রদায়িক দলের অথবা নিজের হৃদয় ও মন জয় করার লড়াইতে নামা – একপ্রকার উদ্ভ্রান্ত লড়াকুপনা ।
সোজা চোখে দেখায় , মন ও মগজে ভর করা – বিষক্রিয়া ।

মানসিক গবেষনায় জানা যায় , সন্ত্রাসবাদ দুই পক্ষের মধ্যে একটি গতিশীল পারস্পরিক দ্বন্দ্ব রূপক কিছু কল্পচিত্র এদের মনে স্পষ্টভাবে জড়িত । যার প্রেক্ষাপটে দ্বিপাক্ষিক কিছুদৃশ্য ও মতামত থেকে থাকে ।
এবং ধারণা করা হয় যে , এই বিরোধপূর্ণ মনোভাবে দলের সদস্যদের মধ্যে ইতিবাচক পরিচিতি তৈরি করে নিয়ে অপর পক্ষের সাথে তাদের পার্থক্য ও দ্বন্দ্বের সমাধান করতে বা সাহায্য করতে পারবে বলে মনে করেই সন্ত্রাসে নেমে পড়ে ।
এখনো কোনো মানসিক তদন্তকালে দেখা যায় অন্য কোন চ্যালেঞ্জ নিয়ে
সন্ত্রাসীর মন যে কোন সন্ত্রাসী গ্রুপের সাধারণত ‘প্রধান পুরোহিত বা পৌরোহিত্য সংক্রান্ত’ প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্র খুঁজে পাওয়া যায় , যাদের বিভিন্ন ভূমিকার সঙ্গে যে অনুক্রমের প্রতিটি স্তরের মধ্যে কোন একটা উৎস কিংবা বিষয়ভুক্ত সম্পর্ক থাকে ।
যেমন সামাজিক মানসিক হস্তক্ষে্পে , মানসিকতা প্রস্তুত করে নেয় – ‘ওদের বিরুদ্ধে আমাদের’ – এই টাইপের একটি মনোভাব ।
অনেকসময় দেশ কাল ভেদে এমনকি বিশ্বব্যাপী বৈপরীত্যের রূপক হিসেবেও বোঝানো হয় । যা কিনা কোন সামরিক কর্মে প্রকাশ্য শত্রুদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা উচিত । লক্ষ্য করলে বোঝা যায়
এ যেন – শুধুমাত্র একপেশে দ্বন্দ্ব জয় !

“একজন মানুষের সন্ত্রাসীরূপ সাজে – এক অন্যরকম মুক্তিযোদ্ধা”
সন্ত্রাসী / টেররিস্টের আচরণের ভিত্তিতে যে সংজ্ঞা পাওয়া যায় , তা হচ্ছে –
ক্ষেত্র ও ঐকমত্যের অভাবে কিছুটা আচরণ ,দৃষ্টিকোণ জনিত বিষমসত্ত্বতা যা
ঘোষিত কোন নির্দিষ্ট ধারণা ও প্রেরণার বিভিন্ন প্রশ্ন সম্বলিত সমস্যার সমাধানে – জর্জরিত মানব ওরফে ‘সন্ত্রাসী’ ।
‘সন্ত্রাসবাদ’ একটি রাজনৈতিক সমস্যাও বহন করতে পারে , অনেকক্ষেত্রে মানুষের সাম্প্রদায়িক আচরণেও একরকমের বুনিয়াদী হয় , এছাড়া সত্যে তথ্যের জন্য আহরণ , রাজনৈতিক মনস্তাত্ত্বিক তত্ত্ব উপদেশ দিতে চায়- একটি ভালো সন্ত্রাসী মন ।উপদেশমূলক কাজের কোন উদ্ভাবনের যথাযথ শিকড় বুঝতে পেরে দলের নীতি বিকশিত করতে পারবে আশা করেই সে অথবা তাদের দল , একক কিংবা নির্দিষ্ট কোন গ্রুপ , এমনটাই ভেবে নিয়ে আগুয়ান হয় ।

গুরুত্বপূর্ণভাবে বিশ্লেষণ করলে বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদ’ দেখা যায় –
ক/ সামাজিক বিপ্লবী সন্ত্রাসবাদ
খ / রাজনৈতিক সন্ত্রাসবাদ
গ / ডানপন্থী সন্ত্রাসবাদ
ঘ / জাতীয়তাবাদী-বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাস
ঙ / ধর্মীয় চরমপন্থী সন্ত্রাসবাদ
চ / একক ইস্যু – অধিকার সন্ত্রাস, প্রস্তাব টাইপের
এসব ইস্যুতে সন্ত্রাসীরা নিজস্ব সামাজিক-মনস্তাত্ত্বিক গতিবিধির সঙ্গে যুক্ত হতে থাকে ক্রমাগত ।

শব্দ এবং ধারণার জন্য আমরা যখন ‘সন্ত্রাসবাদ’ ও সন্ত্রাসী ‘ শব্দটা আলোচনা করি , ব্যবহার লব্ধ সন্ত্রাস’ শব্দ নিজেই পারে দেশ, জনসংখ্যা ও ব্যক্তি আচরণে জন্য গভীর প্রভাব ফেলতে । সন্ত্রাসদমন – সন্ত্রাসবিরোধী শব্দ নিয়েও আলোচনা করার সময় তাঁদের ব্যবহার কিভাবে দেশ , জনসংখ্যা ও ব্যক্তি আচরণে গভীর প্রভাব ফেলতে সক্ষম তাও বুঝে নেয়া যায় ।

সন্ত্রাসবাদের উপাদান –
——————————–
শব্দ এবং ধারণা – ‘ সন্ত্রাসবাদ ‘ এই মতবাদের প্রেক্ষিতে সাধারণত
দুই সাধারণ উপাদান দেখা যায় –
সমসাময়িক সংজ্ঞা অনুযায়ী –
১) কোন সন্ত্রাসবাদ – নিরস্ত্র মানুষের বিরুদ্ধে আগ্রাসন জড়িত একটি দল বা জনগোষ্ঠী ২ ) কোন ব্যক্তি নিজেই সন্ত্রাসী কর্ম করে যায় ।
তথাপী নিজেকে এরা ‘অপরাধী’ হিসেবে আশা করেনা ।

কোন না কোন রাজনৈতিক লক্ষ্য থাকে এসবের পরিবর্তনের লক্ষমাত্রায়।
এমন কাজে প্রভাবিত করার জন্য যে পরিবর্তন তা প্রায়শ – একক বনাম সাম্প্রদায়িক বনাম বহুজাতিক হয়ে থাকে ।
* আধাসামরিক বনাম সামরিক
** অসামরিক বনাম ধর্মীয়পন্থী
*** ধর্মনিরপেক্ষ বনাম উদ্যোক্তা আদর্শবাদী
***** বামপন্থী সমাজতান্ত্রিক বনাম দক্ষিণপন্থী
****** ফ্যাসিস্ট বনাম নৈরাজ্যবাদী
******* নেতা’ ব্যবস্থা বনাম অনুসরণকারী দল
******** জনগণ বনাম আত্মঘাতী জনগণ
ব্যক্তি বনাম জনগণের বিপক্ষে গিয়ে – তাঁদেরকে বোমার আঘাতে, হত্যা, জিম্মি গ্রহণ করে এসব সন্ত্রাসীরা কার্যক্রম ঘটিয়ে থাকে ।

সন্ত্রাসী কেন এমন করে ?
—————————————
উত্তরে বলা যায় –
১)
সন্ত্রাসী’ সহসা দলীয় ব্যক্তিদের আকৃষ্ট করতে পারে ।
যারা সম্ভবত কারণ অঘোরে বিভিন্ন মানসিক কারণে তাদের ভূমিকা পালন করে।
# ধর্মীয় বিদ্বেষ – মশীহ বিভ্রম (আধ্যাত্মিক মতবাদের বিরুদ্ধতা )
# বীরত্বপূর্ণ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ‘ রাতারাতি – নেতা’ হবার আকাংখা ।
# বৃহৎ এক কল্যাণকর দলের প্রশ্নে সহযোগিতার প্রস্তাব বিবেচনা করা কল্যাণময় উদ্দেশ্য বস্তুত এই ধারণার সারাংশে – নিঃস্বার্থ স্বর্গীয় মৃত্যু লাভ করা ।
# মৌলবাদী সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণ ও বীরত্ব প্রকাশের অন্ধ মোহ ।

২)
সাধারণত মনোব্যাধি বোঝাতে যদিও মানসিক অস্থিরতাকেও ‘রূগ্ন মনোব্যাধি’ ডাকা হয়েছে ।
অন্যদের অধিকারের জন্য অসম্মানজনক তথাপি সংজ্ঞার উল্লেখযোগ্য দিকের এখতিয়ারভুক্ত সাপেক্ষে আধুনিক পাশ্চাত্য মনোরোগবিদ্যার প্রাপ্তবয়স্ক আচরণগত রোগ শনাক্ত অসুস্থতায় -এই ধরনের সিজোফ্রেনিয়া বা প্রধান বিষন্নতা’ দ্বিতীয় অক্ষের অসুস্থতা বোঝায় ।
ব্যক্তিত্ব রোগ-যেমন অসামাজিক পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার (APD) হিসাবে (আমেরিকান
সাইকিয়াট্রিক এসোসিয়েশন 2000)
ব্যক্তি সন্ত্রাসী – কদাচিৎ বাতুলতা মনোরোগের মানদণ্ড পূরণ করে , এদের নেতা’ অনুতাপহীন ব্যক্তিত্ব ধরনের, মানসিক অস্থিরতা রূগ্ন ব্যাধি বা সাইকোপ্যাঁথি , সোসিওপ্যাথি – একঘরে’ হয়ে যারা কারো সঙ্গে ঐক্যহীন মূল্যবোধের একটি অস্বাভাবিক পরিকল্পনা মেনে চলে ।
যে সমাজের এবং বাকি একটি দল রয়েছে এদের মৌলিক চরিত্রগত পরিচয়
উভয় মানসিক এবং সন্ত্রাসী ।

৩ )
এই পন্থা পারস্পরিক একচেটিয়া নয় – বস্তুত, মূলদ যেমন পন্থা ,পছন্দ অপছন্দ তত্ত্ব ।
আপেক্ষিক বঞ্চনা / নিপীড়নও এই পয়েন্ট একত্রিত হয় । সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে হেরে আবার ভয় , সংকোচ ও শঙ্কাযুক্ত জীবন । এসবের মুক্তিলাভে এক মোহময় ঘোরের ভিতরে ঘুরে ফেরে এমন কিছু মানসিক ব্যক্তিত্ব সন্ত্রাসী হয়ে ওঠে ।

৪ )
নৈতিক ভাবাদর্শ অভাব । সন্তান সঠিকভাবে ভাবাদর্শ / আইডিওলজী ‘ গ্রহণে অক্ষম । ব্যক্তিত্ব বিকাশে পিতামাতার প্রতি সঠিক মূল্যবোধ গড়ে ওঠেনি তাদের ত্রুটিযুক্ত জীবনযাত্রা দেখে । এ কাজেই আধুনিক জীবনকে উপেক্ষা করে । সামাজিক কল্যাণের জন্য তাদের জীবনের ঝুঁকি হিসেবে গণ্য করে নেয় , আধুনিক
বংশোদ্ভুত সমাজে আক্রমণ করে থাকে ।

৫)
শিক্ষণ প্রক্রিয়ায় বিভ্রান্তি বা ভুল শিক্ষণ । পয়গম্বর ও সৃষ্টিকর্তার পৃষ্ঠপোষক হিসাবে আবিস্কার করে নিজেকে । সমসাময়িক জ্ঞানের অপ্রতুলতা , ভুল তথ্য তত্ত্বে আবেশিত হয়ে ভ্রান্তির ভিতরে থেকে হিংস্র মনোবৃত্তির হয়ে ওঠে । সঠিক আচরণ উপস্থাপন , প্রমাণ ও পরিমাণগত সাহিত্য থেকে বিদ্যমান
সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শিখে নেয় , এমনকি যারা ব্যর্থ হয় ও মারা যায়, তাদের আত্মীয়স্বজন উপকৃত হতে পারে এমন অমুলক ধারণা লাভ করে থাকে ।

এ সমস্যার সমাধান –

যে কোন কারণ আসলেই সমস্যা নয় – যদি ইস্যুটি গোড়া থেকেই মানুষকে সে সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান দিয়ে স্বচ্ছ নির্দেশনা দান করা যায় ।

পরিবার ও বিদ্যাপীঠ শিশুর আশ্রয়কেন্দ্র ।
প্রথমেই উল্লেখ করা হয়েছে এটি ‘আদর্শিক রোগ’ ।
পরিবার থেকেই শিশু ‘আদর্শ ‘ গ্রহণ করে বেড়ে ওঠে সবুজ লতার মতো সেটা জড়িয়ে ধরে । ছেলে শিশুরা বাবা’কে দেখে আরেকটা বাবা’ হতে চায় ।
মেয়ে’ শিশুরা আরেকটা ভবিষ্যতের মা’ । এই বাবা কিংবা মায়ের নৈতিক আদর্শ যদি ঠিকমত না গ্রহণ করতে পারে সেক্ষেত্রে দ্বিধা দ্বন্দ্বে ভুগে বিপথে যায় । প্রদর্শনমূলক আচরণ নয় , শিশুরা সব বোঝে – তাঁদের সামনে সঠিক পথের সন্ধান , সুস্থ ,অকপট ‘আদর্শ ‘ তুলে ধরতে হবে ।
এই সমস্ত পরিবেশে পিতামাতা বা অভিভাবকের প্রধান কাজ সন্তানকে যুগ , সময় , অঞ্চল ভেদে প্রয়োজনীয় শিক্ষা দান করা । জগত ও জীবন আপনের স্বচ্ছ , সাবলীল , নৈতিক শিক্ষা দান করে সুশিক্ষিত করে তোলা ।
বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে একটা বন্ধু বলয় / peer groups’ ঠিক করে দিতে হবে যেন মন মানসিকতায় তারা সমান পর্যায়ের হয়ে থাকে । এই বন্ধু বলয়’ সমৃদ্ধ হলে জীবনের প্রতি অধ্যায়ে বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা ও অনুষঙ্গ পেয়ে থাকবে তারা । এক বন্ধু’ অপরকে বিপথ থেকে বাঁচাবে । বয়ঃসন্ধির সময় বন্ধুরাই সবচে’ আপনলোক’ হয়ে থাকে । এক্ষেত্রেও জোরাজুরি করা উচিত নয় । শুধু খেয়াল রাখতে হবে , কোথায় যাচ্ছে , কি করছে তাঁরা ?
মনে রাখতে হবে অতি শাসন এবং অতি স্বাধীনতা ব্যক্তিত্ব ‘ নষ্ট করে দেয় ।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে – বিষয় ভিত্তিক শিক্ষার বাইরেই কারগরি শিক্ষা , খেলাধুলা , চিত্রাঙ্কন , ব্যায়াম , সাঁতার শিক্ষা , ক্রীড়া শিক্ষা , , বিতর্ক প্রতিযোগীতা এবং দর্শনীয় স্থানে ভ্রমণ ও বিনোদনে ব্যস্ত রাখা । যেন শিক্ষার্থীর মনোযোগ আকৃষ্ট হয় এবং সুন্দর সাবলীল হয়ে বেড়ে ওঠে । কোন রকম বিষণ্ণতায় ভুগলে শিক্ষার্থী মনোযোগ হারিয়ে বিদ্যাপীঠ ত্যাগ করে সন্ত্রাসের দলে ভেড়ে ।
দুর্বল মেধার শিক্ষার্থীকে হাতের কাজ , কুটীরশিল্প , বাঁশ – বেতেরকাজ , কাপড় তৈরি , বিভিন্ন যন্ত্রের মেরামত, ইলেকট্রিকের কাজ শেখানো যেতে পারে । সমানে পাল্লা দিতে না পারলে তাঁদের ভিতরে হীনমন্যতা সৃষ্টি হয় যার পরিনামে বিদ্যাপীঠ ত্যাগ করে এবং ভয়াবহ সন্ত্রাসের খাতায় নাম তোলে ।

*** সরকার ও আইনগত সংস্থার কাজ ।
————————————————–
– সন্ত্রাসবাদের মানসিক ঘাঁটি নির্ণয় করা । কোন এলাকায় কি ইস্যু নিয়ে মতভেদ হচ্ছে , খেয়াল রাখা ।
– যে মনোসামাজিক তথ্য সন্ত্রাসীদের বর্ণনায় এ ধারণার উদ্ভূত হয়েছে তার শিকড় খুঁতিয়ে দেখা । কারা এবং কি উদ্দেশ্য নিয়ে বাড়ছে ?
– এই ক্ষেত্রের মধ্যে তদন্ত করার সীমা এবং উপাত্ত কি পর্যায়ে আছে , সেখানে কোন অন্য নিয়ন্ত্রণ’ কাজ করছে কিনা ?
এসব কাজে উদ্ভুত বাধাগুলো সংজ্ঞায়িত করে নিয়ন্ত্রণের পরিধি নির্ধারণ করে দেয়া ।
কার্যকরভাবে এই সন্ত্রাসবাদের বৈধ ধারণা এবং উদ্দেশ্য গবেষণা কি শান্তিপূর্ণ সামাজিক প্রেক্ষাপট দ্বারা সমর্থিত?
একটি ব্যাপক সমসাময়িক প্রেক্ষাপটের সঠিক পর্যালোচনা , প্রস্তাবিত নিয়মানুগ পাণ্ডিত্যপূর্ণ তদন্তের অভাব থাকে ঘটমান সন্ত্রাস কর্ম ঘটে যাবার পিছনে ।
বাম নীতি নির্ধারক তথ্য সুবিধা ছাড়া কোন কৌশল তথা নকশা তৈরি করতে পারেনা সন্ত্রাসী আচরণ-বা খারাপ সন্ত্রাসী মন ।
সন্ত্রাসবিরোধী তাত্ত্বিক অনুমান দ্বারা পরিচালিত – উৎপত্তি সংক্রান্ত তথ্য’ প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে নির্দিষ্ট এলাকার ভিত্তিতে ।
সন্ত্রাসের ঘাঁটি উম্মোচনের জন্য আধুনিক রাজনৈতিক মনোভাবের সম্ভাব্য ঐকান্তিক ইচ্ছা বাস্তবে পরিণত করার দিকে প্রয়োগ করা দরকার ।

সন্ত্রাসী আগ্রাসন যুগে যুগে নিশ্চিহ্ন করে গেছে মানুষের ঐতিহ্য আর সুখ শান্তিময় জীবন । সন্ত্রাসবিরোধী নীতির নকশা পর্যালোচনা করে ।যেমন -পাক্ষিক পর্যালোচনা নিবন্ধ, বই এবং সন্ত্রাসবাদের মনোসামাজিক দিক, অধ্যায়, সংবাদ প্রতিবেদন, এবং সন্ত্রাসবাদ বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে ব্যক্তিগত যোগাযোগ বিশ্লেষণ করে পাণ্ডিত্যপূর্ণ নিবন্ধ নিম্নলিখিত শব্দটি সন্ত্রাসবাদের চিহ্ন মুছে দেবার জন্য অনুসন্ধান করে চিহ্নিত করা হয়েছে যা কিনা দেশের জনগণ একমত হয়ে তা খুঁতিয়ে খুঁতিয়ে দেখুক ।
এক বা একক কোন সংগঠনের কাজ এ নয় ।
তবে একজনের অধঃপতন ডেকে আনে – সমগ্র মানব সম্প্রদায়ের পরাজয় !

ছড়িয়ে দিন