সমৃদ্ধির সুফল প্রতিঘরে পৌঁছুতে সবচেয়ে কার্যকর পথ সমাজতন্ত্র

প্রকাশিত: ৫:৫২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৯, ২০১৭

সমৃদ্ধির সুফল প্রতিঘরে পৌঁছুতে সবচেয়ে কার্যকর পথ সমাজতন্ত্র

কামরুজ্জামান হিমু

সমাজতন্ত্রকে শান্তি ও উন্নয়নের সুফল ঘরে ঘরে পৌঁছুতে সবচেয়ে কার্যকর চেতনা বলে বর্ণনা করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

রোববার বিকেলে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা প্রশিক্ষক ও বলিষ্ঠ সমাজতান্ত্রিক নেতা আ ফ ম মাহবুবুল হকের শোকসভায় মন্ত্রী বলেন, সমাজতন্ত্র যেমন চাষী-শ্রমিক-মজুরদের গণতন্ত্রে অংশ নিতে শেখায়, তেমনি জংগিবাদ, দুর্নীতি ও বৈষম্য দূর করার সংগ্রামকেও এগিয়ে নেয়। তাই সমৃদ্ধির সুফল প্রতিঘরে পৌঁছুতে এটি সবচেয়ে কার্যকর পথ।

একারণেই সংবিধানে সমাজতন্ত্র জাতীয় চার মূলনীতির অন্তর্ভূক্ত, বলেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আ ফ ম মাহবুবুল হক ছিলেন সমাজতন্ত্রের লক্ষ্য সামনে রেখে মুক্তিযুদ্ধসহ সকল জাতীয় ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামে অংশ নেবার মৃত্যুঞ্জয়ী উদাহরণ। রাজনীতিতে তার আপসহীন লড়াই এ দেশের বামপন্থী নেতাদের পথ দেখাবে।

বাসদ সভাপতি আ স ম আব্দুর রবসহ বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, সমাজতান্ত্রিক রাজনীতিক ও গবেষকগণ সভায় হৃদয়গ্রাহী বক্তব্য রাখেন।

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের আ ফ ম মাহবুবুল হক গত ১০ নভেম্বর কানাডার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। ১৯৬৭-৬৮ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ সূর্য সেন হল শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৬৮-৬৯ সালে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য, ১৯৬৯-৭০ সালে কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে বিএলএফ’র অন্যতম প্রশিক্ষক ও পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ১৯৭৩-৭৮ পর্যন্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরে ১৯৭৮-৮০ সালে জাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ১৯৮০ সালের শেষের দিকে বাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হন। ১৯৮৩ সালে বাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক নিযুক্ত হন।

ছড়িয়ে দিন