সাপাহার রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর রফিকুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দূর্ণীতির অভিযোগ

প্রকাশিত: ৩:০৪ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৬, ২০২৩

সাপাহার রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর রফিকুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দূর্ণীতির অভিযোগ

মাহমুদুন্নবী, পত্নীতলা ( নওগাঁ ) প্রতিনিধি:

চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি ( টিআইডিপি৪)  এর আওতায় ২০২৩-২৪  অর্থবছরে ইউআরসি/ টিআরসিতে ৩ দিন ব্যাপি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য শিক্ষাক্রম বিস্তরণ প্রশিক্ষণ সারা দেশের মতো নওগাঁর পত্নীতলাতেও শুরু হয়। এই প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষকদের ( শিক্ষক ) জন্য বরাদ্দকৃত বাজেট থেকে মোটা অংকের টাকা বাঁচিয়ে নিন্মমানের প্রশিক্ষণ উপকরণ প্রদান ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে তৃতীয় ব্যাচের প্রশিক্ষণে অনপুস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে সাপাহার উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর মো: রফিকুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে।

আর ডি পি পি এর বাজেট থেকে জানা যায়, প্রতিটি প্রশিক্ষণে দুই জন করে ট্রেনার থাকবে। সে অনুযায়ী তৃতীয় ব্যাচে থাকার কথা ছিলো ইন্সট্রাক্টর মো: রফিকুল ইসলামের। হঠাৎ করে তাকে প্রশিক্ষনের দিন থেকে পাওয়া যাচ্ছেনা। তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি অসুস্থ বলে জানান। যার ফলে অপর আর এক ট্রেনার সাপাহার উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার অসিম কুমার সাহা তার উদ্ধোতন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে সেখানে অন্য আরো একজন ট্রেনার দেওয়া হয়। কিন্তু সেই ট্রেনারের প্রস্তার প্রত্যাক্ষাণ করেন ইন্সট্রেক্টর রফিকুল ইসলাম। এছাড়াও প্রতি প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য তথ্যপত্র, একটি কলম, একটি প্যাড, নেম কার্ড এর জন্য বারাদ্দ ৫০০ টাকা ও প্রতি প্রশিক্ষণার্থী একটি করে ব্যাগ বাবদ ৫০০ টাকা বরাদ্দ। প্রশিক্ষণ হবে মোট ২০ টি। যেখানে প্রশিক্ষণার্থী থাকবে প্রতি ব্যাচে ৩০ জন করে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রেস থেকে ছাপানো একটি তথ্যপত্র যার মূল সর্বোচ্চ ১০০-১২০ টাকা, একটি ১৫/২০ টাকা মূল্যের কলম, একটি নেম কার্ড খরচ ১০ টাকা, একটি ২০/৩০ টাকা মূল্যের প্যাড এবং প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য একটি করে ব্যাগ যার বাজার মূল্য আনুমানিক ( সর্বোচ্চ ) ৩০০ টাকা। যা সর্বমোট গিয়ে দাঁড়াই ৪৬৫- ৪৫০ টাকা। কিন্তু এসব বাবদ বরাদ্দ আছে ১০০০ ( এক হাজার ) টাকা। তাহলে স্বাভাবিক ভাবেই প্রতি প্রশিক্ষণার্থীর বাজেট থেকে গায়েব করা হচ্ছে ৫৪০-৫৪৫ টাকা। ২০ ব্যাচে মোট প্রশিক্ষণার্থী  থাকবে স্বাভাবিক ভাবেই ৬০০ জন। যাদের ( প্রশিক্ষণার্থী ) বাজেট থেকে গায়েব করা হবে প্রায়  ৩ লক্ষ টাকা। ইতোমধ্যে ২ টি ব্যাচের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে।

এবিষয়ে সাপাহার উপজেলার সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা অসিম কুমার সাহা বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী আামরা শিক্ষকদের চিঠি দিয়ে প্রশিক্ষণ সেন্টারে উপস্থিত করাই। আজ প্রশিক্ষক হিসাবে ছিলাম আমি ও ইন্সট্রেক্টর মো: রফিকুল ইসলাম। সময় মতো প্রশিক্ষণ সেন্টারে পৌঁছালেও  ইন্সট্রাক্টর মো: রফিকুল ইসলাম আসেন না। পরবর্তী তে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অসুস্থ বলে দাবি করেন। তাৎক্ষণিক ভাবে আমি আমার সিনিয়র কর্মকর্তাকে জানাই এবং তারা আমার সাথে নতুন এক ট্রেনার দেন যেখানে বাধা প্রদান করেন ইন্সট্রেক্টর রফিকুল ইসলাম।
এবিষয়ে অভিযুক্ত সাপাহার উপজেলার রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর মো: রফিকুল ইসলাম এর সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

লাইভ রেডিও

Calendar

March 2024
S M T W T F S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31