হিংসা ও বিদ্বেষ থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে :পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১১:৫৮ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৭, ২০১৯

হিংসা ও বিদ্বেষ থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে :পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন বলেছেন,ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে সহনশীল মানসিকতা সৃষ্টি করতে হবে। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে হামলার কারণ হলো পারস্পরিক হিংসা ও বিদ্বেষ। এ সংস্কৃতি থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসরণ করেই বাংলাদেশ পৃথিবীতে শান্তির সংস্কৃতি সৃষ্টি করবে । পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্ব দিবে।
আজ বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ স্টাডি ট্রাস্টের সভাপতি ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাবেক রাষ্ট্রদূত এ. কে. এম আতিকুর রহমান।
বাংলাদেশ স্টাডি ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল হাসান খান, সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহবায়ক পীযুষ বন্দোপাধ্যায়, সাবেক সচিব নাসির উদ্দিন, শহিদ সন্তান ডা. নুজহাত চৌধুরী ও ডিক্যাবের সাধারণ সম্পাদক ডা. নুরুল ইসলাম হাসিব।

ড. মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সেমিনার, ওয়ার্কশপসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এতে বঙ্গবন্ধু ও ইতিহাস সম্বন্ধে সকলে জানতে পারবে এবং আমরা সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা নিজেদের উন্নত করতে পারব।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি প্রবাসী ও গুণী ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করা হবে বলে উল্লেখ করে তিনি এ ক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
এছাড়া তিনি বলেন, প্রবাসীদের হয়রানি ও লাগেজ চুরি বন্ধে বাংলাদেশের বিমান বন্দরে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও মনিটরিং করা হবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের গণহত্যা সম্পর্কে বিদেশীদের জানানো ও তাদের স্বীকৃতি আদায়ের জন্য রাষ্ট্রীয় অীতথি ভবন সুগন্ধায় গণহত্যার ছবি সম্বলিত একটি রুম স্থাপনের চিন্তা করছে সরকার।