অনলাইন ডেস্ক:
শীতের রুক্ষতাকে বিদায় জানিয়ে ফুলে ফুলে সেজে উঠতে ব্যস্ত প্রকৃতি। প্রকৃতিতে ফাল্গুনের হাওয়া, বাতাসে বসন্তের উন্মাদনা। ঋতুরাজকে স্বাগত জানাতে প্রকৃতি সেজেছে বর্ণিল সাজে। গাছে গাছে পলাশ আর শিমুলের মেলা। প্রকৃতিও আগুন রাঙা ভালোবাসার রঙে নিজেকে রাঙিয়ে নিয়েছে। সব মিলিয়ে প্রকৃতি জানান দিচ্ছে আজ পহেলা ফাল্গুন।
ফাগুনের মাতাল হাওয়ায় ভেসে আসা ফুলের গন্ধ প্রকৃতি জানান দেয় ‘বসন্ত’ এসে গেছে। ছয় ঋতুর মধ্যে বসন্ত প্রেম ও ভালোবাসার জন্য একটু বেশিই রোমান্টিক। কারণ ফাল্গুনের প্রথম দিন বিশ্ব ভালোবাসা দিবস হওয়ায় বসন্ত উৎসব মিশে যায় ভালোবাসার রঙে। দিনটিতে রঙিন শাড়ি, কাচের চুড়ি, কপালে টিপ, ঠোঁটে লিপস্টিক ও মাথায় ফুল গুঁজা তরুণী এবং গোলাপ হাতে রঙিন পাঞ্জাবি পরাসহ রঙিন সাজে তরুণ-বৃদ্ধ সবাই পদাচারণায় মুখর থাকে শহর গ্রামের পথ।
আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) পহেলা ফাল্গুন। দিনটির উদযাপন উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন জায়গায় নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় বসন্ত উৎসব হলেও এবার আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের উন্মুক্ত চত্বরে এই উৎসবের আয়োজন করেছে জাতীয় বসন্ত উৎসব উদ্যাপন পরিষদ।
শনিবার কাল সকাল সাড়ে ৭টায় বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের শিক্ষার্থীদের সমবেত যন্ত্র ও কণ্ঠসংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা হবে।

নৃত্য, একক ও দলীয় সংগীত, শিশু-কিশোর, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিল্পীদের পরিবেশনা ছাড়াও বসন্ত কথন পর্ব, প্রীতি বন্ধনী ও আবির বিনিময় পর্বও থাকবে উৎসবে।
এ ছাড়া উৎসবে দলীয় সংগীতে অংশ নেবে রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, বহ্নিশিখা, সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী, সুরবিহার, পঞ্চভাস্কর, বুলবুল ললিতকলা একাডেমি, সুরতীর্থ ও কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর। একক ও দলীয় নৃত্য ছাড়াও আবৃত্তি পর্বও থাকবে।

প্রসঙ্গত, ১৯৯১ সালে প্রথমবারের মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ ফাল্গুনের প্রথম দিনে বসন্তবরণ উৎসব হিসেবে উদ্যাপন করে।
ঐতিহাসিক দিবসগুলোকে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের সঙ্গে সমন্বয় করতে ২০১৯ সালে বাংলা বর্ষপঞ্জি পরিবর্তন করে সরকার। ২০২০ সাল থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পয়লা ফাল্গুনে বসন্ত উৎসব উদ্যাপন করা হচ্ছে।
RED TIMES LIMITED
116-117, Concord Emporium, Kataban, Dhaka-1205.
Mobile: 017111-66826
Email: redtimesnews@gmail.com
Copyright © 2026 RED TIMES. All rights reserved.