অনলাইন ডেস্ক
ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে হরমুজ প্রণালি, পারস্য উপসাগর ও ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ জারি করে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম)। অবরোধের উদ্দেশ্য ছিল ইরানকে তেল রপ্তানি থেকে বিরত রাখা।
তবে অবরোধটি কতটা কার্যকর হয়েছে, তা নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ যুক্তরাজ্যভিত্তিক অ্যানালিটিক্স সংস্থা ভোরটেক্সা জানিয়েছে, অবরোধের ১০ দিনে প্রায় ১০ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল তেল পারস্য উপসাগর দিয়ে দেশের বাইরে পাঠিয়েছে ইরান।
ভোরটেক্সার জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ দেওয়ার পরও এক সপ্তাহে মোট ৩৪টি নিষেধাজ্ঞাভুক্ত ও ইরান-সংশ্লিষ্ট তেলবাহী জাহাজ উপসাগরে আসা-যাওয়া করেছে।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ১৩ এপ্রিল থেকে সোমবার পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ১৯টি জাহাজ উপসাগর ছেড়েছে এবং ১৫টি জাহাজ ঢুকেছে। এই তথ্য জানিয়েছে এপি।
এই ১৯টি বহির্গামী যাত্রার মধ্যে অন্তত ৬টি তেলবোঝাই যাত্রা ছিল বলে জানিয়েছে ভোরটেক্সা। এসব বহির্গামী যাত্রাতেই এই ১০ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল তেলের চালান ইরান দেশের বাইরে পাঠিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে এই চালানের তেলগুলো বিক্রি করা হয়েছে কি-না কিংবা বিক্রি করলেও এই তেলের ক্রেতা কারা— সে সম্পর্কিত কোনো তথ্য জানা যায়নি।
গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় স্কট বেসেন্ট বলেছিলেন, মার্কিন অবরোধ চলাকালে কোনো দেশের বিরুদ্ধে যদি ইরানের তেল ক্রয়ের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সেই দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে।
সূত্র: এপি
RED TIMES LIMITED
116-117, Concord Emporium, Kataban, Dhaka-1205.
Mobile: 017111-66826
Email: redtimesnews@gmail.com
Copyright © 2026 RED TIMES. All rights reserved.