অনলাইন ডেস্ক
দীর্ঘদিন ভবানীপুরে লড়াই করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই এবার পরাজিত তিনি। ২০ রাউন্ড গণনার শেষে ১৫ হাজার ১১৪ ভোটে মমতাকে পরাজিত করলেন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। অর্থাৎ নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর দুই বিধানসভা কেন্দ্রেই জয়ী হলেন শুভেন্দু।
ভবানীপুরে গণনা নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পৌঁছে গিয়েছিলেন সেখানে। অভিযোগ করেছেন ভোট গণনা নিয়ে কারচুপি করা হচ্ছে। তবে স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ খবর আসে, প্রায় ১৫ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন মমতা।
জানা যায়, ২০ রাউন্ড গণনার পর শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৬৩ ভোট। অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৩৪৯ ভোট।
এর আগে শুভেন্দু বলেই দিয়েছিলেন তিনি জিতে যাবেন। তার ভাষ্য ছিল, ‘ভবানীপুরের ডিডেল বলে দিচ্ছি। প্রথম-রাউন্ড দ্বিতীয় রাউন্ডে আমার লিড থাকবে। থার্ড-ফোর্থ-ফিপথ রাউন্ডে মুসলমান বুথ মানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লিড থাকবে। ষষ্ঠ-সপ্তম রাউন্ড থেকে আমি মেকআপ করতে শুরু করব। কুড়ি রাউন্ডে আমি জিতব।’
বাস্তবেও যেন সেটাই হলো। জয় পেলেন শুভেন্দু। জয়ী হওয়ার পর বিজেপি প্রার্থী নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহর প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।
এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করে বলেছেন, ‘বিজেপি ভোট লুট করেছে। আমাকে মারাও হয়েছে। জোর করে হারানো হয়েছে। আমি আবার ফিরে আসব।’
তবে শুধু ভবানীপুর নয়, নন্দীগ্রামেও জিতেছেন শুভেন্দু। পূর্ব মেদিনীপুরে কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে তৃণমূল।
এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ২০৮টি আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয় নিশ্চিত করেছে বিজেপি। এর মধ্য দিয়ে অবসান হলো তৃণমূলের দীর্ঘ শাসনের।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, মোট ২৯৪ আসনের মধ্যে বিজেডি ২০৮টিতে সংখ্যাগরিষ্ঠাতা পেয়েছে। তৃণমূল পেয়েছে ৭৯টি আসন। যদিও এর মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতায় নির্বাচনী অপরাধ এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ভঙ্গের অভিযোগে সমগ্র বিধানসভার ভোট বাতিল করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ওই কেন্দ্রে ফের ভোট হবে ২১ মে, আর গণনা ২৪ মে।
প্রতিবেদন অনুসারে, বিধানসভা নির্বাচনে সিপিএম ১টি, কংগ্রেস ২টি এবং অন্যান্য দল ৩টি আসন পেয়েছে।
RED TIMES LIMITED
116-117, Concord Emporium, Kataban, Dhaka-1205.
Mobile: 017111-66826
Email: redtimesnews@gmail.com
Copyright © 2026 RED TIMES. All rights reserved.