অনলাইন ডেস্ক
দেশের পাঁচ নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। দেশের মধ্যে এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারী বৃষ্টিতে এই অবস্থার তৈরি হয়েছে। এর জেরে অনেক নদীর পানি আগামী তিনদিন বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে করে বন্যা আক্রান্ত এলাকার পরিস্থিতি আরও অবনতি হবার পাশাপাশি নতুন করে কিছু এলাকা প্লাবিত হবার শঙ্কা রয়েছে। শনিবার (২ মে) সন্ধ্যায় বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এসব তথ্য জানিয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়, সুনামগঞ্জ জেলার নলজুর নদীর পানি ক্রমাগতভাবে বাড়ছে। এই নদীর জগন্নাথপুর পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একইভাবে নেত্রকোনা জেলার ভুগাই-কংস নদী জারিয়াজাজইল পয়েন্টের পানি ১০৫, সোমেশ্বরী নদী কমলাকান্দা পয়েন্টে ৭৪, মগরা নদী নেত্রকোনা পয়েন্টে ৮২ ও আটপাড়া পয়েন্টে ২৮ এবং হবিগঞ্জ জেলার সুতাং নদী সুভাং-রেলওয়ে ব্রিজ পয়েন্টের পানি বিপদসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর অববাহিকার প্রধান নদীগুলোর মধ্যে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীগুলোর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় স্থিতিশীল রয়েছে। ভূগাই-কংস নদীগুলোর পানি কিছুটা কমেছে এবং ধনু-বাউলাই নদীগুলোর পানি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।
এদিকে, সুনামগঞ্জ জেলার সুরমা-কুশিয়ারা নদীগুলোর পানি আগামী তিনদিন বৃদ্ধি পেতে পারে। তৃতীয় দিন কুশিয়ারা নদীর কোথাও কোথাও পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। ফলে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার হাওর আশেপাশের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
নেত্রকোনা জেলার ভূগাই-কংস ও সোমেশ্বরী নদীগুলোর পানি আগামী তিনদিন স্থিতিশীল থাকতে এবং নেত্রকোনা জেলার দুগাই-কংস অববাহিকার হাওরের আশেপাশের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।
নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলার ধনু-বাউলাই নদীগুলোর পানি আগামী তিনদিন বাড়তে পারে। বাউলাই নদী খালিয়াজুড়ি পয়েন্টে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। ফলে নেত্রকোনার বাউলাই নদীর অববাহিকার হাওরের আশেপাশের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
হবিগঞ্জ জেলার খোয়াই ও সুতাং এবং মৌলভীবাজার জেলার মনু ও জুড়ি নদীগুলোর পানি আগামী তিনদিন বৃদ্ধি পেতে পারে। খোয়াই ও জুড়ি নদী আগামী ২৪ ঘণ্টায় দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ওপর প্রবাহিত হতে পারে। মনু নদীর পানি সর্তকসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। ফলে মৌলভীবাজারের আশেপাশের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে এবং হবিগঞ্জ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হতে পারে।
আজ দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে শ্রীমঙ্গলে ১৬২ মিলিমিটার। এর বাইরে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে এমন এলাকার মধ্যে সিলেটে ৮৬, দিনাজপুরে ৬৭, ভোলায় ৬০, সৈয়দপুরে ৫৫, তাড়াশ, রংপুর ও ডিমলায় ৫১, আরিচায় ৪৩, নেত্রকোনায় ৩৯, কুতুবদিয়া ৩৬, তেতুলিয়া ও চট্টগ্রামে ৩৪, ঢাকায় ২৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।সুএঃ বাংলা ট্রিবিউন
RED TIMES LIMITED
116-117, Concord Emporium, Kataban, Dhaka-1205.
Mobile: 017111-66826
Email: redtimesnews@gmail.com
Copyright © 2026 RED TIMES. All rights reserved.