অনলাইন ডেস্ক
বান্দরবানের থানচি-রুমা সীমান্তের পাহাড়ি পাড়া, ঝিরি আর দুর্গম পথগুলো এখন শুধু সীমান্তবাসীর চলাচলের পথ নয়, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ যুদ্ধের নতুন আপদ সেখানে এসে পড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে খুমি পিপল ফোর্স (কেপিএফ) নামে নতুন একটি সশস্ত্র সংগঠনের আনাগোনা— সেই উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সংগঠনটি মিয়ানমারের চিন রাজ্যের পালেতোয়া টাউনশিপ-কেন্দ্রিক খুমি জনগোষ্ঠীর একটি নতুন সশস্ত্র প্ল্যাটফর্ম বলে জানা গেছে। আরাকান আর্মির চাপ, পালেতোয়ার ক্ষমতার বদল, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নিরাপত্তাহীনতা এবং ত্রিদেশীয় সীমান্তের দুর্গম জনপদ— সব মিলিয়ে এই সংগঠন এখন বাংলাদেশের সীমান্তঘেঁষা এলাকায় নজরে আসছে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়টি হচ্ছে, খুমি পিপল ফোর্স সরাসরি বিজিবিকে চিঠি দিয়ে সীমান্ত এলাকায় চলাচল, যোগাযোগ ও সহায়তার অনুরোধ জানিয়েছে। বিজিবি চিঠি পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করলেও এই বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলতে রাজি হয়নি। তবে দেশের সীমান্ত বাহিনীর অবস্থান স্পষ্ট— তারা বলছে, বাংলাদেশ সীমান্তে কোনও বিদেশি সশস্ত্র গোষ্ঠীকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না।
কারা এই খুমি পিপল ফোর্স?
খুমি পিপল ফোর্স (কেপিএফ) মূলত মিয়ানমারের চিন রাজ্যের পালেতোয়া অঞ্চলের খুমি জনগোষ্ঠীকেন্দ্রিক একটি নতুন সশস্ত্র সংগঠন। সূত্র বলছে, আরাকান আর্মি পালেতোয়া অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর ওপর চাপ বাড়ে। অভিযোগ আছে, বিভিন্ন গোষ্ঠীকে আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণ মেনে চলতে বা তাদের সঙ্গে যুক্ত হতে চাপ দেওয়া হচ্ছিল।
এই চাপের প্রতিক্রিয়ায় আত্মরক্ষার যুক্তি সামনে এনে খুমি পিপল ফোর্স নামের সংগঠনটি আত্মপ্রকাশ করে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, আরাকান আর্মি ও কুকি ন্যাশনাল আর্মির নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তেই সংগঠনটির জন্ম।
দেশের কোন সীমান্তে এই সশস্ত্র ফোর্স
স্থানীয় সূত্র বলছে, গত এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে প্রথম এই সংগঠনের সদস্যদের দেখা যায়— বান্দরবানের বাংলাদেশ-ভারত-মিয়ানমার সংযোগস্থল বা তিনমুখ পিলার-সংলগ্ন কেসপাই পাড়া এলাকায়। এরপর তংব্রাই ডুলু চাঁদ, থানদৈ, ক্রামচি পাড়াসহ কয়েকটি এলাকায় তাদের উপস্থিতির তথ্য পাওয়া যায়।
সবশেষ মে মাসের শেষ দিকে থানচি উপজেলার তিন্দু ইউনিয়নের পাউপাড়া এলাকার একটি ঝিরিতে তাদের দেখা গেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। যে কারণে তাদের মধ্যে ভয়, অস্বস্তি এবং অনিশ্চয়তার তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, পাউপাড়া থেকে সশস্ত্র দলটি তিন্দু বাজারের উল্টো পাশে অবস্থিত ক্রামচি পাড়ায় স্থানীয় খুমি জনগোষ্ঠীর কয়েকজনকে নিয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমের চেষ্টা করা হয়েছে। পাড়া কারবারির ছেলেকে সামনে রেখে স্থানীয়ভাবে একটি কমিটি গঠনের উদ্যোগও নেওয়া হয়। এছাড়া রেমাক্রী ইউনিয়নের এক জনপ্রতিনিধির ইঞ্জিনচালিত নৌকায় সংগঠনের নেতা লা-থোইং খুমিকে তিন্দুর রাজাপাথর এলাকায় দেখা গেছে।
বিজিবিকে চিঠি
খুমি পিপল ফোর্স গত ২৫ মে বিজিবিকে একটি চিঠি দেয়। ওই চিঠিতে তারা নিজেদের যাত্রা ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয়েছে উল্লেখ করে এবং সীমান্ত এলাকায় চলাচল ও যোগাযোগের সুযোগ চায়।
চিঠিতে বলা হয়, খুমি ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টির (কেএনসিপি) খুমি পিপলস ফোর্স (কেপিএফ) নিজেদেরকে মিয়ানমারের খুমি জনগণের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় গঠিত একটি সশস্ত্র সংগঠন হিসেবে পরিচয় দিয়েছে। তাদের দাবি, আরাকান আর্মি পালেতোয়া টাউনশিপে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ঘাঁটি দখল করে প্রশাসন চালু করার পর থেকে খুমি ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠী নিপীড়নের শিকার হচ্ছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, কেএনসিপি ও কেপিএফ চিনল্যান্ড কাউন্সিল বা চিন ব্রাদারহুডের অংশ নয় এবং বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সরকারের বিরোধিতা করে এমন কোনও সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে তারা জোট করবে না। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শুরু থেকে আরাকান আর্মি পালেতোয়া নিয়ন্ত্রণ করছে এবং কুকি ন্যাশনাল আর্মি (কেএনএ) আরাকান আর্মির সঙ্গে জোট করে স্থানীয়দের সম্মতি ছাড়া সেখানে অবস্থান গড়ে তুলতে চাইছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, কেপিএফ সদস্যরা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের কাছে অবস্থান করছে। তারা দাবি করেছে, বাংলাদেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করবে না। বরং আন্তর্জাতিক আইন ও বিজিবির পরামর্শ মেনে সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়। একইসঙ্গে বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে অবাধ চলাচলের অনুমতি চায়।
বিজিবির কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকসার খান চিঠির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, স্থানীয় কারবারির মাধ্যমে একটি বর্ডার পোস্টে চিঠিটি পাঠানো হয়েছিল। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন—সীমান্তে কোনও সশস্ত্র গ্রুপকে অ্যালাউ করা হবে না।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই অবস্থান বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সীমান্তে বিদেশি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সামান্য উপস্থিতিও যদি সহনীয় হিসেবে দেখা হয়, তাহলে তা ভবিষ্যতে বড় নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পরিণত হতে পারে। তারা মনে করেন, কোনও বিদেশি সশস্ত্র সংগঠন যখন একটি দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে চিঠি দেয়, তখন সেটি শুধু যোগাযোগ বা সহযোগিতা চাওয়ার চেষ্টা নয়, বরং নিজেদের অস্তিত্ব, সংগঠনগত সক্ষমতা এবং সীমান্তে অবস্থানের একটি রাজনৈতিক ঘোষণা।
কেন বাংলাদেশ সীমান্তে আসছে তারা?
খুমি পিপল ফোর্সের বাংলাদেশ সীমান্তঘেঁষা এলাকায় অবস্থানের পেছনে কয়েকটি কারণ থাকতে পারে বলে মনে করেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। পালেতোয়া অঞ্চলে আরাকান আর্মির প্রভাব বাড়ার পর ছোট জাতিগোষ্ঠীগুলো নিরাপদ জায়গা খুঁজছে। পাহাড়ি দুর্গমতা, নদীপথ, ঝিরি ও সীমান্তের ঝোপঝাড়ের গোপন চলাচলপথ সশস্ত্র গোষ্ঠীর জন্য সুবিধাজনক। বান্দরবান-মিজোরাম-পালেতোয়া ত্রিদেশীয় অঞ্চল ঐতিহাসিকভাবে গেরিলা চলাচল, চোরাচালান, আত্মীয়তাভিত্তিক পারাপার এবং সীমান্তবাসীর অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের এলাকা। ফলে রাষ্ট্রীয় সীমারেখা কাগজে স্পষ্ট হলেও পাহাড়ি সমাজে সেটা সামাজিক।
এছাড়া বান্দরবানের থানচি-রেমাক্রী অঞ্চলে খুমি জনগোষ্ঠীর বসতি আছে। ভাষা, পরিচয়, আত্মীয়তা ও জাতিগত নৈকট্য ব্যবহার করে মিয়ানমারের খুমি সশস্ত্র গোষ্ঠী স্থানীয় সহানুভূতি বা নেটওয়ার্ক তৈরির চেষ্টা করতে পারে।
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের সংকট
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সংকটের মূল উৎস মিয়ানমারের ভেতরে। আরাকান আর্মি পালেতোয়া অঞ্চলে শক্ত অবস্থান তৈরি করার পর সেখানে ক্ষমতার নতুন বিন্যাস তৈরি হয়েছে। সামরিক জান্তার নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়েছে। কিন্তু তার জায়গায় যে নতুন ক্ষমতা এসেছে, সেটিও সব জাতিগোষ্ঠীর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। ফলে পালেতোয়া এখন শুধু জান্তা বনাম আরাকান আর্মির সংঘাতক্ষেত্র নয়, বরং বড় সশস্ত্র শক্তির বিরুদ্ধে ছোট জাতিগোষ্ঠীর আত্মরক্ষা, স্থানীয় আধিপত্য, ভূখণ্ডগত দাবি এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের জটিল লড়াইয়ের ক্ষেত্র।
এই বাস্তবতায় খুমি পিপল ফোর্সের জন্ম। একদিকে তারা নিজেদের প্রতিরোধশক্তি হিসেবে তুলে ধরছে, অন্যদিকে তাদের উপস্থিতি সীমান্তে নতুন অস্থিরতা তৈরি করছে। মূলত, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাত বাংলাদেশের সীমান্তে সংকট তৈরি করছে।
যেসব ঝুঁকি মোকাবিলা করতে হবে বাংলাদেশকে
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সীমান্তে বাংলাদেশের জন্য বেশ কিছু ঝুঁকি বাড়ছে। সীমান্তে বিদেশি সশস্ত্র গোষ্ঠীর অদৃশ্য ঘাঁটি বা চলাচলপথ তৈরি হলে খাদ্য, আশ্রয়, গাইড, নৌযান বা স্থানীয় যোগাযোগের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারে। তাহলে সেটি দ্রুত নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়। স্থানীয় পাহাড়ি সমাজের ওপর চাপ তৈরি হতে পারে। অস্ত্র, মাদক ও চোরাচালান রুটের সঙ্গে নতুন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংযোগ তৈরি হলে রাজনৈতিক সশস্ত্র গোষ্ঠী ও অবৈধ অর্থনীতির রুট একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। কেউ সংঘাত থেকে পালিয়ে আসা বেসামরিক নাগরিক, আবার কেউ সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্য বা সহযোগী। মাঠপর্যায়ে এই পার্থক্য করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাছাড়া বাংলাদেশ-ভারত-মিয়ানমার ত্রিদেশীয় নিরাপত্তা জটিলতা তৈরি হলে সেটা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে পরিণত হবে।
বিজিবির সামনে কঠিন পরীক্ষা
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, বিজিবির দায়িত্ব এখন শুধু অনুপ্রবেশ ঠেকানো নয়, বরং সীমান্তবাসীর আস্থা বজায় রেখে সশস্ত্র নেটওয়ার্ক শনাক্ত করে প্রতিরোধ গড়ে তোলা। কারণ প্রতিটি খুমি বা সীমান্ত পার হওয়া মানুষ সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্য নন। আবার সংঘাতের সুযোগে সশস্ত্র সদস্যরা বেসামরিক মানুষের সঙ্গে মিশেও যেতে পারে। ফলে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও নিরাপত্তা স্ক্রিনিং— দুইটোরই একসঙ্গে দরকার।
সীমান্ত সড়ক, নতুন বর্ডার আউটপোস্ট, অস্থায়ী ক্যাম্প ও চেকপোস্ট অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি স্থানীয় তথ্যভিত্তিক গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক, পাড়া-কারবারি ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে নিরাপদ যোগাযোগ, পাহাড়ি ভাষা ও সমাজ বোঝেন এমন সদস্যদের সম্পৃক্ততা, এবং ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত-সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয় করতে হবে। বাংলাদেশের প্রথম নীতি হওয়া উচিত, সীমান্তে কোনও বিদেশি সশস্ত্র গোষ্ঠীর আশ্রয়, প্রশিক্ষণ, চলাচল বা সহনশীলতা নয়। এই বার্তা মাঠে, কূটনীতিতে এবং স্থানীয় প্রশাসনিক পর্যায়ে স্পষ্ট থাকতে হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বান্দরবান সীমান্তকে শুধু স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা সমস্যা হিসেবে দেখলে হবে না। এটি এখন জাতীয় নিরাপত্তা, মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর রাজনীতি, মানবিক অনুপ্রবেশ এবং আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতির সম্মিলিত ইস্যু। কারণ সীমান্তের এই পাহাড়ি পথগুলো একবার যদি সশস্ত্র রাজনীতির করিডরে পরিণত হয়, তাহলে তা শুধু বান্দরবানের সমস্যা থাকবে না, তা হয়ে উঠবে বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার দীর্ঘমেয়াদি দুশ্চিন্তা।
জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) ড. মনিরুল ইসলাম আখন্দ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘বাংলাদেশের অবস্থান একেবারেই স্পষ্ট— মিয়ানমার বা অন্য কোনও প্রতিবেশী দেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী বা সশস্ত্র গোষ্ঠীকে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে আশ্রয়, অবস্থান বা চলাচলের সুযোগ দেওয়া হবে না। অতীতে কিছু কুকি সদস্য গোপনে সীমান্ত অতিক্রম করে ঢোকার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু বিজিবি কঠোরভাবে তা মোকাবিলা করে তাদের বের করে দিয়েছে।’’
তিনি বলেন, ‘‘আমি মনে করি, পার্বত্য সীমান্ত এলাকা অত্যন্ত দুর্গম হওয়ায় শতভাগ নজরদারি বাস্তবিক অর্থে কঠিন। তবে নীতিগতভাবে বাংলাদেশ ‘জিরো টলারেন্স’ অবস্থানে রয়েছে। কোনও সশস্ত্র গোষ্ঠী সীমান্ত অতিক্রম করে ঢোকার চেষ্টা করলে তাদের শনাক্ত করে বহিষ্কার করা হবে। বাংলাদেশের ভেতরে কোনও বিদেশি সশস্ত্র বা বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ আশ্রয় নেই এবং ভবিষ্যতেও থাকবে না– এ নীতিতেই রাষ্ট্র অটল থাকবে।’’
তথ্য সুএঃ বাংলা ট্রিবিউন
RED TIMES LIMITED
116-117, Concord Emporium, Kataban, Dhaka-1205.
Mobile: 017111-66826
Email: redtimesnews@gmail.com
Copyright © 2026 RED TIMES. All rights reserved.