ভারত সফরের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী নেবেন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
ভারত সফরের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী নেবেন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
editor
প্রকাশিত আগস্ট ৬, ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ণ
Manual1 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টোরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশনের (বিমসটেক) বর্তমান সভাপতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী নিজেই নেবেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
Manual5 Ad Code
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ বিমসটেকের সভাপতিত্ব করছে। ব্রিকস একটি বহুপাক্ষিক সংস্থা, যেখানে বাংলাদেশ অবশ্যই অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী। সেই হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সেখানে অংশগ্রহণ করবেন কি করবেন না, সেটা ওনার ব্যস্ততা, ওনার সময় এবং উনি সেটা বলে দেবেন।
তিনি বলেন, সিদ্ধান্তটা ওনাকেই নিতে হবে, কারণ ওনার সময়সূচির ওপর নির্ভর করবে—উনি যেতে পারবেন কি পারবেন না।
Manual6 Ad Code
ভারতের দিক থেকে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেওয়া ছাড়াও দ্বিপাক্ষিক সফরের একটি আমন্ত্রণ রয়েছে। দুটি আমন্ত্রণ কি এখনো রয়েছে-এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, দাওয়াত তো আছে।
আগামী সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ‘আউটরিচ’ পর্বে অংশ নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। তবে ওই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে বাংলাদেশ সম্মেলনে যোগ দেবে কি না, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
Manual6 Ad Code
সাংবাদিকরা জানতে চান, বাংলাদেশের অবস্থান বারবার ভারতকে জানানোর পরও বুধবার (৬ জুলাই) দিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রেস ব্রিফিং হয়েছে। এরকম চলতে থাকলে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সফরের মতো ভালো সম্পর্ক থাকবে কিনা।
Manual7 Ad Code
শামা ওবায়েদ বলেন, আমরা চাই ভালো সম্পর্ক থাকুক দুই দেশের জনগণের স্বার্থে। কিন্তু সম্পর্কটা তো হবে সমতার ভিত্তিতে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা সম্মানের জায়গা রেখে এবং নিজেদের স্বার্থটাকে বজায় রেখে। ভারত সেটা বুঝতে পারলে সবার জন্য মঙ্গল।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারত আর বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নত হোক—সেটা আমি বিশ্বাস করি যে দুই দেশের সরকার দুই দেশের জনগণ সেটা চায়। কিন্তু ভারতের মাটিতে বসে স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদী সাজাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের লোকজন এবং আওয়ামী লীগের প্রধান যদি এই ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে থাকে এবং সেটা যদি ভারত সরকার এখনই বন্ধ না করে, এই মুহূর্তে বন্ধ না করে—তাহলে অবশ্যই সেটা বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটা উদ্বেগের জায়গা তৈরি করে।