অনলাইন ডেস্ক
ভারতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশ না নেওয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষকদের। কেউ বলছেন, সম্মেলনে যোগ না দেওয়ার কোনো প্রভাব নেই। বরং আমন্ত্রণ জানিয়ে ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করেছে ভারত। তবে রয়েছে ভিন্ন মতও। আরেক বিশ্লেষকের মতে, ভারতের সঙ্গে টানাপোড়েনের কারণে ব্রিকস সম্মেলনে না যাওয়ার প্রভাব পড়বে ভূরাজনীতিতে।
ভারতের দিল্লিতে বসেছে দুই দিনের ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন। এক মঞ্চে হাজির বিশ্ব নেতারা। সম্মেলনে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে বিমসটেকের সভাপতি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানোয় যোগ দেয়নি বাংলাদেশ।
ব্রিকস সম্মেলনে যোগ না দেওয়ার কোনো প্রভাব দেখছেন না অধ্যাপক ফরিদুল আলম। বরং অংশ নিলে অমীমাংসিত ইস্যুতে সুযোগ নিতে পারত ভারত।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক ফরিদুল আলম বলেন, 'বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে এখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল এবং একটি সুযোগ ভারত নিতে চাইছিল যে, যদি এই আমন্ত্রণের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করেন তাহলে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখাও হবে, আর পাশাপাশি হয়তো ব্রিকসসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে আরও কথা বলা যাবে। ব্রিকসে বাংলাদেশের এই মুহূর্তে যোগ দেওয়া না দেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয় নয়।'
তবে ভিন্ন মত সাবেক রাষ্ট্রদূত মাহফুজুর রহমানের। তাঁর মতে, ভারতের পাশাপাশি অন্যান্য দেশের সঙ্গেও সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ ছিলো এই সম্মেলনে।
সাবেক এই কূটনীতিক বলেন, 'অন্যান্য দেশতো এটা দেখছে, যে বাংলাদেশ একটা সুযোগ পেয়েছিল কিন্তু এখানে অংশ নিচ্ছে না। আপনি যদি যৌক্তিক কোনো কারণে অংশ না নিতেন, তাহলে ঠিক ছিল...ভারতের সঙ্গে আপনার যে সম্পর্কের টানাপোড়েন আছে, সেটা স্বাভাবিকভাবেই আপনি স্বাভাবিক পর্যায়ে নিলে আপনার জন্য ভালো। কিন্তু সেটা যদি স্বাভাবিক পর্যায়ে না-ও যায়, সেই অজুহাতে আপনি একটা আঞ্চলিক জোট বা আন্তর্জাতিক জোট, এটাকে অবহেলা করতে পারেন না।'
ব্রিকস সম্মেলন বাংলাদেশের জন্য কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে মনে করেন তিনি। তথ্য সুএঃ ইনডিপেনডেন্ট
RED TIMES LIMITED
116-117, Concord Emporium, Kataban, Dhaka-1205.
Mobile: 017111-66826
Email: redtimesnews@gmail.com
Copyright © 2026 RED TIMES. All rights reserved.