সংবিধান সংস্কার পরিষদ ইস্যু সংসদে সমাধান না হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের
সংবিধান সংস্কার পরিষদ ইস্যু সংসদে সমাধান না হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের
editor
প্রকাশিত মার্চ ১৫, ২০২৬, ০৯:০৪ অপরাহ্ণ
Manual7 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক:
Manual3 Ad Code
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে চলমান সংকটের সমাধান জাতীয় সংসদের ভেতরেই হোক—এমন প্রত্যাশা জানিয়েছে বিরোধী দল। তবে সংসদের ভেতরে সমাধান না হলে আন্দোলনে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
Manual7 Ad Code
রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, সরকার গঠনের পর সংসদের অধিবেশন ডাকা হলেও এখনো সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করা হয়নি। প্রথম দিন সময় স্বল্পতার কারণে বিরোধী দল একটি ইস্যুতে ওয়াকআউট করেছিল। সেদিন তারা বিষয়টি উত্থাপন করলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। পরে অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের শুরুতে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধী দল আবারও বিষয়টি তুলে ধরার চেষ্টা করেছে।
তিনি জানান, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ পুরোপুরি সংসদে পড়ে শোনানো হয়েছে। বিরোধী দল শেষ পঞ্জিকা দিবস উপলক্ষে রোববারের মধ্যেই এ বিষয়ে সমাধান চেয়েছে। সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেওয়া সদস্যদের ভবিষ্যৎ কী হবে, যারা এখনো শপথ নেননি তারা কবে শপথ নেবেন এবং পরিষদের অধিবেশন কবে ডাকা হবে—এসব প্রশ্নও তারা তুলেছেন। পাশাপাশি গণভোটের ফলাফল মানা হবে কি না, সেটিও জানতে চাওয়া হয়েছে।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, পয়েন্ট অব অর্ডারে এসব বিষয় উত্থাপন করলে স্পিকার জানিয়েছেন, এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নোটিশ দিলে তা বিবেচনা করে আলোচনা করা হবে। সেই অনুযায়ী বিরোধী দল নোটিশ দিয়ে সংসদের ভেতরেই সমস্যার সমাধান চাওয়ার উদ্যোগ নেবে।
Manual8 Ad Code
তিনি বলেন, যদি সংসদের ভেতরে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন না ঘটে, তবে স্বাভাবিকভাবেই রাজপথে নামতে হবে। তবে বিরোধী দল সংসদের মাধ্যমেই সমাধান চায়।
আরেক প্রশ্নের জবাবে শফিকুর রহমান বলেন, সংবিধানে ২০২৬ সালে কোনো ভোটের উল্লেখ ছিল না। একই প্রেসিডেনশিয়াল অর্ডারের মাধ্যমে কিছু সিদ্ধান্ত মানা হবে আর কিছু মানা হবে না—এটা গ্রহণযোগ্য নয়। মানলে সবই মানতে হবে, আর না মানলে কোনো কিছুই মানা যাবে না।
Manual4 Ad Code
তিনি আরও বলেন, জনমতই সর্বোচ্চ সংবিধান। গণভোটের মাধ্যমে জনগণের রায় নেওয়া হয়েছে এবং এতে সরকার ও বিরোধী উভয় পক্ষই সম্মত ছিল। বিরোধী দলের দাবি ছিল আগে গণভোট আয়োজনের, আর সরকারের দাবি ছিল একই দিনে তা করার। শেষ পর্যন্ত সরকারের দাবিই বাস্তবায়ন হয়েছে।