উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন এর অন্যতম লক্ষ্য শিশু কল্যাণ
উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন এর অন্যতম লক্ষ্য শিশু কল্যাণ
editor
প্রকাশিত আগস্ট ২১, ২০২৫, ০৮:৫৬ অপরাহ্ণ
Manual4 Ad Code
সিলেট ডেস্ক:
সিলেটে সাংবাদিকদের সাথে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন এর কার্যক্রমের অন্যতম লক্ষ্য শিশু কল্যাণ। এ লক্ষ্য বাস্তায়নে সংগঠনটি ২০১৪ সাল থেকে সিলেট ও সুনামগঞ্জের ৫ উপজেলায় কাজ শুরু করে। ১৫ হাজার ৬৫৬ জন রেজিস্টার্ড শিশুর জীবনমান উন্নয়নকে সামনে রেখে কমিউনিটির সকল শিশুর উন্নায়নে ইতোমধ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন হয়েছে।
বুধবার (২০ আগষ্ট) নগরীর দরগাহগেইটস্থ একটি অভিজাত হোটেলে সিলেটে কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে শিশু কল্যাণ বিষয়ক এই মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর সিলেট এরিয়া কো-অর্ডিনেশন অফিসের সিনিয়র ম্যানাজার কাজল এ দ্রং। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন প্রোগ্রাম অফিসার জাবির আহমদ নোমান।
মতবিনিময় সভায় সংস্থার পক্ষ থেকে গত এক বছরে সিলেট ও সুনামগঞ্জের ৫ উপজেলায় শিশু কল্যাণ ও হতদরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গৃহিত কার্যক্রমের অংশবিশেষ তুলে ধরা হয়। উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের মধ্যে ১ হাজার ৩৯৩টি স্বাস্থ্য সম্মত ল্যাট্রিন বিতরণ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৬টি ওয়াশ ব্লক নির্মাণ, ৩টি পাইপ লাইন ওয়াটার সিস্টেম স্থাপন, ২২টি সাব সাবমালসেবল টিউবওয়েল স্থাপন, পাঁচ বছরের নীচে ২৩ হাজার শিশুদের জিএমপি বাস্তবায়ন করা এবং অপুষ্ট দূরিকরণে সচেতনতা বৃদ্ধি, আয়বৃদ্ধিমূলক কাজে উৎসাহিত করতে ১ হাজার ৩২০ জনকে ১৮ হাজার টাকা করে বিতরণ, ১ হাজার ৫৮৫ পরিবারে ১৫ হোজার ৪শ’ হাঁস বিতরণ এবং ৫ শূন্য প্লাস ক্যাম্পেইন এর প্রচারনা রয়েছে।
সভায় সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের লিড কো-অর্ডিনেটর ফিল্ড কমিউনিকেশনস আবোনি আলবার্ট রোজরিও বলেন, হাঁস, মোরগ ও গবাদি পশু বিতরণের সাথে শিশু কল্যাণ নিহিত। কারণ শিশুর অভিভাবকরা এ থেকে উপকৃত হলে শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে।
সভাপতির বক্তব্যে কাজল এ দ্রং বলেন, কর্ম এলাকায় জরিপের ভিত্তিতে ও এলাকাবাসীর মাধ্যমে সমস্যা চিহিৃত করে কাজ করে ওয়ার্ল্ড ভিশন। এ ক্ষেত্রে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট কমিটির মাধ্যমে কার্যক্রম সফল বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা চালানো হয়। প্রজেক্টের মেয়াদ শেষ হলে ভিডিসি, সিভিও, ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে কার্যক্রম হস্তান্তর করা হয়ে থাকে বলে জানান তিনি।
সভায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের মাঝে প্রোগ্রাম আফিসার আশুতোষ রেমা, অশেষ রেমা, শিশু সুরক্ষা অফিসার অ্যান্তনী রংদী, ইয়ং প্রোফেশনাল পাবেল হুসেন এবং অতি দাস উপস্থিত ছিলেন।