অনলাইন ডেস্ক:
ঈদের দিন মেঘাচ্ছন্ন আকাশ, মাঝেমধ্যে ঝরছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। এর মধ্যেও রাজধানীবাসীর অন্যতম গন্তব্য মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা। প্রতিবারের মতো এবারের ঈদেও দর্শনার্থীর ভিড় দেখা গেছে জনপ্রিয় এই বিনোদনকেন্দ্রে। পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদুল ফিতরের দিন অসংখ্য বিনোদনপ্রেমী মানুষ হাজির হয়েছেন জাতীয় চিড়িয়াখানায়।
শনিবার (২১ মার্চ) বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মানুষের ভিড়। ১৩৪ প্রজাতির তিন হাজারেরও বেশি পশুপাখির এই রাজ্যে ছোট-বড় সব বয়সি মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। কেউ বানরের চপলতা দেখছেন, কেউ আবার মায়াবী হরিণের খাঁচার সামনে ভিড় জমাচ্ছেন।
খিলগাঁও থেকে আসা দর্শনার্থী আনিকা হাবিব উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে একটু খোলা জায়গায় আসতে চেয়েছিলাম। একসঙ্গে বাঘ, সিংহ আর এত রকমের পাখি দেখে বাচ্চারা খুব খুশি। খাঁচার ভেতরে পশুপাখিগুলোও আজ বেশ চনমনে মনে হচ্ছে। বৃষ্টির জন্য আবহাওয়াটাও বেশ চমৎকার।’
এদিকে আনন্দের এই ভিড়ে কিছু অস্বস্তির চিত্রও ফুটে উঠেছে। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব এবং ভেতরের খাবারের দাম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক দর্শনার্থী। বিশেষ করে অতিরিক্ত ভিড়ের মাঝে শৃঙ্খলা রক্ষায় কর্তৃপক্ষের আরও তৎপর হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।
দর্শনার্থীরা জানান, আবহাওয়া ঠান্ডা থাকায় চিড়িয়াখানা ঘুরে ভালাও লাগছে তাদের। বাঘ, ভালুক, হরিণ, সিংহ দেখে অনেকেই যেন ফিরে গেছেন শৈশবে। চিড়িয়াখানায় ঢুকতেই হরিণ, বানর, পেলিক্যান পাখির খাঁচা। এসব খাঁচায় শিশুদের আগ্রহটা একটু বেশি দেখা যায়। বাঘ, সিংহ, জিরাফ, ময়ূরের খাচার সামনে শিশুসহ সব বয়সী মানুষের উচ্ছ্বাস দেখা যায়। ‘ও বাঘ মামা’, ‘ও সিংহ মামা’ ডাকও শোনা যায় কারও কারও মুখে। খাঁচায় বিশ্রামরত পশু-পাখি দেখে খুশি দর্শনার্থীরা। বানর, কুমির, সাপ, ময়ূরের কাণ্ড দেখে যেন আনন্দের শেষ নেই তাদের।

এসময় দর্শনার্থীদের অনেককে ছবি তুলতে ও ভিডিও করতে দেখা যায়। কেউ আবার লেকের ধারে গাছের ছায়ায় নিরিবিলি বসেছিলেন। কেউ বাসা থেকে আনা খাবার খাচ্ছেন।
চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, শিশুসহ সব বয়সী দর্শনার্থীর নিরাপত্তায় চিড়িয়াখানায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যেন কেউ হয়রানির শিকার না হন। ঈদের দিন কয়েক লাখ দর্শনার্থী সমাগম প্রত্যাশা করছে কর্তৃপক্ষ। আগামী রোববার ও সোমবার এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে তাদের ধারণা।তথ্য সুএঃ ইত্তেফাক
RED TIMES LIMITED
116-117, Concord Emporium, Kataban, Dhaka-1205.
Mobile: 017111-66826
Email: redtimesnews@gmail.com
Copyright © 2026 RED TIMES. All rights reserved.