অনলাইন ডেস্ক
ফারাক্কা ব্যারেজের যৌথ প্রবাহ পরিমাপ কেন্দ্র পরিদর্শন এবং যৌথ কমিটির বৈঠকে অংশ নিতে ভারতে যাচ্ছে বাংলাদেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।
আগামী ২০ থেকে ২৩ মে কলকাতা সফরে তারা বৈঠকে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি ফারাক্কা পরিদর্শনে যাবেন।
গত ১২ মে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে (জিও) এই সফরের অনুমোদন দেওয়া হয়।
ছয় সদস্যের মূল প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি), বাংলাদেশের সদস্য মো. আনোয়ার কাদির।
প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন— বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (ঢাকা) হাইড্রোলজি বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসাইন (সদস্য আমন্ত্রিত), জেআরসি বাংলাদেশের পরিচালক মোহাম্মদ আবু সায়েদ (সদস্য), পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ সামসুজ্জামান (সদস্য আমন্ত্রিত), পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া উইংয়ের পরিচালক (দক্ষিণ এশিয়া-১) মো. বাকী বিল্লাহ (সদস্য আমন্ত্রিত) এবং জেআরসি বাংলাদেশের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. রুমানুজ্জামান (সদস্য)।
এই ছয় সদস্যের পাশাপাশি নয়া দিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনের কাউন্সেলর (রাজনৈতিক) মো. আলমগীর হোসেন এবং কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব (পলিটিক্যাল) মো. ওমর ফারুক আকন্দ প্রতিনিধিদলে অন্তর্ভুক্ত হবেন।
যৌথ নদী কমিশনের সদস্য মো. আনোয়ার কাদির বুধবার দুপুরে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “গঙ্গা চুক্তি যেটা আছে, যেটা চলছে গত ৯৬ সাল থেকে, এটার অধীনে প্রতিবছর তিনটা মিটিং হয়।
“ওরা ফারাক্কা, হার্ডিঞ্জের এখানে সাইট দেখে, ভারতীয়রা থাকে আমাদের সঙ্গে, মেজারমেন্ট করে, পানি কত ফারাক্কা থেকে আসছে। দেখে আমরা ঢাকায় একটা মিটিং করি, গত এপ্রিলে ওরা এসেছিল, এখন আমরা যাব। প্রতিবছর এরকম হয়।”
এবারের সফরের কর্মসূচি তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমরা এখন যাচ্ছি, ফারাক্কা সাইট দেখব, দেখে তারপর কলকাতায় মিটিং করব। চুক্তিতে যা বলা আছে, মেজারমেন্ট যেগুলো হচ্ছে, সব প্রোটোকল মেনে হচ্ছে কিনা….। এটা রুটিন মিটিং, প্রতিবছরই হয়।”
তিনি বলেন, “সেটার জন্য আমরা ফারাক্কা যাচ্ছি এবং কলকাতায় মিটিং করব। এটা শুধু এখানে মেজারমেন্টগুলো ঠিকভাবে হচ্ছে কিনা, ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়গুলা ঠিক আছে কিনা এইটা দেখার, এর বাইরে কিছু না, এটা রুটিন মিটিং, খুবই রুটিন।”
গঙ্গার পানি বণ্টনে ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের সঙ্গে ৩০ বছরের চুক্তি করে। সমঝোতা অনুযায়ী ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ফারাক্কা থেকে দুই দেশের মধ্যে পানি বণ্টন করা হয়। চলতি বছরের ডিসেম্বরে এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা।
চুক্তি নবায়নের বিষয়ে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের সঙ্গে কোনো আলাপ হবে কি না জানতে চাইলে আনোয়ার কাদির কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
RED TIMES LIMITED
116-117, Concord Emporium, Kataban, Dhaka-1205.
Mobile: 017111-66826
Email: redtimesnews@gmail.com
Copyright © 2026 RED TIMES. All rights reserved.