উৎফল বড়ুয়,সিলেট
পরিবর্তনের বাংলাদেশে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে লক্ষ্য রেখে এবং কর্মসংস্থানসহ মানুষের মৌলিক দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সোচ্চার ভুমিকার কারণে সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার তরুণ সমাজসেবক ও রাজনৈতিক কর্মী মোঃ আসাদুল হক আসাদ মানুষের মনে দারুণ জাগরণ সৃষ্টি করে চলেছেন। সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৭ সালে এসএসসি উত্তীর্ণ মেধাবী আসাদ ছাত্রজীবন থেকেই মানুষের কল্যাণে সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি বহন করে চলেছেন। তিনি সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এবং মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটিতে সফলতার সাথে দাফতরিক দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি সিলেট জেলা বিএনপিতে সক্রিয় রয়েছেন।
উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত তরুণ সমাজসেবক লায়ন আসাদ ক্রীড়াসহ মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে সর্বমহলে দারুণ একটি গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন। এই মেধাবী তরুণটি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ৩নং তেলিখাল ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারে তার জন্ম। তার বাবা মোঃ সুলেমান আলী অত্যন্ত সৎ ও সহজ-সরল জীবনযাপনের জন্য পরিচিত। তার দাদা মরহুম হাজী আতাউর রহমান ( আতাই হাজী) কোম্পানীগঞ্জ ও আশেপাশের অঞ্চলে সম্মানিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের কল্যাণে অবদান রেখেছেন। তার দাদা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মরহুম হাজী হায়াত উল্লাহ ও মরহুম হাজী খলিলুর রহমান মানুষের কাছে ভালো মানুষ হিসেবে সমাদৃত। পরিবারের দাবি, বৃটিশ আমল থেকেই তাদের পূর্বসূরিরা মানুষের কল্যাণে অবদান রেখেছেন এবং এখনো তা অব্যাহত রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত ও মার্জিত তরুণ লায়ন আসাদ শহরের আধুনিক জীবন ছেড়ে অবহেলিত ও বঞ্চিত কোম্পানীগঞ্জ উপজেলাবাসীর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন।
স্হানীয় পর্যায়ে শিক্ষা ও ক্রীড়াক্ষেত্রে ভুমিকা, স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মাদকের কুফল সম্পর্কে প্রচার-প্রচারণায় সম্পৃক্ততার কারণে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছেন বলে তার সমর্থকদের দাবি। এছাড়া অবৈধভাবে বালু-পাথর লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভুমিকা রাখার কথাও তুলে ধরেছেন তারা। স্হানীয় মুরব্বি, সচেতনমহল ও তরুণদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে নিজের অবস্থান তুলে ধরছেন লায়ন আসাদ এবং ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি।
উপজেলা নির্বাচনে তার চেয়ারম্যান প্রার্থীতা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মানুষের কাছে নিজের নির্বাচনী বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি। এই নির্বাচনে অনেক প্রার্থী থাকা স্বাভাবিক। তবে দলের সবুজ সংকেত পাওয়ার ক্ষেত্রে দল অনেক ক্রাইটেরিয়া নির্ধারণ করে রেখেছে। বিশেষ করে, যারা দলের দুঃসময়ে দলের নির্দেশনা অমান্য করে দলের বিপক্ষে কাজ করেছে এবং জনগণের কাছে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এমন কাজে সংশ্লিষ্ট রয়েছে, তাদের ব্যাপারে দল সর্বোচ্চ সজাগ থাকবে। টাকা-পয়সা লেনদেনের মাধ্যমে কোনো প্রার্থীর সবুজ সংকেত পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
তিনি আরো বলেন, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে পুরুষ ও মহিলা ভোটার প্রায় সমানে সমান। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় দৈন্যদশা চোখে পড়ার মতো।তাই এইবারের নির্বাচনে যারাই প্রার্থী, তাদেরকে কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে মানুষের আস্হা অর্জন করতে হবে।
এইবারের স্হানীয় নির্বাচন হবে ইতিহাসের সেরা নির্বাচন। এখানে কে কত সম্পদশালী তা মুখ্য নয়-পরিবর্তনের বাংলাদেশে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে একজন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন নেতা সমাজ ও দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। আজকের নতুন প্রজন্মরা তাদেরকে দেখেই স্বপ্নের বীজ বুনবে এবং সেভাবেই নিজেদেরকে তৈরি করতে উৎসাহিত হবে।
কোম্পানীগঞ্জের সম্ভাবনা তুলে ধরে তিনি বলেন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর একটি ঐতিহ্যবাহী জনপদ। এই প্রাকৃতিক সম্পদকে প্রকৃতভাবে কাজে লাগানো, মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, পরিকল্পিত আবাসন এবং জীবনমানের উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করা একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
তিনি বলেন, টাকার কাছে নির্বাচনের আগের রাতে ভোটের চিত্র যাতে পাল্টে না যায়, তা নিশ্চিত করা হবে প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব। তা নিশ্চিত হলেই একজন প্রার্থীর শ্রম-ঘাম, মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন হবে ইনশাআল্লাহ।
আমি মানুষের কাছে থেকে -পাশে থেকে আমার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। বিজয়ী হবো সেই আশাবাদ ও বিশ্বাস দৃঢ়ভাবে রয়েছে।
RED TIMES LIMITED
116-117, Concord Emporium, Kataban, Dhaka-1205.
Mobile: 017111-66826
Email: redtimesnews@gmail.com
Copyright © 2026 RED TIMES. All rights reserved.