তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
বিদেশ পাঠানোর নামে প্রতারণা ও টাকা আত্মসাতের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোর্গীরা।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) মৌলভীবাজার আর এস কায়রান হল রুমে লিখিত বক্তব্য পরে শুনান ভোক্তভোর্গী জুয়েনা আক্তার। লিখিত বক্তব্যে বলেন ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আব্দুল কাইয়ুম রুমন এর কাছে জুয়েনা আক্তার, রুমেনা বেগম, আতিকুল ইসলাম, লিপি আক্তার, কামরান হোসাইন, বাবুল মিয়া ও মোঃ জয়নুল ইসলাম ৭ জন মিলে ২ কোটি ৬ লক্ষ টাকা প্রদান করি।
[video width="832" height="464" mp4="https://www.redtimes.com.bd/wp-content/uploads/2026/10/VID-20261023-WA0124.mp4"][/video]
আব্দুল কাইয়ুম রুমনের সাথে আমাদের প্রত্যেকের আলাদা আলাদা ৩'শত টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তিপত্র হয়েছে এবং সে আমাদেরকে বিভিন্ন ব্যাংকের চেক দিয়েছে। চুক্তিপত্র অনুযায়ী উক্ত তারিখ থেকে ০২ (দুই) মাস সময় নিবেন বলে চুক্তিবদ্ধ হয়। যদি নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে আব্দুল কাইয়ুম রুমন, ভিসা করতে ব্যর্থ হন তাহলে আমাদের নিকট থেকে নেওয়া টাকা ক্ষতি পূরণসহ ফেরত দিতে বাধ্য থাকিবেন। এখন প্রায় ৩ বছর হয়ে গেছে। ৩ বছরের মধ্যে আমাদের টাকা ফেরত দেয়নি, আমরা টাকা চাইতে গেলে আব্দুল কাইয়ুম রুমন আমাদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে থাকে। ২৪এর ৫ আগষ্ট এর আগে আমরা টাকা চাহিলে আমাদের সাথে কিছুটা ভালো ব্যবহার করতো, কিন্তু একাধিক বার সময় নেওয়ার পরও আমাদের টাকা দিতে ব্যর্থ হন তিনি। বিষয়টি উনার ভাইকে অবগত করিলে উনিও ৫ আগষ্ট-২০২৪ এর আগে আমাদেরকে অনেক আশা দিয়েছেন। কিন্তু এখন ফোন দিলে ফোন আর ধরেন না। যদিও রুমন কয়েক বার ফোন দিলে ফোন ধরে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে থাকেন। উনার বাসায় গেলে কাজের লোক দিয়ে বলেন তিনি বাসায় নায় বলে আমাদেরকে বাসা থেকে বিধায় করে দেওয়া হয়। আব্দুল কায়ুইম রুমন এর ভাইয়ের সাথে হঠাৎ দেখা হলে তিনিও এ বিষয়ে কথা বলতে চান না এবং আমাদেরকে অবহেলার মুখে এরিয়ে চলে যাচ্ছেন।
[video width="832" height="464" mp4="https://www.redtimes.com.bd/wp-content/uploads/2026/10/VID-20261023-WA0126.mp4"][/video]
আমরা লেখা পড়া করেছি, স্বপ দেখেছি বিদেশ যাবার, সংসারে হাল দরার, সে জন্য আমরা কেই জায়গা জমি বিক্রি করে, কেউ সুদে, কেউ ব্যাংক লোন নিয়ে আব্দুল কাইয়ুম রুমনকে টাকা দিয়েছি। ৩ বছরে ব্যাংক লোন, ব্যাক্তি সুদ দিগুন বেরে যায়। এখন আমাদের সংসার টিকানো মুশকিল হয়ে দাড়িয়েছে। আমাদের সংসায় ভেংগে গেলে আমরা কোথায় দাঁড়াবো। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আজকের দিন থেকে আগামী ১ সপ্তাহর মধ্যে আমাদের টাকা না দিলে আমরা মৌলভীবাজার জেলা প্রসাশক মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে লিখিত আকারে বিষয়টি জানাবো। তার পরেও যদি কাজ না হয় তাহলে আমরা সবাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে দেখা করবো। আর দেখা করতে না পারলে গণভবনের সামনে ব্যানার, পে-কার্ড নিয়ে দাঁড়াবো, আমরা আশা করি বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাদের বিষয়টি দেখে দিবেন।
[video width="832" height="464" mp4="https://www.redtimes.com.bd/wp-content/uploads/2026/10/VID-20261023-WA0125.mp4"][/video]
অর্থের হিসাব:
মো: জয়নুল ইসলাম ২১ লক্ষ, জুয়েনা আক্তার ৪০ লক্ষ, রুমেনা বেগম ১২ লক্ষ, আতিকুল ইসলাম ৩৬ লক্ষ, বাবলু মিয়া ৩৫ লক্ষ, লিপি আক্তার ৩১ লক্ষ, কামরান হোসাইন ৩১ লক্ষ মোট: ২ কোটি ৬ লক্ষ টাকা।
[video width="832" height="464" mp4="https://www.redtimes.com.bd/wp-content/uploads/2026/10/VID-20261023-WA0127.mp4"][/video]
এসময় উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোর্গীদের মা,বাবা আত্মীয় স্বজন তাদের এলাকার গর্নমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিক বৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।


RED TIMES LIMITED
116-117, Concord Emporium, Kataban, Dhaka-1205.
Mobile: 017111-66826
Email: redtimesnews@gmail.com
Copyright © 2026 RED TIMES. All rights reserved.