আজ মঙ্গলবার, ২০শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৌলভীবাজার প্রেসবিটারিয়ান চার্চ কম্পাউন্ডের ভুমি বিক্রির অভিযোগে মানববন্ধন ও র‍্যালী

editor
প্রকাশিত এপ্রিল ৭, ২০২৫, ০৩:১০ অপরাহ্ণ
মৌলভীবাজার প্রেসবিটারিয়ান চার্চ কম্পাউন্ডের ভুমি বিক্রির অভিযোগে মানববন্ধন ও র‍্যালী

Manual8 Ad Code

রেডটাইমস ডেস্ক মৌলভীবাজার:

Manual2 Ad Code

মৌলভীবাজার প্রেসবিটারিয়ান চার্চ কম্পাউন্ডের ভুমি বিক্রির অভিযোগে মানববন্ধন ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Manual7 Ad Code

সোমবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে মৌলভীবাজারে উক্ত মানববন্ধন ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয়।

Manual5 Ad Code

মৌলভীবাজার প্রেসবিটারিয়ান চার্চ কম্পাউন্ডের ভূমি বা জমি বিক্রির বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার প্রেসবিটারিয়ান চার্চ এর ভিতর বসবাসকারী পরিবারবর্গ এবং সেখানে হেস্টেলে অবস্থানরত প্রায় ৫০-৬০ জন ছাত্র সহ প্রায় শতাধিক লোকজন মানববন্ধন ও র‍্যালীতে অংগ্রহন করেছে।

Manual8 Ad Code

তাদের অভিযোগে থেকে জানা যায়, অতিতেও মিশন উন্নয়ন নামে কতিপয় দুর্নীতিবাজ সংবিধান পরিপন্থি, অনিয়মতান্তিক স্বঘোষিত অবৈধ ব্যক্তিবর্গ মি:শংকর মারাক, মি:সুমেন বেসরা এবং রেভা: যাকোব কিসকু গং এবং তাদের সহযোগী চক্র শতবছরের ঐতিহ্যবাহি চার্চের মাঠ ও অফিসের পাশের যায়গা বিক্রির পায়তারা করিতেছে।

ইতিপূর্বেও সিলেট, সুনামগঞ্জ, হকিম ও শায়েস্তাগঞ্জ এলাকার অনেক যায়গা উন্নয়নের নামে বিক্রি করে সমস্ত টাকা আত্তসাৎ করেছে, এখন তারা জানতে পেরেছে মৌলভীবাজার মিশনের ভিতরের ভুমি বিক্রির পায়তারা চলছে। তাই মিশনবাসীরা তাদের মিশনের ভমি রক্ষার জন্য আজ মানববন্ধন ও র‍্যালীর করেছে যেন কোনভাবেই তাদের মিশন এলাকার ভুমি বিক্রি বা লিজ দিতে না পারে।

এ ব্যাপারে মৌলভীবাজার প্রেসবিটারিয়ান চার্চ কম্পাউন্ডের ভূমি উন্নয়ন কমিটির পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক বরাবর স্বারক লিপি দিয়ে অবহিত করা হয়। আরো জানা যায় যে, কোন যায়গা যাতে লিজ বা সাব-কবলা রেজিষ্টি দলিল সম্পাদান না করিতে পারে সে বিষয়ে সাব-রেজিষ্ট্রার বরাবর লিখিতভাবে অবহিত করেছেন।

জানা যায় ২০১৭ সাল থেকে অদ্যাবধি কোন বৈধ সভাও হচ্ছে না এবং বৈধ কমিটি গঠিত হচ্ছে না। তাই পুরাতন কমিটি তাদের সাজানো কিছু অবৈধ লোকজনের নাম ব্যবহার করে এধরনের অবৈধ কাজ প্রতি বছরই করে যাচ্ছে যা মিশনবাসী মেনে নিতে পারছেনা। এই দুর্নিতিবাজ কমিটির অধিকাংশ লোকের বসবাস ভারতের বর্ডার এলাকায়। কোন প্রকার আইনি সহায়তা গ্রহন করলেই তারা তখন ভারতের বাসিন্দা হয়ে যান।