আজ শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সারাদেশে ১৯১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

editor
প্রকাশিত নভেম্বর ১০, ২০২৪, ০৬:০০ পূর্বাহ্ণ

Manual5 Ad Code

টাইমস নিউজ 

Manual5 Ad Code

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে ১৯১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তবর্তীকালীন সরকার।

Manual2 Ad Code

রোববার (১০ নভেম্বর) সকালে বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এক ক্ষুদে বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ৫ আগস্ট তীব্র প্রাণঘাতী গণআন্দোলনের মুখে পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। ওইদিনই ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেয় দলটির সভানেত্রী একং ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Manual5 Ad Code

পতনের প্রায় তিন মাসের মাথায় প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের ঘোষনা দিয়েছে আওয়ামী লীগ। আজ রোববার বিকেল ৩টায় শহীদ নূর হোসেন স্মরণে ও ‘অগণতান্ত্রিক শক্তির অপসারণ এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার’ দাবি তুলে গুলিস্তানের জিরো পয়েন্টে কর্মসূচি পালনের কথা দলটির। এদিকে একইস্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে গণজমায়েতের ডাক দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

সবমিলিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থানের মুখে রাজধানীসহ সারাদেশে বিজিবি মোতায়েনের খবর এলো। এর মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরো স্বাভাবিক হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এদিকে আওয়ামী লীগের ঘোষিত কর্মসূচির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এমন অবস্থায় রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশও (ডিএমপি)।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম শনিবার (৯ নভেম্বর) দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বলেন, আওয়ামী লীগ বর্তমানে একটি ফ্যাসিবাদী দল। এই ফ্যাসিবাদী দলকে বাংলাদেশে কোনো প্রতিবাদ কর্মসূচি করতে দেওয়ার সুযোগ নেই।

এছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াও এ বিষয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, গণহত্যাকারী ও নিষিদ্ধ সংগঠনের কেউ কর্মসূচি করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

Manual4 Ad Code

তিনি আরও লেখেন, আওয়ামী লীগ তার বর্তমান রূপে একটি ফ্যাসিবাদী দল। গণহত্যাকারী ও স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার নির্দেশ নিয়ে যে কেউ র্যালি, সমাবেশ ও মিছিল করার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পূর্ণ শক্তির মুখোমুখি হবে।