বৃহস্পতিবার থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতির
বৃহস্পতিবার থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতির
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
Manual6 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
সারা দেশে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি ও সরবরাহ বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
Manual3 Ad Code
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সারা দেশের পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের উদ্দেশে এক নোটিশে এ ঘোষণা দেয়া হয়। নোটিশে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে সব কোম্পানির প্লান্ট থেকে এলপিজি উত্তোলনও বন্ধ থাকবে।
Manual6 Ad Code
এর আগে সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে এলপিজি ব্যবসায়ীরা তাদের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন। তখন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবি পূরণ না হলে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের হুঁশিয়ারি দেয়া হয়। পরে সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিক্রি বন্ধের নোটিশ জারি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নতুন করে এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য সমন্বয় করেছে পরিবেশকদের সঙ্গে কোনও আলোচনা ছাড়াই। পাশাপাশি প্রশাসনের মাধ্যমে পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের হয়রানি ও জরিমানা বন্ধের দাবি জানানো হয়।
এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সেলিম খান বুধবার রাত ১১টায় বলেন, ‘আগামীকাল সকাল থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ থাকবে। দুপুর তিনটায় বিইআরসির সঙ্গে আমাদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে দাবি মানা হলে বিক্রি আবার শুরু হবে, না হলে বন্ধই থাকবে।’
Manual7 Ad Code
প্রসঙ্গত, প্রতি মাসে এলপিজির মূল্য সমন্বয় করে বিইআরসি। সর্বশেষ ৪ জানুয়ারি নতুন মূল্য ঘোষণা করে কমিশন। এ নিয়ে সকালে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বিইআরসি পরিবেশকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই মূল্য সমন্বয় করেছে। এলপিজি সিলিন্ডারের সংকট দূর করায় জোর না দিয়ে বাড়তি দাম নিয়ে বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। ভোক্তা অধিকার অভিযান চালিয়ে আতঙ্ক তৈরি করছে। এতে অনেকে ব্যবসা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
বক্তব্যে বলা হয়, জ্বালানি বিভাগ, বিইআরসি ও এলপিজি কোম্পানি মিলে আমদানি সমস্যা দূর করা ছিল সঠিক সমাধান। তা না করে অভিযান চালিয়ে পরিবেশকদের হয়রানি করা হচ্ছে। পরিবেশক কমিশন ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকা ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৫ টাকা করার দাবি জানিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতি।