রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের (পঙ্গু হাসপাতাল) কর্মীদের হামলার শিকার হয়েছেন জুলাই অভ্যুত্থানে আহত শিক্ষার্থীরা।
হাসপাতাল কর্মচারী ও দালাল চক্র চিকিৎসাধীন ১২ জনকে মারধর করেন। এদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মারধরের শিকার শিক্ষার্থীদের দাবি, হাসপাতালে দালাল সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কথা বলায় হামলা চালায় হাসপাতালের একদল কর্মচারী ও দালালচক্র। সোমবার বেলা ১১টায় পঙ্গু হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
Manual8 Ad Code
মারধরের শিকার ছাত্ররা হলেন-পঙ্গু হাসপাতালের ছাত্র প্রতিনিধি রিয়াদ, কোরবান, রফিক, আল আমিন, তানভীর, মিজান, হুজাইফা, মিম, নাদিম, আইয়ূব আলী, সৌরভ, চক্ষুবিজ্ঞান হাসপাতালের রিয়াদ ও সোয়েব।
Manual5 Ad Code
হাসপাতালটির সামনে পুলিশ ও সেনাবাহিনী অবস্থান করছেন। হাসপাতালের ভেতরে জরুরি বিভাগে সেনা পাহারায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
Manual6 Ad Code
মারধরের শিকার ছাত্র দুলাল জানান, দুপুর বারোটার দিকে হঠাৎ করে হাসপাতালের কর্মচারী ও দালাল চক্রের সদস্যরা লোকজন নিয়ে এসে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে। এতে জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে আহতদের সবাইকে মারধর করা হয়।
মামুন আহমেদ নামে আরেকজন বলেন, পুরো হাসপাতাল দালাল সিন্ডিকেট চালায়। দালাল চক্রের বিরুদ্ধে আমরা কথা বলায় সকাল ১০টার দিকে ফিজিওথেরাপি নিতে যাওয়া আমাদের ওপর হামলা চালায় হাসপাতালের একদল কর্মচারী ও দালাল চক্র।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের এক কর্মী বলেন, বেশ কিছুদিন ধরেই এই হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের দ্ব›দ্ব চলে আসছে। এর মধ্যে রোববার রাতে ব্ল্যাডব্যাংকের কর্মী রফিককে মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার প্রতিবাদে ওইদিন হাসপাতালের সামনে অবস্থান নিয়ে কর্মবিরতি শুরু করেন কর্মীরা। এর মধ্যে তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
এসব বিষয়ে জানতে পঙ্গু হাসপাতাল পরিচালক ডা. মো. আবুল কেনানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ডিএমপি তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান বলেন, মারামারিতে দুপক্ষের লোকজন আহত হয়েছেন। কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি। আমরা দালালদের ধরতে যৌথবাহিনীসহ অভিযান শুরু করব।