আজ শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রিনল্যান্ড ইস্যু: যুক্তরাজ্য-ফ্রান্সসহ ইউরোপের ৮ দেশের ওপর বাড়তি শুল্কারোপের ঘোষণা ট্রাম্পের

editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
গ্রিনল্যান্ড ইস্যু: যুক্তরাজ্য-ফ্রান্সসহ ইউরোপের ৮ দেশের ওপর বাড়তি শুল্কারোপের ঘোষণা ট্রাম্পের

Manual7 Ad Code

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড কেনা নিয়ে চুক্তি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাজ্য, ডেনমার্কসহ একাধিক ইউরোপীয় দেশের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। স্থানীয় সময় অল্প কিছুক্ষণ আগে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

Manual1 Ad Code

ট্রাম্প জানান, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস ও ফিনল্যান্ড—এই দেশগুলোর যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা সব ধরনের পণ্যের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করা হবে।

Manual6 Ad Code

ট্রাম্পের ঘোষণানুযায়ী, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে তালিকাভুক্ত দেশগুলোর যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো সব পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। পরবর্তীতে ১ জুন ২০২৬ থেকে এই শুল্কের হার বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে।

ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, গ্রিনল্যান্ডের “সম্পূর্ণ ও চূড়ান্ত ক্রয়” বিষয়ে কোনো চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত এই শুল্ক কার্যকর থাকবে।

কেন এই সিদ্ধান্ত?

নিজের পোস্টের শুরুতে ট্রাম্প দাবি করেন, “ডেনমার্কের এখন সময় এসেছে গ্রিনল্যান্ড ফিরিয়ে দেওয়ার—বিশ্ব শান্তি ঝুঁকির মুখে!”

তিনি বলেন, চীন ও রাশিয়া গ্রিনল্যান্ডের দিকে নজর দিচ্ছে এবং এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া অন্য কেউ এই ‘খেলায়’ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে না।

ট্রাম্পের ভাষ্য, “এটি আমাদের গ্রহের নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও অস্তিত্বের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিস্থিতি।” তিনি অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট ইউরোপীয় দেশগুলো এমন এক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে, যা টেকসই বা গ্রহণযোগ্য নয়।

Manual7 Ad Code

বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় ‘কঠোর পদক্ষেপ’ নেওয়া জরুরি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

Manual2 Ad Code

এ সময় ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের কথিত ‘গোল্ডেন ডোম’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কথাও উল্লেখ করেন। তার দাবি, গ্রিনল্যান্ড যুক্ত না হলে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ কার্যকারিতা ও দক্ষতায় কাজ করতে পারবে না।

ট্রাম্পের এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন করে উত্তেজনার মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।