আজ মঙ্গলবার, ২৮শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৈশাখের আগুনরাঙা কৃষ্ণচূড়া প্রকৃতিতে মুগ্ধতা ছড়িয়েছে

editor
প্রকাশিত এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ০৮:৫৭ অপরাহ্ণ
বৈশাখের আগুনরাঙা কৃষ্ণচূড়া প্রকৃতিতে মুগ্ধতা ছড়িয়েছে

Manual8 Ad Code

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

Manual3 Ad Code

বৈশাখের রোদেলা দুপুর পেরিয়ে যখন বিকেলের নরম আলো নামে, তখন মৌলভীবাজারের পথঘাট, জনপদ আর হাওরপাড় যেন নতুন করে জেগে ওঠে। আগুনরাঙা কৃষ্ণচূড়া আর বেগুনি জারুলে সেজে ওঠা প্রকৃতি এ সময় মুগ্ধতায় ভরিয়ে তোলে চারপাশের মনমুগ্ধকর চারিপাশ।

শহরের ব্যস্ত সড়ক, গ্রামের মেঠুপথ, নদীর পাড় কিংবা হাওরের ধারে চোখ মেললেই দেখা যায় ফুলে ভরা কৃষ্ণচূড়া গাছ। লাল পাপড়িগুলো বাতাসে দুলতে দুলতে কানে কানে বলে যায় ঋতু বদলের গল্প। কোথাও একা দাঁড়িয়ে আছে কৃষ্ণচূড়া, কোথাও পাশে জারুল, সোনালু কিংবা অন্য ফুলগাছ মিলিয়ে একত্রিত হয়ে মেলবন্ধনে মধ্যে সাজিয়ে তুলেছে রঙের উৎসব।

মৌলভীবাজার শহর, শ্রীমঙ্গল, রাজনগর ও কমলগঞ্জ উপজেলার নানা এলাকায় এখন কৃষ্ণচূড়ার সৌন্দর্য চোখে পড়ছে। পথচলতি মানুষ একটু থেমে তাকাচ্ছেন, কেউ ছবি তুলছেন, কেউবা নিঃশব্দে উপভোগ করছেন প্রকৃতির এই অপার আয়োজন।

Manual5 Ad Code

প্রকৃতিপ্রেমী সত্যজিৎ দাস বলেন, বৈশাখে যখন রক্তে ভেজা লালের গালিচা বিছিয়ে কৃষ্ণচূড়া ফোটে, তখন মনে হয় প্রকৃতি নিজেই উৎসবে মেতে উঠেছে। এই সৌন্দর্য্য মানুষকে নতুন করে বাঁচার স্বপ্নে আনন্দ দেয়।

Manual1 Ad Code

মাইজগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-এর প্রধান শিক্ষক ফেরদৌস আহমদ বলেন, বিদ্যালয়ের পুরোনো কৃষ্ণচূড়া গাছগুলোতে এখন ফুলে ফুলে ভরে গেছে। ওপরে তাকালে মনে হয় আকাশ লাল হয়ে আছে, নিচে তাকালে মনে হয় কেউ লাল গালিচা বিছিয়ে রেখেছে।

প্রকৃতির এই রঙিন সাজ বেশিদিন থাকে না। কয়েক দিনের মধ্যেই ঝরে যাবে লাল পাপড়ি, মুছে যাবে এই উৎসবের রং। তবু যতদিন থাকে, ততদিন কৃষ্ণচূড়া যেন মানুষকে মনে করিয়ে দেয়—সবচেয়ে সুন্দর জিনিসগুলোই হয়তো ক্ষণস্থায়ী হয়ে আমাদের মাঝে প্রস্ফুটিত হয়।

Manual2 Ad Code